বেতন বিল চালু করা
বেতন বিল চালু করতে টাকা লাগছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বেতন বিল চালু করতে টাকা লাগছে
আর্মিতে, সৈনিকের টিএ/ডিএ বিল পাশ করার জন্য ২০% ঘুষ দেওয়া লাগে। তা না হলে বিল আটকে থাকে।
অর্জিত ছুটি নিতে হিসাবরক্ষণ অফিসের প্রতিবেদন প্রয়োজন হয়। সেটা নিতে গেলে অডিটর ৫০০টাকা দাবি করে। এটা প্রদান করে উক্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়।
আমি একজন নতুন প্রবাসী। আমার ভিসা এবং অন্যান্য সকল কাগজপত্র ঠিক আছে। আগামী ২১শে সেপ্টেম্বর আমি সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা দেব। কিছুটা টাকার সমস্যা থাকায় আমি ফেনীর প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ঋণের (লোন) জন্য গিয়েছিলাম। ব্যাংক থেকে জানানো হয়—ঋণ পেতে হলে একজন ব্যবসায়ী জামিনদার ও তাঁর ট্রেড লাইসেন্সের মূল কপি দিতে হবে, এবং একজন সরকারি চাকরিজীবী জামিনদারের স্বাক্ষর করা ৩টি ফাঁকা (ব্ল্যাঙ্ক) চেকসহ তাঁর অফিসিয়াল আইডি কার্ডের কপি জমা দিতে হবে। আমি তখন বলি—'আমার তো এত কিছু নেই; তবে আমার পরিবারের জামিনদারের চেক এবং জমির দলিল দেওয়া যাবে।' কিন্তু তারা জানায়, এতে হবে না। এভাবে ৩ দিন ঘুরানোর পর, একদিন ব্যাংকের এক কর্মী আমাকে বলেন—'২০,০০০ টাকা ঘুষ দিলে ৪ লাখ টাকা লোন করিয়ে দেব, আর কোনো কাগজপত্র বা জামিনদারও---
আমার সরকারি চাকুরীর যোগদানপত্রে সংযুক্তিতে উল্লেখ থাকার কারণে তিনি "এলপিসি" রিসিভ করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। তারপর একজন অডিটর বললো যে টাকা না দিলে এলপিসি এপ্রুভ হবে না। তারপর দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করলে এলপিসি রিসিভ করা হয়।।।
To receive consultancy fee I was asked to pay bribe to the officer unless the cheque will not be cleared until the end of that financial year. I had to pay the bribe as there were no other option left for me as I could not get any support from the issuing government authority nor I didn’t have any information to reach out to the right government agency who could take action against it.
আইবাসে ভ্রমণের বিল সাবমিট করলে এজি অফিস ঘুষ গ্রহণ ছাড়া বিল অনুমোদন করে না। বিলের ৫% হারে টাকা নেই। এছাড়াও, অফিসের যেকোন কেনাকাটায় ৫% হারে ঘুষ দেওয়া লাগে। উল্লেখ্যে, নতুন বেতনবিল করার সময় অর্থাৎ, আইবাসে এন্ট্রি নেওয়ার সময় ২০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছিলো।
সরকারি অডিট দপ্তর একটি,সরকারি অফিসে অডিট আপত্তি না দেয়ার শর্তে ঘুষ চেয়েছে
চাকরীরত অবস্থায় মৃত্যু বরন করায় পেনশন ফাইল দাখিলের পর তারা এই টাকা দাবী করেন। নিরুপায় ও অসহায় হয়ে উক্ত টাকা দিয়ে কাজ ছাড়ানো হয়।
ট্রেনিং ভাতা ও অন্যান্য সম্মানী বিল পাশ করার জন্য প্রতি মাসেই চেয়েছে, আমরা দিয়েছি, অন্যথায় বিল পাশ করে নাই
বদলি হওয়ার কারণে আমি আমার পূর্বের কর্মস্থল থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করি, যোগদান করার পর আমার অ্যাকাউন্ট নতুন কর্মস্থলে ট্রান্সফার করা হয় তা ঠিক করতে, এবং ব্যাংক একাউন্ট পরিবর্তন করতে আমার কাছ থেকে নাস্তা পানির খরচ দাবি করা হয়, পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমি তা দিতে বাধ্য হই। আমার দৃষ্টিতে এটা সম্পূর্ণ চিহ্নিত কাজ।
উপজেলায় ৭০ জন নিয়োগ পেয়েছিলাম, সবাই একত্রে টাকা উঠিয়ে ২ জন প্রতিনিধির মাধ্যমে জন প্রতি ৪০০ টাকা করে ঘুষ দিয়েছি ( তারা বাধ্য করেছে দিতে, নইলে বেতন চালু হতে দেরি হইতো অনেক)
বিভিন্ন সময়ে সর্বসাকুল্যে সব টাকা কোম্পানিক প্রদানের জন্য সমস্ত ডকুমেন্ট প্রদান করলেও অডিটর, সুপার, অ্যাকাউন্ট অফিসার সবাই মিলে গড়ে পাঁচ থেকে দশ পার্সেন্ট করে টাকা দাবি করে। না দেয়ার কথা বললে তারা বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করে। এছাড়া এই ডকুমেন্ট ঠিক নেই ওই ডকুমেন্ট ঠিক নেই এগুলো বলে। পরে যদি টাকা দিয়ে দিই তাহলে তারা সব বিল পাস করে দেয়। কিন্তু তারা বলে বাংলাদেশের কন্ট্রোলার ও অডিটর জেনারেল অফিসের যারা আছে তারা তাদের কাছ থেকে একটা পার্সেন্টেজ নেই, তাই তারা শুধু একা ঘুষ খায় সে বিষয়টি ওরকম নয় বরং সবাই এর ভাগ পায় তা না হলে কিভাবে তারা সকলে ঢাকা শহরে বাড়ি করে গাড়ি করে। এই ঘুষ বন্ধ করতে হলে সবাইকে ঢাকা শহরে যে কয়টি ফ্লাট আছে প্রত্যেকের আয়ের উৎস খুঁজে বের করলে তখন একমাত্র সম্ভব হবে।
pension er jonni ghus cheye chilo
পেনশনার এর চেক পাস করার জন্য। 10 হাজার দিতে হবে ,না হলে কাজ হবে না । বাধ্যতামুলক পরিশোধ করিতে হইয়াছে।
৫% দিতে হবে সকল বিলে নাহয় বিল পাশ হবে না
টাকা না দেওয়া পেনশন আটকে রেখেছিল, টাকা পেয়ে, আমার কাজ করে দিয়েছে
আমার নিজের টি এ বিল করতেই এত টাকা দিতে হিইছে
বেতন কাঠামো সঠিক করন
কম্পিউটার মেরামত বাবদ ৬০০০ টাকার বিল পাস করতে ৩০০০ টাকা দাবী করা হয়।