বেতন সমাকরণ
বেতন সমতাকরণ বিল করতে যেয়ে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ৩৭ জনের বিল করতে যেয়ে জন প্রতি ৩০০০ টাকা করে পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বেতন সমতাকরণ বিল করতে যেয়ে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ৩৭ জনের বিল করতে যেয়ে জন প্রতি ৩০০০ টাকা করে পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়েছে।
আমার চাকরীর কর্মস্থল বদলী হওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার জন্য LPC বাবদ ৩০০০টাকা দাবী করা হয়। পরিশোধ না করায় আমার LPC দীর্ঘদিন না পাঠিয়ে আটকে রাখে এবং আমার বেতন পেতে বিলম্ব হয়।পরবর্তীতে সেই টাকা পরিশোধ করে LPC পাঠানো হয়।
পি এল পি সি গ্রহণ। দীর্ঘদিন ধরে আজ দিব কাল দিব করে ঘুরাচ্ছিল। এরপর সার্ভিস বই সহ বিভিন্ন কাগজপত্রের নানা রকম সমস্যা দেখাচ্ছিল। এরপর বিরক্ত হয়ে ৩০০০ টাকা প্রদান করি। সে বলে এগুলো কাজ কি ৩০০০ টাকায় হয় আরো কিছু বাড়াই দেন। তাকে বলি ভাই এটা দিয়েই করেন পেনশনের আরো তো অনেক কাজ আছে পরে দেখা যাবে। এরপরে উনি পরের দিনই কাজটি করে দেয়।
জিপিএফ এর টাকা উত্তোলনের জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে ২% দিতে হয়েছে । আর এখানে বিন্দু পরিমাণ টাকা ছাড়া কোনো কাজ সম্ভব না,
Taka chara hobe na, onek niyom dekhay. Jhulay rakhe
সরকারি চাকুরিতে জয়েন করার পর পে ফিক্সেশনের কাজ করার সময় জন প্রতি ১০০০৳ দাবি করে এবং আদায়ও করেন। কিছুদিন আগে গিয়েছি জিপিএফ একাউন্ট ওপেন করতে আবার জন প্রতি ৫০০৳ দাবি করা হয় আমাদের হাতে টাকা না থাকায় তখন জন প্রতি ৪০০৳ করে নিয়েছে।
দুটি অনুমোদিত ইনক্রিমেন্ট শুধুমাত্র আইবাসে হালনাগাদ বাবদ দেওয়া টাকা।
আমার অফিসের বাজেট উত্তোলনের সময় এজি অফিস থেকে ৫% দাবি করা হয় যা আমি দিতে বাধ্য হই। তাছাড়া টিএডিএ বিল উত্তোলনের সময়ও প্রতিবার ৫% করে অর্থ দিতে আমাকে বাধ্য করা হয়। অডিট ক্যাডারদের কাছে জানানো হলে তারা বলেন এটা প্রেক্টিশ, তাদের কিছু করার নেই।
সরকারি সকল বিল তুলতে গেলে ৫-১০% ষুষ এবং সকল প্রজেক্টের অডিট টিমকে টাকা দিলে মেরে খাওয়া টাকা বৈধ হয়
সোনারগাঁ থেকে সদর এ বদলি হই সেপ্টেম্বর/২০২৫ এ, তখন থেকে বেতন বন্ধ। রুপগঞ্জ LPC করে জমা দিলেও নানান নাটকিয়তা শুরু করে। ৮ মাসের বেতন বকেয়া করে, দেই দিচ্ছি করে ঘুরাচ্ছিল। অবশেষে ১০,০০০৳ বিনিময়ে বেতন একসাথে ৮ মাসের ও নববর্ষের বোনাস পাই একসাথে।
ঘুস দেয়া ছাড়া এই এজি অফিসে টিএডিএ তুলা অসম্ভব। তাই বাধ্য হয়ে ঘুস দিয়েছি। সময়কাল ২০২৫-২০২৬ অর্থবছর।
