রেলওয়ে কর্মচারীগণের কাছ থেকে জোর পুর্বক ঘুষ গ্রহণ করে।
রেওয়ের হিসাব রক্ষণ অফিস যেকোন কাজে ৩% হারে ঘুস নিয়ে থাকে, তা ছাড়া কারো কোন কাজ করতে চাইনা ওই অফিস।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রেওয়ের হিসাব রক্ষণ অফিস যেকোন কাজে ৩% হারে ঘুস নিয়ে থাকে, তা ছাড়া কারো কোন কাজ করতে চাইনা ওই অফিস।
নতুন বেতনের পে ফিক্সেসন করতে গেলে এবং টিএ/ডিএ করতে গেলে
Went for pay Fixation, The auditor in question demanded some honorarium for the task. I paid 500 BDT.
কার্যক্রম করতে গেলেই আমাদের কাছে টাকা চাই টাকা না দিবে কার্যক্রম স্থগিত করে রাখে
প্রতিবার কাজ করাতে গেলেই টাকা দাবী করে টাকা না দিলে কাজ স্থগিত রেখে দেয়
সরকারি কর্মকর্তারা অর্জিত ছুটি নিতে হলে হিসাব রক্ষণ অফিস থেকে ছুটির প্রাপ্যতা নিতে হয় (যার ১টি নির্দিষ্ট ফরম আছে) । এ প্রাপ্যতা নিতে হলে হিসাব রক্ষণ অফিসের অডিটররা স্বভাবগত ভাবেই কিছু ঘুষের দাবী করে। সরকারি কর্মকর্তা হয়েও এ ব্যপারে মানসিক যন্ত্রণায় আছি। যারা ঘুষখোর কর্মকর্তা তাদের কাছে এটা কোন ব্যাপারই না। চট্টগ্রাম ২নং গেটের পাশে হিসাব রক্ষণ অফিসে ছুটির প্রাপ্যতা নিতে ফরম পূরন করে পাঠিয়েছি আজকে এক মাসের বশি হয়েছে কিন্তু ৫০০ টাকার জন্য ছাড়ছে না। তার জন্য আমার ভাতাসহ শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রায় ১ মাস পিছিয়ে যাচ্ছে। এতে আমি আর্থিক ও মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। অথছ আইবাসে ছুটি হিসাবের ১টি আইকন আছে, এতে ইনফর্মেশন দিয়ে রাখলে এ ফরমেরই দরকার ছিল না। কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
They claimed 20% Ghus of total bill to approved my TADA bill
বকেয়া মোট ওভার টাইম হতে ৫% কর্তন। জন প্রতি প্রায় ১০০০/- টাকা করে কাটা। আনুমানিক ৩০/৩৫ জন কর্মচারীর টাকা। আনুমানিক ৫০,০০০/- টাকা কেটে রেখে দিয়েছে।
তারা bmet মেন পাওয়ার কিছু ভুয়া ভিসা সমস্যার কারণে বন্ধ করে দেয়, ভুয়া ভিসা কিভাবে তারা পারমিশন দিতে পারে? হয়তো তারা এসব যাচাই বাছাই করতেই জানেনা! যদি তারা তা নাই পারে তাহলে এই ডিপার্টমেন্ট খুলে রাখার মনে কি? পৃথিবীর কোথাও এই আজাইরা মেন পাওয়ার নামক কিছু নাই, আর এখন তারা টাকার বিনিময়ে তা করে দিচ্ছে যা অনলাইনে দেখাচ্ছেনা গত ১ মাসে অনলাইন এ শুধু ১ টি পারমিট দেয়া হয়,, আর তারা ইমিগ্রেশন কন্ট্রাক্ট করে ১ লাখ থেকে বেশি টাকা দাবি করছে , কারণ মানুষ নিরুপায় নাহলে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে
যে কোন ধরণের বিল সামমিট করতে 500 টাকা থেকে শুরু করে বযড় ধরণের টাকা দিতে হয়। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত বিল পাওয়া যায় না।
আমাকে বলা হয় আপনার হিসাবটি IBAS++ দিতে হবে কিন্তু আমি অন্য একটি চাকরি নেওয়ার কারনে IBS++এর একাউন্টটি কর্তন করি যার ফলে আমাকে বলা হয় আপনার বকেয়া টাকা নিতে হলে ঢাকা থেকে কাজ করে তারপর টাকা নিতে হবে আর ৩০০০০টাকা দিলে আমরা করে দিব বাদ্য হয়ে ১৫০০০টাকা পরিশোধ করি চাওয়ার তারিখ ২৩/০৯/২০২৬আজকে ২৪/০৯/২০২৬ তারিখে দিতে হবে
