পেনশন সংক্রান্ত কাজ
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
মিলিটারি ফার্ম এ প্রতি ৬ মাস /১ বসর পর পর গরুর খামার এর জন্য গো-খাদ্য সরবারাহের জন্য উন্মুক্ত টেন্ডার দেয়া হয়। এই গো খাদ্য সরবরাহ শেষ করে বিল/ব্যাংক চেক নিতে মহাখালী, DGDP অফিস এ মোট বিল এর ১% ঘুস দেয়া বাধ্যতামূলক। না হলে চেক পাস হয় না, এবং এই টাকা ক্যাশ / মোবাইল ব্যাংকিং, অনেক সময় অফিস সহকারী /পিওন এর মাধ্যমে দিতে হয়। আমি নতুন, এসব না বুঝে, একবার কাজ করে অনেক লস করে, তওবা করেছি। টাকার ভাগ উপর মহলে যায়, সবাই সব কিছু জানে।অনেক কস্টের হকের উপার্জন যখন অন্যায় ভাবে ছিনিয়ে নেয়, সিসটেম এর ভয় দেখিয়ে, তখন ছল ছল, অবাক, অপলক, নয়নে তাকিয়ে দেখি শুধুই নিজের বুকের রুক্তখরন, আর ভাবি এই দেশে জন্ম নেয়াই একটা বড় ভুল, যার মাসুল দিচ্ছে অগনিত দেশপ্রেমিক, ব্যাবসায়ী সহজোদ্ধা...আত্তার কস্টই অভিশাপ।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।