Traffic checking / enforcement ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

Few days ago at approximately 6:00 PM, our office vehicle was stopped by a traffic sergeant opposite Police Plaza, Gulshan. The officer asked which office the vehicle belonged to and asked the driver to have the office contacted. During the interaction, the officer indicated that a weekly arrangement should be made with the office. No specific amount was mentioned to us at the time. We did not agree to or make any such payment or arrangement. I am reporting this incident because the request appeared to be for a recurring unofficial benefit in connection with allowing the office vehicle to operate without such issues.

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১
যে কাজের জন্য Traffic checking / enforcement
দপ্তর ট্রাফিক পুলিশ
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা Dhaka
রিপোর্টের তারিখ ২১ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ৪ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

ট্রাফিক পুলিশ

হয়রানী

আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে জব করি কাজের চাপ থাকায় অফিস থেকে বের হতে অনেক রাত হয় । পথিমধ্যে কিছু পুলিশ আমাকে দার করায় এবং জানতে চায় কোথা থেকে এসেছি ? আমি অফিসের আইডি কার্ড দেখানোর পরেও আমাকে তারা চেক করে কিন্তু কিছু না পেয়ে আমার কাছে 2000 টাকা দাবি করে না দিলে মাদক কেস দিবে ইত্যাদি বলে এখন নিজের সম্মান বাচাতে তাকে টাকা দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ট্রাফিক পুলিশ

রাস্তায় আটকিয়ে ৫০০ টাকা নিয়েছে

আমি হাতিরঝিল দিয়ে আসতেছিলাম। অল্প একটু জায়গা ম্যাবি ১০ ফিট হবে ভুল চলে গিয়েছি। রাস্তা ফাঁকা থাকায় আমি গাড়ি ঘুরিয়ে ঠিক রাস্তায় চলে আসি। এটা দেখে ট্রাফিক পুলিশ —। দেখে তার সাগরেদ দিয়ে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়। আমার পেপার্স আটকে রেখে। লোকেশনঃ হাতিরঝিল দিয়ে পুলিশ প্লাজা যাওয়ার আগের ৩ রাস্তার মোড়ে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫০০
২১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ট্রাফিক পুলিশ

থানায় সাধারণ ডায়েরি করন প্রসঙ্গে

আমি ছয় শতক জমি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে বায়না দলিলের মাধ্যমে ৮ লাখ টাকা প্রদান করি কিন্তু বায়না দলিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও বিভিন্ন তালবাহানা করে দুই বছর সময় অতিক্রান্ত করে। অবশেষে আমাকে জমি দেবে না বলে ঘোষণা দেয়। তখন আমি টাকা উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নেওয়ার জন্য থানার একটি জিডি কফির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। থানায় জিডি করতে গেলে বলে এ সংক্রান্ত জিটি থানায় নেওয়া হয় না। পরবর্তীতে দালাল চক্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে থানায় জিডি করতে সক্ষম হই।

ঘুষ দিয়েছি
হারাগাছ ৳১০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য