সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
হরিগঞ্জ মৌজার নামজারী আবেদন করে চরভূতা ইউনিয়ন ভুমি অফিসে নিয়ে যাই সেখানে ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা বলেন যে হরিগঞ্জ মৌজার বিআরএস খতিয়ান অনলাইস করা নাই তাই সেটা অনলাইনে এন্ট্রি দিতে হবে জেলা ডিসি অফিস থেকে সেখানে 1000 টাকা দিতে হয় এবং তিনি আবার রিপোর্ট দিবেন তাই তার জন্য 1000 মোট 2000 হাজার টাকা দিতে হবে। আমার ভীষন জরুরী দরকার তাই কথা না বাড়িয়ে দিয়ে আসলাম। পরে পরিচিত কয়েক জনের নিকট জানতে পারি অত্র উপজেলায় কোন অফিসে ই টাকা ছাড়া রিপোর্ট করাতে গেলে নানা অযুহাতে আবেদন খারিজ করে দেয়। এজন্য মানুষ বাধ্য হয়ে কমপক্ষে 1000 টাকা দেন। গ্রামের সহজ সরল মানুষ সরকারি অফিসে গিয়ে প্রতিবাদ করবেন সেই সাহস অনেকেরই নাই। তাই এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকারি অফিসগুলো ওপেন অফিসে বসে ঘুষ গ্রহন করছেন।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
Comments 0
No comments yet. Be the first.