রাস্তা কাজ, বিল পাস কপ্রে দেওয়ার নামে
টাকা না দিলে বিল পাস হচ্চে না, কাবিকা / টি আর
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে বিল পাস হচ্চে না, কাবিকা / টি আর
সরকারি চাকরির বদলি জনিতLPC একসেপ্ট করাতে টাকা লেগেছে।
বিল পাশ করতে হলে ১০% -১৫ % না দিলে বিল পাশ হয়ে না
আবেদন দীর্ঘদিন ধরে প্রসেস না করে ফেলে রাখছিল। আমি যখন সরাসরি অফিসারের সাথে দেখা করি উনি সাইন করে দেন। ফাইলের জন্য যখন যাই অফিস সহকারি টাকা দাবি করে। দাবি অনুযায়ী টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বকেয়া বিল আটকে দে। এখন তিন মাস হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত বকেয়া পাই নাই।
ঢাকা এজি অফিসে জিপিএফ থেকে অগ্রীম উত্তোলনের জন্য ৫০০০ টাকা চেয়েছে। টাকা না দেওয়ায় চেক পাস করেনি।
ভোলা হিসাব রক্ষণ অফিসের — (অডিটর) । তিনি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ভোলা সদর উপজেলার সকলের বেতন, বোনাস, অবসর ভাতার কাজ করেন। প্রতিটি কাজে তাকে টাকা দিতে হয়। অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকেন, যা আমি নিজ চোখে দেখেছি। প্রবীণ শিক্ষক গণ ভয়ে তার দাবি কৃত টাকা দিয়ে দেয়। সে খুব কৌশলে কাজ করে। কাজ সমাপ্ত হলে আড়ালে গিয়ে টাকা নেয়। আমার কাছে দাবি কৃত টাকা প্রত্যাখ্যান করলেও অন্য অন্য কাজে ৫০০ করে দিতে হয়েছে।
বকেয়া ইনক্রিমেন্ট পাবো কিন্তু টাকা ছাড়া দিবে না
আমি এক অফিস থেকে আরেকটি সরকারি অফিসে চাকুরী হওয়ার কারণে আইবাস+++ বাতিল, জিপিএফ ফান্ডের জমানো টাকা উত্তোলন, জিপিএফ বাতিল এবং পে-ফিক্সেশন করার জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার আব্বু মূত্যুর পরে তার পেনসন এর টাকা কনভার্ট করে আমার আম্মুর একাউন্ট এ দিবে তার জন্য তারা প্রতি লক্ষতে ১০০০ টাকা চায়!! আপাতত একটা ফান্ড থেকে টাকা আসছে তার হিসেবে ৪০০০ টাকা দাবি করতে টাকা না দিলে কাজ ফালাইয়া রাখবে কাজ নিয়া ঘুরাবে!
মোট বিলের ৫% দিতে হয়
বাংলাদেশের সকল হিসাবরক্ষণ অফিসে ৫% হারে পরিশোধ করে বিল গ্রহণ করতে হয়। পেনশনের জন্য নির্ধারিত অংকের টাকা পরিশোধ না করলে পেনশন গ্রহণ করা যায় না।
নতুন চাকরিতে আইবাসে বেতন এপ্রুভ করাতে
আমি ২০১৭ সালে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগাদান করি। ২০২৬ সালে এসে আমাদের জুনিয়র ও সিনিয়র কলিগরা চাকুরির পূর্বে মাস্টার্স ডিগ্রীর জন্য ১/২ টি করে ইনক্রিমেন্ট পায়। সেইটা ২০১৭ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৩ লক্ষ টাকা হয়। কাগজপত্র সব ঠিক। তবুও হিসাবরক্ষণ অফিস আমাদের ১১ জনের থেকে ৩% করে ঘুষ দাবি করে টাকা আটকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে তাদের দাবিকৃত টাকা দিয়ে আমরা বিল হাতে পাই।
