অগ্রিম বর্ধিত বেতন ফাইল অনুমোদন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তথা জেলা স্কুলের: বিদ্যালয় থেকে ফাইল যাবার পরে উপ পরিচালকের কার্যালয়ের( মাধ্যমিক পর্যায়ের)ঘুষ দিতে হয় ১ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। এরপরে মহাপরিচালকের (মাউশি'র) কার্যালয় দুই থেকে তিন হাজার। ফাইল অনুমোদন পাওয়ার পরে হিসাবরক্ষণ অফিসে বকেয়া বেতনের জন্য ৩% হারে । গড়ে প্রত্যেকের পাস থেকে ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এই দপ্তরে বদলির ফাইল অনুমোদনের জন্য ১ থেকে ৫-৬ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়।

এই রিপোর্টটি ghush.site থেকে সংগৃহীত। লেখা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১০,০০০
যে কাজের জন্য অগ্রিম বর্ধিত বেতন ফাইল অনুমোদন
দপ্তর শিক্ষা অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা শহর
রিপোর্টের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

শিক্ষা অফিস

শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট এর চিকিৎসা ভাতা

সরকারি ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড বিভাগীয় অফিস থেকে আবেদন করলে শিক্ষা সহায়তা ও চিকিৎসা সহায়তা ভাতা পেয়ে থাকেন। আমাদের কাহারোল উপজেলা, দিনাজপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, একজন প্রধান শিক্ষক, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড এর বাস হেলপার এবং একজন অফিস সহকারী মিলে ঘুষ এর বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন।

ঘুষ দিইনি ghush.site
Kaharole ৳২.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

New Mpo file

এমপিও ভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলের নতুন এমপিও ভুক্ত করার জন্য ফাইল উপজেলায় পাঠানোর জন্য টাকা দিতে হবে। না দিলে ফাইল ছাড়া হবে না। দিতে বাধ্য হয়েছি।না দিলে আমার ফাইল ডান হবে না আর বেতনও হবে না,এখানে নিরুপায়।কিভাবে এর সাথে লড়াই করবো।

ঘুষ দিয়েছি ghush.site
Jhalokathi ৳৫.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

শিক্ষক নিয়োগ

খুরশিদ মহল জুনিয়র হাই স্কুল, গফরগাও একটি নাম মাত্র স্কুল, একটি টিনের ঘর বানিয়ে এমপিওভুক্ত করে নামমাত্র স্কুল দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকারি টাকা খাচ্ছে। স্কুল কমিটি করে, শিক্ষক মহল মিলে সিন্ডিকেট করে নতুন শিক্ষক এনটিআরসি নিয়োগ দিলেও তারা সবাই মিলে টাকা খায়।

ঘুষ দিয়েছি ghush.site
গফরগাও ৳৩৬.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

শিক্ষা

ঢাবি অধিভুক্ত ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বরাবরই প্রতি সেমিস্টারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত অর্থের থেকে বেশি অর্থ আদায় করে। কলেজটিতে কোনো পরিবহন না থাকা স্বত্বেও শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে পরিবহন ভাড়া নেওয়া হয়। হলের ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও ৪০০ নেয়। কলেজে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচনের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও, অর্থের বিনিময়ে হুমায়ূন কবির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মেধাতালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের সাথে একই ক্লাসে পড়ানো হয়। কলেজটির গভার্নিং বডি এবং শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত সিস্টেমেটিকভাবে ঘুষ নেয়। (সংযুক্ত অর্থের সংখ্যাটি প্রতি ৬ মাসের অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থে পরিমাণ নির্দেশ করে)

ঘুষ দিয়েছি ghush.site
রহমতপুর বাইপাস, সদর, ময়মনসিংহ ৳৩০.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য