পেনশনের কাজের জন্য ট্রেজারি অফিস ও নির্বাচন অফিস ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

আমার বাবা মারা যাওয়ার পর আমার মা তাঁর পেনশন পেয়ে আসছেন। EFT চালুর পর NID-তে নামের অসামঞ্জস্যের কারণে তাঁর পেনশন বন্ধ হয়ে যায়। গাইবান্ধা ও রংপুর নির্বাচন অফিসে প্রায় তিন বছর হয়রানি ও ভোগান্তির পর NID-এর ভুল সংশোধন করা হয়। এরপর মায়ের পেনশনের ফাইল প্রক্রিয়া করতে সাদুল্লাপুর ট্রেজারি অফিসের কর্মকর্তারা ১৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে ঢাকার সেগুনবাগিচা কেন্দ্রীয় পেনশন অফিসে যোগাযোগ করলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কোনো টাকা ছাড়াই সমস্যার সমাধান করেন। এছাড়া সাদুল্লাপুর নির্বাচন অফিসে NID-এর কাগজপত্র জমা দিতেও ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি ও অবৈধ অর্থ আদায়ের এসব ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১৫,০০০
যে কাজের জন্য পেনশনের কাজের জন্য ট্রেজারি অফিস ও নির্বাচন অফিস
দপ্তর হিসাব রক্ষণ অফিস
বিভাগ রংপুর
থানা / উপজেলা সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা
রিপোর্টের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

হিসাব রক্ষণ অফিস

ভ্রমণ ভাতার বিল করতে

আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
হাটহাজারী, চট্টগ্রাম ৳৬০০
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

টিএডিএ

ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

বদলীজনিত কারনে LPC নেয়ার জন্য হয়েছে।

বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
শেরপুর ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য