পেনশন
আমার বাবা প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক ছিলেন, মারা যাওয়ার পর আমার মায়ের নামে পেনশন করতে গেছিলাম। আমার মায়ের পেনশন 8000 টাকা, কিন্তু আমাকে ঘুষ দিতে হয়েছিল 10000 টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবা প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক ছিলেন, মারা যাওয়ার পর আমার মায়ের নামে পেনশন করতে গেছিলাম। আমার মায়ের পেনশন 8000 টাকা, কিন্তু আমাকে ঘুষ দিতে হয়েছিল 10000 টাকা।
যে কোনো বিল পাশ করাতে ২০% টাকা দাবি করে। বিল ১ লক্ষ টাকা হলে ২০,০০০ টাকা তাদের আগেই দিতে হয়। নয়তো বিল পাশ হয় না। ডকুমেন্টস হারিয়ে যায়। পাওয়া যাচ্ছে না। অমুক অফিসে যোগাযোগ করেন। হেনস্তার শেষ নাই।
বিষয়: মৃত পিতার চাকরিজনিত পাওনা ও পারিবারিক সুবিধা পেতে ঘুষ দাবি, হয়রানি ও বিলম্বের অভিযোগ। আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন মৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের সন্তান। আমার বাবা একজন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গত ১০ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর চাকরিজনিত বিভিন্ন সরকারি পাওনা ও আমার মায়ের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা চালু করার জন্য আমাদেরকে বিভিন্ন দপ্তরে অফিসিয়াল কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হচ্ছে। এই কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য আমরা ধাপে ধাপে সাপাহার উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস ও শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করে আসছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে আমাদের কাছ থেকে বারবার টাকা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে। সাপাহার উপজেলা
১)বিসিএস জবে জয়েন করার আগেই আমি এম্ফিল করেছিলাম। এমফিল করলে দুটো ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়।সেই ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার জন্য আমার কোরবানি ঈদের (২০০৫ সালের দিকে সম্ভবত) বোনাস পুরোটা এডি, কলেজ শাখার জন্য ঘুষ হিসেবে পাঠাতে হয়েছিলো। ২) ভালো ভালো করলেগুলুর পোস্টিং হয় ঘুষের উপর। আমি টাকা দিতে পারিনি তাই মেধা তালিকায় একেবারে শুরুতে থাকার পরও আমি অনেক রিমোট কলেজে পোস্টিং পেয়েছি ৩) ২০০৯ এ আমি পিএইচডির জন্য একটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পেয়েছিলাম। সেখান থেকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষে সাতকানিয়া একাউন্টস ডিপার্ট্মেন্টে আমার সম্পুর্ণ ফার্মালিটি শেষ করার পরে আমার কাছে টাকা দাবি করে, কারণ সেই ব্যক্তির দাবি সে অনেক কষ্ট করেছে। অথচ, সে বেতন নিচ্ছেই এই কাজ করার জন্য।
টাকা না দিলে জিফিএফ এর টাকা কর্তন করবে না। সেজন্য দেওয়া হয়েছিল। অফিসেই টাকা নিয়েছিল।
আমার শশুর ছিলেন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক ছিলেন। তিনি কর্মরত আবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। জনপ্রশাসন থেকে ৮০০০০০ টাকা এককালীন টাকা দেওয়া হয় কোন কর্মচারী মৃত্যুবরণ করলে। সেখানে আমাকে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। গ্রাচুইটির টাকা পেতে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। সর্বশেষ পেনশনের ১৮ লক্ষ টাকা পেতে প্রতি লাখে এক হাজার ১০০০ মোট ১৮০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার ১০ বছর চাকুরিকাল অতিবাহিত হলে প্রথম উচ্চতর গ্রেড মন্জুর হয়৷উক্ত বিল করতে হিসাব রক্ষন অফিসে যাই৷টাকা দিতে অস্বীকার করায় আমাকে তিনমাস ঘুরায়৷পরবর্তিতে টাকা দিলে বিলটি মন্জুর হয়৷
পিআইও অফিস থেকে হিসাবরক্ষক অফিসে কোন স্বাক্ষর নিতে চাইলে টাকা দিতে হয় এক জনকে তিনি সকলের সামনে বলে এই টাকা নেয়
মৌলভীবাজার ডিসি অফিসে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের চেকটি LAO অফিস থেকে Accounts শাখায় পাঠানো হয়েছিল। Accounts-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ঘুষ না দিলে তিনি চেকটি তাৎক্ষণিকভাবে ইস্যু করতেন না; ঘুষ দিলে একই দিনেই চেক পাওয়া যেত। আমার চেকটিও ইস্যুর জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু আমি প্রথমে কোনো টাকা দিইনি। এর মধ্যে কিছু অসাধু ব্যক্তি অযৌক্তিক আপত্তি তুলে চেকটি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে LAO অফিস কাগজপত্র যাচাই করে চেক ইস্যুর বিষয়টি পরিষ্কার করে দেয়। আরও বিলম্ব বা নতুন কোনো জটিলতার আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে ওই দিনই Accounts-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ৮,০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে চেকটি সংগ্রহ করি।
