17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হজে যাওয়ার জন্য ছুটি পাস বাবদ দশ হাজার টাকা। পি এফ এনং পেনশন বাবদ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করেছি।
To activate bill submission in my BCS job, I have to pay 1000 at the Upazila accounts office.
হিসাবরক্ষণ অফিসের নামে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ক্রান্তি বিনোদন ভাতা বাবদ ২০০ করে টাকা নেয়া হচ্ছে । তারা বলছে এটি এজি অফিসে লাগবে ।
যেকোনো চাকরিজীবীর হিসাব রক্ষন অফিসে গেলে টাকা লাগে
আমি নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক অফিসে, অফিস সহকারী হিসেবে রিটেন পরিক্ষা দেই এবং পরিক্ষায় উর্ত্তীণ হই। তখন আমার মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল। কিন্তূ ১৩,০০,০০০ টাকার বিনিময়ে অন্য কাউকে চাকরিটা দিয়ে দেন।
SFC, বাংলাদেশ নেভিতে যারা সরবরাহের কাজ করেন, তাদের বিল প্রদান করেন। SFC, মিরপুর-১৪ অবস্থিত। বিল নিতে হলে বিল একাউন্ট এর উপর ১% হারে টাকা দিতে হয়, যারা বিল প্রসেস করবে। আর চেক এর জন্য মহিলাকে প্রতি লাখে ২০০/ টাকা দিতে হয়।
পোস্ট অফিস থেকে টাকা তুলতে হয়রানি । তাদের টাকা দিতে অস্বীকার করলে বিভিন্ন অজুহাতে সময় খেপন করে এবং পরবর্তীতে তাদের আবদার পুরুন করে টাকা তুলতে সক্ষম হই।
চিফ একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসারের কার্যালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, হিসাব ভবন সেগুনবাগিচা মায়ের পেনশন ভেরিফিকেশনের জন্য গেলে সে বলে আপনার বাবার পেনশন যেহেতু আপনার মা পায় কিন্তু আপনার বাবার তথ্য আর আগের কোন তথ্য তাদের সার্ভারে নেই সার্ভার আপডেট করতে হবে কাজেই আমার মা এখন থেকে আর পেনশন পাবে না আপডেট না করলে। তাই সে কয়েক হাজার টাকা দাবি করে। আমার পকেটে ১৫০০ টাকা ছিল। আমি তাকে চিন্তা-ভাবনা করে আপডেট করার কথা বলি সে বলে আজকে না হলে আর হবে না আর টাকা এখনই দিতে হবে রুমে কেউ ছিলনা পরে সে কেউ এসে পড়বে বলে আমার পকেটে থাকা 1500 টাকায নিয়ে নেয়।
আমার জিপিএ ফান্ডের স্টেট তারা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করেছে তা কারেকশনের জন্য গেলে টাকা ছাড়া কারেকশন করেন না আমি ইতিমধ্য জানলাম এখানে যারা যায় টাকা ছাড়া কাজ করতে পারে না তাই আমিও আমারটা ঠিক করতে টাকা দিতে বাধ্য হলাম পে ফিক্সেশন করতে হলো ও সেটা প্রমোশন জনিত হোক যেকোনো কারণে হোক তাদেরকে টাকা দিতে হবে এটা সিনিয়র ফিন্যান্স কন্ট্রোলার থেকে নিয়ন্ত্রণ করে তারা যতগুলো শর্ত দিয়েছিল আমি পূরণ করেছিলাম ডকুমেন্টারি থেকে তারপর আমি টাকা ছাড়া ফলাফল পাইনি টাকা দিয়েছি কাজ হয়ে গেছে উইদাউট ডকুমেন্টস
পে ফিক্সেশন করতে গেলে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা জনপ্রতি ১০০০ টাকা করে দাবী করে। মোট ১১ জন ছিলাম আমরা, প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে।
আমি ঢাকা এমইএস ট্রেনিং সেল কোর্স করি কোর্সের বিল পাস করার জন্য এসএফসি অফিস ঢাকা আমার কাছ থেকে ১৪০০০/- টাকা নিয়েছে। না দিলে বলে কি আপনাদের এই কোর্স বন্ধ হয়ে গেছে টাকা পাবেন না
