নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার মায়ের পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে চাইলে হিসাবরক্ষণ অফিস ২০০০০/- ঘুষ দাবি করে। পরে ১৫০০০/- দিয়ে ফাইল অনুমোদন করেছে।
বাবার পেনশন উঠানোর জন্য উপজেলা একাউন্টস অফিসে যায়। সেখানে তারা এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। অনেকদিন দেনদরবার করে ৫০ হাজার টাকা দেই।
নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করি আমরা ৪০+ জন, তাদের বেতন রানিং হওয়ার জন্য প্রত্যেক এর কাছে থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয় শিক্ষা অফিসের এক কর্মচারির মাধ্যমে। তারা এই টাকা একাউন্ট অফিস ও শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা ভাগ করে নেয়।
আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে ২০২৬ সালের ১ জুলাই অবসরের গমন করি আমার এলপিআর এবং পেনশন প্রদানের জন্য আমার নিকট হতে ৫০০০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে আমি তা পরিশোধ করি।
আমি একজন সেনা সদস্য, বৈদেশিক মিশনের টাকা পেতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এয়ার হেডকোয়ার্টার পে ১ কে টাকা দিতে হয়েছিল, রিটায়ার্ড টাকা পেতে খুলনায় আমার সেন্টারের সে ১ কে টাকা দিতে হয়েছিল দুই জায়গা মিলে ১ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছিল, এবং আমার মতো সকল সেনাবাহিনী সদস্য অবশ্যই টাকা দিতে বাধ্য
আমার বাবার চাকরির পেনশনের টাকা উপজেলা একাউন্স অফিসার 10% দাবী করে পাশাপাশি রাউন্ড ফিগারের বেশি 42000 হাজার টাকাও রেখে দেয়।
আমি সমস্ত ডকুমেন্টস জমা দেবার পর। হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার সাথে দেখা করি। তাঁর পাশে দুইজন বসে ছিলেন তারা অডিটর। টাকা ছাড়া একাজ হয় না। টাকা ছাড়া করতে গেলে ফাইল বা ফাইলের কাগজ হাওয়া হয়ে যায়। আমি হয়রানি থেকে বাঁচার জন্য সম্প্রতি অবসর নেওয়া কয়েক জনের সাথে কথা বলে দেখেছি তাদের কাছ থেকে( তার আমার সহকর্মী শিক্ষক)এই কাজে ১০০০০/থেকে ২৫০০০/ টাকা ঘুষ নিয়েছে। তাই সরাসরি অফিসারকে বলি স্যার কত দিতে হবে। অফিসার তার সহকর্মী অডিটর দের বললেন, আপনারা বলেন, এ কাজে কত টাকা নেই। তারা বললেন আপনার টাকার পরিমান কত? আমি বললাম ৩২ লাখ। তারা বললেন,স্যার এ কাজে লাখে ১ হাজার নেন। আপনার সেই হিসাবে ৩২ হাজার হয়, ঠিক আছে আপনি ৩০ হাজার দিয়েন।
মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক অফিস(এজি অফিস)সেগুনবাগিচা ঢাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ধীন পুলিশ সদস্যদের ডিএমপি টু বহি রেঞ্জ /বহি মেট্রো বদলী হয়,তেমনিভাবে ঐখান থেকে আবার ডিএমপিতে পোস্টিং হয় অনেকের।এসবি,সিআইডি বলতে গেলে পুলিশের যত বদলী হয় তখন এলপিসি সঠিক সময়ে পাঠানো হয় না,তারা আটকে রাখে।বেতন ৩-৪ মাস চলে যায় বেতন বন্ধ থাকে।কারণ এলপিসি কাজ করে না এজি অফিসে।এটা শুধু সেগুনবাগিচা না প্রত্যেকটা জেলায়ও এমন হয়।পুলিশের বদলী হলে তারা এলপিসি এক জায়গা থেকে বদলীর জায়গায় পাঠায় না,যতক্ষণ পর্যন্ত এজি অফিসকে ঘুষ না দেওয়া হয়।ঘুষ না দিলে বেতনও বন্ধ। এলপিসি কাজ শেষ না হলে বেতন হবে না।এই কারণে প্রত্যেক পুলিশ সদস্য ওদেরকে ১০০০-১৫০০০ ঘুষ দিয়ে এলপিসি কাজ করায়।আবার জিপিএফ হিসাব আনতে কিংবা পেইজ ভলিয়ম নাম্বার বসাতে গেলেও ঘুষ দিতে হয়।
সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় হিসাবরক্ষণ অফিসে।বৈধ বেতন, পেনশন, ইনক্রিমেন্ট চালু সহ ভ্রমণ বিলের জন্য টাকা। পে ফিক্সেশন এর জন্য টাকা, বেতন চালুকরণ, বকেয়া বিল,ভ্রমণ বিল,পেনশনের জন্য টাকা নেয় উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার, হাতিয়া। টাকা না দিলে দুর্ব্যবহার করেন।ফাইল ছুড়ে মারেন।সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী জিম্মি এই লোকের কাছে। এর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার
ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এফসি-বিবিধ অফিসে বেতন পাশ করানোর জন্য টাকা দিতে হয়েছে।
বদলি হয়ে আসার পর আইবাস ++ একাউন্ট চালু করা, বদলি কৃত স্থানে বেতন কার্যক্রম চালু করার জন্য জেলা হিসাব রক্ষন অফিসে এর অডিটর কাজ করার নামে ঘুষ চাইছে এবং ৯ মাস বেতন আটকিয়ে রাখছে,পরে নিজেরা সকল কাজ ঢাকা থেকে করে আনলে ও বিশ হাজার টাকা দাবি করে পরে ১০ হাজার টাকা দিয়ে বেতন চালু করতে হয়।
বাবার পেনশনের ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট অফিস ২লাখ দাবি করেছিল। আমরা খুব ক্রাইসিসে ছিলাম। পরে ধার দেনা করে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় ম্যানেজ করতে পেরেছিলাম।
টাকা না দেওয়া পর্যন্ত কাজে হাত দিতে চায় না। এছাড়াও পরবর্তীতে কোনো বিল বা অন্যান্য কাজ করাতে প্রথমেই টাকা চেয়ে বসে। ৫% তাদের দিতেই হয় এখানে।
এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় বদলী হওয়াতে শেষ বেতনের প্রত্যয়নপত্র বা এলপিসি নিতে ও নতুন কর্মস্থলে জমা দিতে এই অর্থ দিতে হয়েছে।
এফসি বিবিধ, ঢাকা সেনানিবাস হতে টিএ ডিএ, চিত্তবিনোদন, বিভিন্ন বকেয়া দাবী, পেনশন, জিপিএফ, জিপিএফ চুড়ান্ত টাকা দাবী, ছুটির নগদায়ন, উচ্চতর গ্রেড, নতুন নিয়োগের বিল, পারিবারিক পেনশন ইত্যাদির বিল দাবী করা হলে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করা যায় না যদিও করে দেয় তাহলে কোন বিল পাঠালে এখানে ভূল ওখানে ভূল এরুপ করে মাসের পর মাস লেগে যায় বিল হাতে আসতে।।। মোট কথা টাকার অংক বড় হউক আর ছোট হউক ঘুষ ছাড়া ফাইল আসবে না।৷ ধন্যবাদ
আমার বাবার পেনশনের টাকা ছিল। একটি সমস্যা বাহির করে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা কর্তন যাবে বলে আমাদের জানায় এবং টোটাল কর্তনের অর্ধেক ঘুষ দাবি করে। পরবর্তীতে ৫ লক্ষ টাকায় চুক্তি হয় এবং অন্যান্য টাকা তুলতে গিয়ে সর্বমোট প্রায় ৫.৫ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে।
প্রকল্পের ১ম কিস্তি অর্থছাড় করার জন্য প্রয়োজনীয় কাজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট সফটওয়ারে পোস্টিং শেষ করে জমা দিই । ঢাকায় অবস্থিত পরিবহন সেকটরের সাথে জড়িত ১টি মন্ত্রনালয়ের চিপ অ্যাকাউন্ট এন্ড ফিণ্যান্স অফিসারের কার্যালয়ের প্রতিনিধি আমার দপ্তরের অর্থছাড়ের সাথে জড়িত ও তাদের পূর্বপরিচিত কর্মকর্তার সাথে যোগসাজস করে মোট ছাড়কৃত অর্থের ১% অথবা সর্বনিম্ন ১৫০০০/= টাকা কিস্তি প্রতি( বছরে মোট ৪ কিস্তি) দাবি করে ও আমার আবেদনট কাল বিলম্ব করে ধরে রাখে । আমি জানি তাদের দাবি পুরন না করলে( যা অন্যান্য অগ্রগতি সম্পন্ন প্রকল্পের পিডিরা দিতে বাধ্য হয় হয়রানি এড়ানোর জন্য) আমার আবেদনে অসংগতি রয়েছে এটি বলে তারা অর্থছাড় নাও করতে পারে । আমার প্রকল্পের অগ্রগতি শুরু না হওয়ায় তাদের দাবি প্রত্যাখান করি যা এখনো পেন্ডিং
Taka chara kaj kore na
চাকরির শুরুতে পে ফিক্সেশন করতে হয় হিসাবরক্ষণ অফিসে। এইজন্য টাকা দিতে বাধ্য করা হয় প্রক্রিয়া বিলম্বন করে।
আমরা এক শ ১৪৮ জন বন্ধুরা ৩১ বছর বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সরকারি চাকরি শেষে পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে, বিমান বাহিনী ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার অফিসে ঘুষ দিতে হয়েছে