CTG6ZMC7

নতুন পাসপোর্ট করা বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

নতুন পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপাত্ত দেয়ার পর আমাকে প্রশ্ন করেছিল পাসপোর্টটি মার্ক দিয়ে না মার্ক ছাড়া করা হবে? মার্ক দিয়ে করার অর্থ হলো ঘুষ দেয়া। আমার জানি যে, ঘুষ না দিলে আপনাকে হয়রানি করা হবে। হয়রানি এড়ানোর জন্য আমাকে ৪৫০০ টাকা (প্রতি পাসপোর্টের জন্য ২২৫০ টাকা) ঘুষ দিতে হয়েছিল। আমি দুইটি পাসপোর্ট করেছিলাম। মার্ক হিসেবে পাসপোর্ট অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ইমেইল অ্যাড্রেস দিয়েছিল। এই ইমেইল অ্যাড্রেস দেখলেই তিনি বুঝে যান, উনি তখন চোখ বন্ধ করে সিল মেরে দেন

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,২৫০
যে কাজের জন্য নতুন পাসপোর্ট করা
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা চট্টগ্রাম
রিপোর্টের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১৩ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
০ মন্তব্য

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১৩ BRA9CLA5
০ মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮১ RJ6GQSK6
০ মন্তব্য