আমার বাবা সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর আমার মায়ের চিকিৎসা ভাতা প্রসেস করার জন্য একাউন্টস অফিসে যাবতীয় কাগজপত্র জমা দিবার সাথে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। পরে যখন কাজ সম্পন্ন হয়েছে আবার ৬০০০ টাকা দিয়ে হয়েছে।
এসএফসি আর্মি ঢাকা সেনানিবাস অফিসে অধিকাল বিল পাশনকরানো শতকরা হিসেবে ১০% টাকা এবং টিএডিএ বিল থেকে শতকরা ২৫% দাবি করে। কয়েকজনের অধিকাল বিল একসাথে যদি এক লক্ষ টাকা হয় তাহলে অডিটরকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে পাশ করে দেয়না এমনকি বাজে ব্যবহার করে। এমনকি মোট হিসেব করে ঘুষের টাকা থেকে দু চার শো টাকা কম দিলে তাদের নাকি লস হয়ে যায়..এ বাবে জিম্মি করে যখন টাকা আদায় করে তখন তাদের গালাগলি কিংবা মারতে ইচ্ছে করে কিন্তুু সরকারী বিধিমালা অনুযায়ী সরকারী কর্মচারির গায়ে হাত তোলা অপরাধ তাই কিছু করতে পারিনা। এই এসএফসি অফিসটায় ঘুষের রমরমা বিজনেস চলে ঠিকাদার থেকেও জিম্মি করে টাকা নেয়..একটা বিল ডেসপাচ করতে ২০০-৫০০ টাকা পযন্ত নেয়।বিল পাশ হলে চেক নিতেও এসএফসি আর্ম অফিসে যাহা সেনানিবাসের লগ এরিয়া অফিসের ভিতরে অবস্থিত
সেবা টি ছিল পেনশনের ফাইল আটকে থাকা। ফাইল ছাড়তে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করছে।
বেতন ফিক্সেশনের ফাইল অনুমোদন করার জন্য জেলা হিসাব রক্ষণ অফিস সরাসরি ঘুষ না চাইলেও ফাইল রেখে যেতে বলেছিল৷ পরে খোজ নিতে কল দিলে অডিটর জানায় যে একজন পিওন পাঠাতে তাহলে ফাইল অনুমোদন হয়ে যাবে। পিওন কে পাঠানোর পর পিওন আমাকে জানায় যে, এক হাজার টাকা না দিলে ফাইল অনুমোদন হবেনা।
উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে যে কোন বিল পাস করতে গেলে, মোট টাকার পাচ শতাংশ হারে টাকা দিতে হয়। এটা বাধ্যতামূলক। না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে আটকিয়ে রাখে। টাকা দিলে ভুল থাকলেও সমস্যা নেই।
10 % হতে 15% হারে,নয়ত বিল পাস করতে তালবাহানা।কিছু বিল ফেরত দিয়েছে,নানাভাবে হয়রানি,টাকা না পাওয়া বিল ফেরত দিয়েছে।অথচ বিগত বছর টাকা পেয়ে যে ধরনের বিলগুলো পাস করেছে, এ বছর টাকা না দেওয়ার একই ধরনের বিলে পাস করে নাই।সরকারি অফিসের বিলে টাকা চায়,দু:খজনক।
সরকারি একটি প্রকল্পে আমরা তিনজন কম্পিউটার অপারেটর পদে সরাসরি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চাকরি করতাম। প্রকল্পটি শেষ হলে সরকারি প্রঞ্জাপন বা পরিপত্র অনুযায়ী আমরা সর্বশেষ বেতনকে ভিত্তি ধরে প্রতি বছরের জন্য ২ মাসের বেতন ধরে টাকা প্রাপ্য। সে হিসেবে আমরা ১০ লাখের একটু বেশি টাকার বিল করি (নিয়মে যা আসে) এবং এজি অফিসে পাঠায় পরে তারা দিবে না বলে দেয়। এদিকে অর্থবছরও শেষ হয়ে যাচ্ছে মাত্র ২-১ দিন ছিল। অনেক অনুরোধ করে পরে ২ লাখ টাকা নিয়ে চেক দিয়েছে।