দেশে ৮/১০ টা মিলিটারি ফার্ম এ গরুর খামারের জন্য উন্মুক্ত টেন্ডার এর মাধ্যেমে গো-খাদ্য সরবারাহের কাজ দেয়া হয় এবং কাজ শেষ করে সব রিসিভ ডকুমেন্ট নিয়ে মহাখালি প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তর এ বিল এর ব্যাংক চেক পাস করাতে মোট বিল এর 1 % ঘুশ দেয়া বাধ্যতামূলক। আমি ভুক্তভোগী, ব্যাবসায়ীক মুলধন ঝুলিয়ে রাখা & সিস্টেমের ভয় দেখিয়ে ঘুস দিতে বাদ্ধ্য করানো হয়। আমার মত অসংখ্য ব্যাবসায়ী তাদের প্রতারনার শীকার। অনেক কস্টে কাজ শেষ করতে পারলও কেউ লস ছাড়া লাভ করেতে পারে না এখানে, সব পকেট কেটে ছিনতাই করে নেয়া হয় এই DGDP ভবনে। সঠিক তদন্ত & ন্যায় বিচারের দাবি রইল.....আত্তার কস্টই অভিশাপ।
প্রতিটি বিলে ৩.৫%-৫% চাদা দাবী করে হিসাবরক্ষণ অফিস কর্মকর্তারা।অন্যথায় বিল উঠে না। এই চাঁদা পরিশোধ করে বিলের টাকা তুলতে হয়।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
চাকরীতে যোগদান এর পর বেতন চালু করতে ২০০০টাকা দাবী করে।অন্যথায় অর্থ বছর শেষ হয়ে গেলে বেতন না পাওয়ার ভয়ভীতি দেখানো হয়। ২০০০টাকা পরিশোধ করে বেতন চালু করি।
মিলিটারি ফার্ম এ প্রতি ৬ মাস /১ বসর পর পর গরুর খামার এর জন্য গো-খাদ্য সরবারাহের জন্য উন্মুক্ত টেন্ডার দেয়া হয়। এই গো খাদ্য সরবরাহ শেষ করে বিল/ব্যাংক চেক নিতে মহাখালী, DGDP অফিস এ মোট বিল এর ১% ঘুস দেয়া বাধ্যতামূলক। না হলে চেক পাস হয় না, এবং এই টাকা ক্যাশ / মোবাইল ব্যাংকিং, অনেক সময় অফিস সহকারী /পিওন এর মাধ্যমে দিতে হয়। আমি নতুন, এসব না বুঝে, একবার কাজ করে অনেক লস করে, তওবা করেছি। টাকার ভাগ উপর মহলে যায়, সবাই সব কিছু জানে।অনেক কস্টের হকের উপার্জন যখন অন্যায় ভাবে ছিনিয়ে নেয়, সিসটেম এর ভয় দেখিয়ে, তখন ছল ছল, অবাক, অপলক, নয়নে তাকিয়ে দেখি শুধুই নিজের বুকের রুক্তখরন, আর ভাবি এই দেশে জন্ম নেয়াই একটা বড় ভুল, যার মাসুল দিচ্ছে অগনিত দেশপ্রেমিক, ব্যাবসায়ী সহজোদ্ধা...আত্তার কস্টই অভিশাপ।
চাকুরীর প্রথম থেকে অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন হওয়া বেতন বৃদ্ধি মুলবেতনের সাথে যোগ করে মুলবেতন পুনর্নির্ধারণ ও বকেয়া বেতন পরিশোধ করা
এফসি (বিবিধ) এর অডিটর টিএ/ডিএ বিল করার জন্য ১৪% হারে ঘুষ দাবি করে।
টিএ বিল উত্তোলন থেকে শুরু করে নতুন পে ফিক্সেশন, জিপিএফ ফান্ড খুলতে গেলেই কমিশন দিতে হয়। এভাবে একেকটি খাতে ২০০০-৩০০০ টাকা অবশ্যই দিতে হবে। মানে টাকা ছাড়াই কোন কাজ নেই। তাছাড়া পেনশনে গেলে শুরুর এককালিন প্রাপ্য অর্থ থেকে আপনাকে অবশ্যই ৫% দিতেই হবে।
নতুন চকরিতে যোগদানের জন্য পে ফিক্সজিশন করার সময় জন প্রতি ২০০০টাকা