বিমান বাহিনী সদস্যদের বেতনের সর্বনিম্ন ব্যাসিকের ৫% ভবিষ্যৎ তহবিলে রাখতে হয়। এবং তা প্রতি মাসে বেতনের সময় কেটে নেয়া হয়। এই টাকা এককালীন চাকর থেকে অবসরের সময় পরিশোধ করা হয়। এই টাকার হিসাব সিনিয়র অর্থ নিয়ন্ত্রক ( বিমানবাহিনী) কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। যা প্রতিমাসে তাদের আপডেট করার কথা। কিন্তু তারা স্বচ্ছায় করেনা। আপনার টাকা আপনি যখন জানতে চাইবেন আপনার ভবিষ্যৎ তহবিলে কত টাকা জমা হল এবং তা আইবাস++ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য তখন তারা কাছ থেকে যেমন খুশি কারো কাছ থেকে ৫০০ কিংবা এক হাজার টাকা আদায় করে থাকে। যদিও যারা ঘুষ দিচ্ছে তারাও সামরিক বাহিনীর সদস্য কিন্তু নিরুপায় হয়ে তাদের কাছে ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য থাকে। সেই টাকা থেকে লোন অথবা অবসর গ্রহণের সময় তাদেরকে দিতে হয় তাছাড়া অনেক ভোগান্তির শিকা
যে কোনো বিল ফেলে রাখে, যারা টাকা দেই তাদের বিল পাশ করে, নাহলে ফেলে রাখে, সরকারী দালালদের মাধ্যমে টাকা দিলে পাশ করে, ঘুষ যেন তাদের মৌলিক অধিকার. যে কোন বিল এ 5% ঘুষ দিতে হয়, নাহলে বাতিল করে তালবাহানা করে
৫০০০ টাকা নেওয়ার পরে কাজ করে দিয়েছে । ( শিক্ষা অফিসের কেরানি)
Akta file khujar jonno 1100 tk niyecelo.
আমার বাবা রিটায়ার করবে, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের অধিনে চাকরি করেছে৷ এখন পেনশনে যাবে৷ তাই কাগজ পত্র রেডি করছে অফিস থেকে৷ কিন্তু তারা পদে পদে টাকা চাচ্ছে৷ একটা প্রত্যায়ন পত্র করতেও তারা ২ হাজার টাকা চেয়েছে, আমি না পেরে ১৫০০ টাকা দিয়েছি৷ তারপরও মানতে চায় না এটা ঘটেছে ময়মনসিংহ টাওনহল টেলিযোগাযোগের অফিসে৷ নাম বলা নিষেধ তাই বললাম না
সাভার এজি অফিসে কোন সেবা নিতে গেলে দুই হাজার টাকার নিচে করে না,
সরকারি চাকরিতে ১০ বছর হলে (পে স্কেলের আগে), এক ধাপ উচ্চতর গ্রেডে বেতন পাবে, এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে থাকে, কিন্তু আমাদেরকে জনপ্রতি ১০০০ টাকা করে দিতে হয়, আমরা জটিলতার জন্য প্রথমে ৫০০ দিয়েছি, পরে আবার ১০০০ টাকা করে দিতে হবে। টাকা না দিলে ফিক্সিশন করে না এবং বেতন বৃদ্ধিও করে না, এমন অবস্থা প্রতিটি ক্ষেত্রে, যেমন যদি আমি আমার গ্রাচুয়িটি ফান্ড থেকে লোন নেই সেখানেও লোন নিতে ঘুষ দিতে হয়। অভিযোগ এসএফসি নৌ এর বিরুদ্ধে।
আমার বাবার অনবসর জনিত কারনে (ই এল পি সি) সংগ্রহের আবেদন করলে হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর ১১০০০ টাকা দাবি করেন, বাধ্য হয়ে আমি তা প্রদান করি। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অবসরভাতা ও পেনশন মঞ্জুর হলে একই ব্যাক্তি এককালীন অবসরভাতার বিল করিয়ে দেয়ার জন্য প্রতি লাখে ১ হাজার টাকা দাবি করেন। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই ২১ লাখ টাকার বিপরীতে ২১০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি। এবং তার এক দিন পরেই বিল হায়ে পেয়েছি।
জিপিএফ ফান্ডের হিসাব বিবরনী আপডেট এবং বিবরনী অনলাইনে দেখানোর জন্য যোগাযোগ করা হলে তারা ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। ১০০০ টাকা পরিশোধ করার পর সবকিছু অনলাইনে দেখতে পারি এখন। পরিউল্লেখ্য অফিস্টি একটি সামরিক বাহিনীর সদরদপ্তরের পাশেই।