পাসপোর্ট করা বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

ইন্টারভিউ অফিসার সকল পেপারস চেক করে বলে যে ঠিক আছে, সহকারী পরিচালকের সাক্ষর নিতে হবে। স্বাক্ষর নিতে গেলে তার সহকারী বলে যে ঠিক নাই, নিচে যান। নিয়ে গেলে বলে সব ঠিক আছে। এভাবে ৩/৪ বার ঘুরানোর পর বুঝতে পারছি তারা আসলে কি চাচ্ছে। সেই সহকারী আমার থেকে ১৫০০ টাকা দাবি করে। এছাড়া সে সহকারী পরিচালকের রুমে ঢুকতেই দেয়না। আমার ইমারজেন্সি পাসপোর্ট করা লাগবে বিধায় ঘুষ দিয়ে করাতে বাধ্য হয়েছিলাম। এই চক্রটা চলমান প্রক্রিয়া। এভাবেই চলে। দালাল দিয়ে করালে। ওরা মাথাপিছু টাকা দেয়। যা একবারে গ্রাহকের থেকে নিয়ে নেয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,৫০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট করা
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ময়মনসিংহ
থানা / উপজেলা জামালপুর, পাসপোর্ট অফিস
রিপোর্টের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫০
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
মন্তব্য