নতুন চাকরির বেতন নির্ধারণ
নতুন চাকরি। তাই হিসাবরক্ষন অফিসের সবাইকে মিষ্টি খাওয়াতে হবে।-সরাসরি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন চাকরি। তাই হিসাবরক্ষন অফিসের সবাইকে মিষ্টি খাওয়াতে হবে।-সরাসরি
না দিলে সম্পর্কে খারাপ হবে পরে আর বিল ছাড়তে ঝামেলা করবে
ঘুষ দিতে বাধ্য করেছে।
আব্বুর মরনোত্তর পেনশন অনুমোদনের জন্য এজি অফিসকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো। আমরা মজলুম ছিলাম।
পে ফিক্সেশনের জন্য ঘুষ দাবি করেছে।
যাতায়ত ভাড়া ভাতা যত টাকা হবে তার ২০% হারে দিয়ে ফাইল/টাকা ছাড় করাতে হবে না হলে ভাতা পাওয়া যায় না।
TA/DA এর ক্লিয়ারেন্স এর জন্য প্রতি ১০০০০ টাকায় ১ হাজার টাকা ঘুষ নেয় Army FC Pay-1
আমি ফায়ার সার্ভিসের জব করি চাকুরী হতে,,বিভিন্ন ট্রেনিং কোর্স করলে নিজের টাকা খরচ করতে হয় সেটার বিল সাবমিট করতে হয় অনলাইনে,,,তো আমার এরকম ৭ টা বিল ছিলো,,,২০২৩, ২৪,২৫ মিলে,,সেগুলো নিজের দপ্তর ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি দপ্তর মানে নওগাঁ দিতে হইছে ১৬% সেটা আবার উপজেলা হিসাব রক্ষক অফিসে দিতে হয়েছে ১০% এই রকম ঘুস দিতে হয়
আমার গ্রাচুইটি বাবন এক লক্ষ টাকা পেনশন বাবদ এক লক্ষ টাকা
অডিটর কর্তৃক পেনশন ভেটিং সম্পন্ন করার জন্য চাহিদা করেছে। না দিলে বিভিন্ন অযুহাতে পেনশন হতে টাকা কর্তনের সুযোগ খোজেন।
আমাদের ৭৮ জনের চাকরি হওয়ার পর প্রতি জনের কাছ থেকে ১০০০ হাজার টাকা দাবি। পরবর্তীতে ৩০০০০ টাকা দিয়ে করিয়েছি
সরকারী খাদ্য গুদামে ধান ও চাল সরবরাহের মূল্য বাবদ সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে প্রদত্ত বিলের বিপরীতে ব্যাংক পুণঃভরণ পদ্ধতিতে কৃষক/মিলারগণকে তাদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করে। এখানে ব্যাংক ১% কমিশন পায়। পরবর্তীতে ফান্ড প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক কর্তৃক পুনঃভরণ বিবরনী দাখিল করলে নিরীক্ষান্তে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিস চেক ইস্যু করে। উক্ত জেলা হিসবরক্ষণ অফিস প্রতি চেক এর জন্য ১০০০ (এক হাজার মাত্র) টাকা ঘুষ নেয়। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১৫টি চেকের জন্য ১৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
একজন শিক্ষক সারাজীবন কস্ট করে তার ফ্যামিলি চালায়। নিজের শেষ বয়সে চাকুরি শেষ হবার পর পেনশন চালু করতে প্রতিটি শিক্ষকের পোহাতে হয় এই বিড়ম্বনা। সরকার ঘোষিত দ্রুত সেবা বাস্তবায়নের কথা থাকলেও। নেই কোন মনিটরিং ব্যবস্থা। যে বা যিনি এই হিসাব টা করবেন কতজন ব্যাক্তি অবসরে যাচ্ছেন। তারা কখন থেকে পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। অর্থাৎ চাকুরি শেষ করে তখন আপনি দারে দারে ঘুরে বেড়াবেন তাও টাকা না দিলে মিলবে না সেবা মাসের পর মাস চলে গেলেও আপনাকে ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াবে।
আমি কুষ্টিয়াতে একটি ক্যাডার প্রতিষ্ঠানে চাকুরিতে যোগদান করি। প্রথম বেতন চালু করতে টাকা দিতে হয় জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে। আর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে আমার নিজ অফিসের একাউন্টস অফিসার। হিসাবরক্ষণ অফিস বা এজি অফিসে নিজে উপস্থিত হয়েও কাজ করাতে গেলে বলে (উক্ত প্রতিষ্ঠানের অডিটর) আপনার অফিসের অমুক (সহিকারী একাউন্টস অফিসার) আছে না, উনাকে দিয়ে কাগজ পত্র পাঠিয়ে দিয়েন; কাজ হয়ে যাবে। এজি অফিস এটাকে বলে মিষ্টির টাকা। সবার আড়াই থেকে তিন হাজার লেগেছে। আমার কম লাগার কারণ হলো বেতন চালুর পূর্বেই আমার অন্যত্র পোস্টিং হয়। তারা শুধু ১০০০ টাকার বিনিময়ে এলপিসিটা নতুন কর্মস্থলে ফরওয়ার্ড করেছে।
একটি বাদ পড়া টাইম স্কেল বকেয়াসহ প্রদানের ব্যবস্থা করবেন, যা আমার সঠিক প্রাপ্য ছিল। অন্যথায় বর্তমান অবস্থায় পেনশন ও আনুতোষিক দিবেন। আর তাতে চার পাঁচ লাখ টাকা বঞ্চিত হতাম।
আমি বদলি জনিত কারণে আমার শেষ বেতনের প্রত্যয়ন পত্র নিতে গিয়েছিলাম, ওরা বলে ২৫০০ টাকা দিলে ২,দিনের মধ্যে দিয়ে দেবে, অন্যথায় ওদের হাতে অনেক কাজ আছে, সিরিয়াল অনুযায়ী দেবে,কিন্তু আমি দেখলাম ওরা ফ্রী আছে।
কাশিয়ানী একাউন্ট অফিস GPF opening এর জন্যে ১৫০০ টাকা চেয়েছে
টিসিবির ডিলার নিয়োগ দিয়েছে ১৬ জন প্রতিজন থেকে ২ লক্ষ্য টাকা করে নিয়েছে ক্যাশ।
এটা শুধু আমি বলে কথা না, যেকোন সরকারি চাকুরিতে যোগদানকালে প্রত্যেক ব্যক্তিকে ১০০০-২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। আমি ও আমার সাথে যোগদানকৃত প্রায় ১০০ জন সকলেই গড়ে ১০০০ টাকা করে দিয়েছি। এই ঘুষের টাকাটা আবার ২ ভাগে ভাগ হয়৷ প্রথম ভাগ যায় নিজ নিজ দপ্তরের যারা এই কাজটি করে আর দ্বিতীয় ভাগ যায় হিসাবরক্ষণ অফিসে।
দিনগুলো করার জন্য অনেক দাবি করছিল ৫০০ টাকায় আমি দিয়ে দিয়েছি দ্রুত কাজটি করে দিবে তাই আমি দ্রুত কাজটি করার জন্য দিয়েছি করেন