আমার বাবা একটা সরকারি প্রতিষ্ঠানের জব করে। উনি মারা গিয়েছিল 2022 সালে। এরপরে উনার কলিগ রাই আমাদের কাছে পেনশনের কাজ কমপ্লিট করে দেওয়ার জন্য ঘুষ চেয়েছিল ২০ হাজার টাকা। কিন্তু হুট করে একদিন সকালবেলা ফোন দিয়ে বলে এখনই আরো দশ হাজার টাকা দিতে হবে। কিন্তু অফিসের বাহিরে। আমি বুঝে গিয়েছি এটা আরো নিজে একা খাওয়ার জন্য চাইছে। কিন্তু উপায়ান্তর না পেয়ে আমার দিতে হয়েছে। উল্টো আরো একদিন তাকে মেইন অফিসে যেখানে পেনশন ক্লিয়ার করে সেখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য এক হাজার টাকা দিয়েছি। টোটাল ৩১ হাজার টাকা। কিন্তু মেইন অফিসে যখন গিয়েছি। তখন মেইন অফিসার বলেছিল আপনাদের কোন ঘুষ দিতে হয়নি তো? অথচ যে ছিল আমাদের সাথে, সে আমাকে আগে বলে রেখেছিল যে। এখানে সবাই নিচে নিচে খায় কিন্তু উপরে দেখাবে কেউই ঘুষ নেয় না।
২০ দিন ফেলে রেখে ঘুষ চায়
প্রথম সরকার চাকরি ছিলো। পে ফিক্সেশন করার করার পর হিসাব রক্ষন অফিস থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে স্যালারি ওপেন করার জন্য। শেষমেশ ফিক্সেশনে র ৩ মাস ১৫০০ টাকায় বেতন একাউন্টে ডুকে। এতদিন টাকা দেওয়া হয়নি বলে কাজ হয়নি। Gpf একাউন্ট এপ্রোভ করার জন্য ৫০০ টাকা করে চায় পরে। ২০০ টাকায় মেনে নেয়। বদলির জন্য LPC আনতে গেলে ২০০০। আবার lpc রিসিভ করার জন্য ৫০০ টাকা।।
মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিস (এমইএস) এর সারা বাংলাদেশের প্রত্যেক কর্মকর্তা/কর্মচারীর কাছ থেকে বেতন সংক্রান্ত বকেয়া, টিএডিএ, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড, বৈদেশিক মিশন সংক্রান্ত ভাতা ও অন্যান্য বিষয়ে তাদেরকে অবধারিতভাবে তাদের কর্তৃক নির্ধারিত ঘুষের টাকা বা চাদা দিতেই হয়। অথচ এই শাখাটি ঢাকা সেনানিবাসের অতি গুরুত্বপূর্ণ এরিয়া লগ অফিসে অবস্থিত। কোন আর্মি অফিসারদেরও তারা গুনেনা
আমি একটি সরকারি অফিস থেকে এখানে বদলি হয়ে এসে বেতন চালু করতে বিরল উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস স্টাফরা ৫ হাজার টাকা দাবি করে। শুরুতে প্রত্যাখান করলেও ২ মাস ঘোরার পর বাধ্য হয়ে ৩ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
যে কোন সরকারী সেবা সংক্রান্ত বিলে ৫% হতে 15% হারে, নিয়্মিত ( অর্থাৎ অলিখিত নিয়ম) পরিশোধ করতে হয়। অন্যথায় বিল পাস করন না। বিল ফেরত দেয় ,নানাভাবে হয়রানি। সরকারী টাকা ৫০% ও খরচ করা যায় না। বিভিন্ন জনকে খুশি রাখতে হয়।
আমার কম্পানি বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানে এ কাজ করে। বিষয় হল যখন বিল ছাড়ান হয় তখন সকল অফিস যেখানে যেখানে আমি কাজ করি AG খরচ হিসাবে ১ থেকে ২ % পর্যন্ত টাকা নিয়ে থাকে এটা সব কম্পানির সাথে হয়। ধরুন যদি ৩ বা ৫ কোটি টাকার বিল ছাড়ান হয় তাহলে বুজতে পারছে কি বিশাল একটা ammount হয়ে যায়। আমি যে যে অফিসে কাজ করি সব প্রতিষ্ঠানই একই সিস্টেমে চলে। সবাইকে আমাদের এই ১ বা ২% টাকা দিয়েই বিল ছাড়াতে হয়।
আমি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্য। পেনশনের টাকা পেতে তাদের ১৫০০০ দিয়েছি। সময়কাল ছিল মে -জুলাই ২০২৪ সাল
আমার চার বছরের সরকারি বেতনের বকেয়া টাকার বিলকরে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে তুলতে গেলে তারা নানা তালবাহানা শুরুকরে।পরে সরাসরি বলে যে ঘুষ না দিলে টাকা তুলা যাবেনা এবং ৪০০০০দাবি করে।পরে বাধ্য হয়ে ২৭৫০০ টাকা দিয়ে বকেয়া বেতন উত্তোলন করি।