পে ফিক্সেশন এর জন্য মিষ্টি খেতে সরাসরি ২০০০/- টাকা চাইছে।
সেনাবাহিনী থেকে নিয়মিত অবসর গ্রহণ এর সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের, জুনিয়র অডিটর ঘুষ দাবি করেন। আমরা ৭৫০জন + লোকজন থেকে ঘড়ে ৬০০০০ টাকা করে FPO office ar এস এস অধীক্ষক বা জুনিয়র অডিটর রাখা ঘুষ নিয়ে থাকেন।
বেতন শুরু করা। ফাইল আটকে রাখ ছিলো। আর ঘুরাচ্ছিলো।
সরকারি ভ্রমন ভাতা তুলতে গেলে বিলের ১০% টাকা দাবি করে,এর সাথে জড়িত সরকারি অফিসের ক্যাশ সরকার এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তারা।
আমার মা'র পেনশন অধিদপ্তর, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সবকিছু ঠিকঠাক পাশ হয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ফাইল আসে।সব ধরনের ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পর ও উপজেলা একাউন্টস অফিস জানায় ফাইলে অসংগতি আছে, পেনশন পাবেন না।আমার মা, পরিবারের সবাই, এমনকি আমার মার অফিসের সবাই অবাক ; হিসাব রক্ষণ অফিসের এমন নেগেটিভ মন্তব্যে।২/৩ দিন পর উপজেলা হিসাব রক্ষন অফিসের অডিটর ফোন করে জানায়, আপনার সমস্যা সমাধান করা যাবে কিন্তু ৫০০০০ টাকা লাগবে, না হলে ফাইল ঢাকায় ফিরত দিয়ে দিব।তখন ঢাকায় অনেক ঘুরাঘুরি করতে হবে।মা তখন প্রশ্ন করে, আপনারা ই তো বললেন ফাইলে অসংগতি আছে, তো ৫০০০০ টাকা দিলেই সেই অসংগতি কিভাবে সমাধান হয়ে যাবে? কাগজ পত্র ১০০% ঠিক, তারপর ও হয়রানির ভয় দেখিয়ে তাঁরা ৫০০০০ টাকা দাবি করে।পরে ২০০০০ টাকা দফারফা হয়।
পেনশন কাগজ জেলা অফিসে পাথানো জন্য ফাইল স্বাক্ষর ৩০০০০ টাকা চাওয়া।
আমার ২৩হাজার টাকার একটা টিএ ডিএ বিলের জন্য ৩৫০০ টাকা চাইছিলো আমি টাকা দেইনি এজন্য আমার বিলটা পাস করে দেয় নি অথচ সাথের আরও ২০টার মত বিল পাস করে দিছে টাকা খেয়ে। ১বছর হইলো বিল টা পাবো না আশা ছেড়ে দিছি।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ৪০০০ টাকা ঘুস দিয়ে ফাইল পত্র প্রস্তুত করে উপজেলা হিসাবরক্ষক অফিসে যাই। সেখানে তারা আমার কাছে ৫০০০ হাজার টাকা ঘুস দাবি করে। আমি তাদেরকে অনেক কষ্টে বুঝিয়ে ৩০০০ টাকা প্রদান করি।
আমার মা একজন সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। চাকুরীতে বহাল থাকাকালীন 2023 সালে মায়ের মৃত্যু হয়। তারপর আমার বাবা পেনশন চালু করতে হিসাব রক্ষণ অফিসে গেলে প্রথমেই ঘুষ বাবদ 100000 টাকা চাওয়া হয়। প্রথমে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রচুর হয়রানির শিকার হতে হয়েছে আমাদের। বহু ঝামেলার পর একপর্যায়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই এবং আমাদের উপর রাগ করে হিসাব রক্ষণ অফিস একটা ইনক্রিমেন্ট কমিয়ে দিয়ে আমাদের প্রাপ্য টাকা সহ পেনশন চালু করে দেয় । উল্লেখ্য উক্ত অফিসের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন একই অফিসে চাকরি করায় সমস্ত সেবা গ্রহণকারীদের জিম্মি করে ফেলেছে। হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বদলী হলেও কিছুদিনের মধ্যেই আবার একই কর্মস্থলে ফিরে আসে।
আমার মা একজন পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হিসেবে তার চাকুরীজীবন শেষ করার পর থেকেই উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে নানান ভাবে হয়রানি শুরু করে। যেমন: কাগজ সমস্যা, রিন পরিশোধ হয়নি, বকেয়া আছে, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে ছাড়পত্র দিচ্ছে না, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর থেকে বাজেট বরাদ্দ নাই, পিআরএল অনুমোদন করতে হবে, হিসাবরক্ষণ অফিসে টাকা ছাড়া কাজ করে না সহ নানা হয়রানি মূলক কাজ করে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ২২০০০ টাকা, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ১০০০ টাকা এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ৪০০০ টাকা নিয়েছে তাছাড়া ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সেই দায়িত্বশীল কর্মকর্তা আরও টাকা দাবি করে যাচ্ছে।
এলাকায় সেই অফিসারের দালালের মাধ্যমে ঘুস গ্রহন করে সে নিজে হাতে ঘুস নেই না