17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বেতন চালু করতে হলে টাকা দিতে হবে । না দিলে বেতন চালু করতে দেরি হবে। পরবর্তীতে অন্য কারো মাধ্যমে টাকা দাবি করলে পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
যে কোন দপ্তরের বিলের বিপরীতে ৫% কমিন দিতে হয় অডিটর কে
Amra prai 140 jon chilam...new job...dc office e payfixation er kaj er jonno per head prai 500tk kore nicilo.. Jdio Amra nijerai online e pay fixation paperfill up korecilam...tara baki kaj korecilo...plus amader koyekjon o tader help korecilo baki kaj korte...tbuo etto tk nilo...sobay dibe baddho...karon noitoh salary aro derite pawa jabe ejonno
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে আমি আমার চাকরির বেতন করার জন জেলা একাউন্টস অফিসে যাই।যাওয়ার পর বিস্তারিত শোনার পর সেখানকার অডিটর আমার কাছে সার্ভিস বুক চেয়ে নিলেন এবং ১০০০ টাকা এনেছি কি না জিজ্ঞেস করলেন? আমি জানতাম না,বেতন পাওয়ার জন্যও টাকা ঘুষ দিতে হয়। পরে সেখান থেকে বের হয়ে পরিচিত কলিগদের জিজ্ঞেস করে জানতে পারি ১০০০টাকা না দিলে আমি সারাজীবনে ও বেতন তুলতে পারবো না। কি আর করার অগত্যা ১০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আইবাসে বেতন করলাম। জেলা একাউন্টস অফিস, জামালপুর।
আমি সরকারি কাজে ময়মনসিংহ যাই তার পরিপ্রেক্ষিতে টিএডিএ করতে যাই হিসাবরক্ষণ অফিসে সে সময় দায়িত্বরত অডিটর টাকা না দিয়ে টিএডিএ পাস করতে অস্বীকৃতি যানায় তাই 200 টাকা ঘুস দিতে বাধ্য হই।
আমার বাবার পেনশনের টাকা উঠানোর জন্য অনেক দপ্তরে দপ্তরে যেতে হয়েছে টাকাও দিতে হয়েছে, আমার বাবা বন বিভাগে চাকরি করতো এই টাকার জন্য বন বিভাগের অফিসে বন বিভাগে এজি অফিসে সব জায়গায় টাকা দিতে হয়েছে, নগদ এক লক্ষ টাকার উপরে দেওয়া হয়েছে,
ট্রেজারি অফিস রংপুর আগাগোড়া পিয়ন থেকে অফিসার পর্যন্ত সবাই পয়সা খায়, টাকা না পেলে কোন বিদেশ সাইন করে না, তাদের প্রত্যেকটা বিলের একটা পারসেন্টেন্স থাকে তারা বলে বিল আসে, বাজেট আসে নাই, বাজেট আসছে এন্ট্রি দেয়নি, টাকা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে এন্টি হয়, দিনের বিল দিলেই পাওয়া যায়, টাকা না দিলে ৫ দিন ৭ দিন ১৫ দিন লাগে,
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কয়েক হাজার অসামরিক কর্মকর্তা/কর্মচারী চাকুরী করে। চাকুরীতে নুতন যোগদান করলে বেতন, চিত্তবিনোদন ছুটি, উচ্চতর গ্রেড, টিএ/ডিএ বিল, পদোন্নতির ফিক্সেশন, মিশনের বিল, জিপি ফান্ড হতে টাকা উত্তোলন, এমনকি কোন পেনশনে গেলে ছুটির টাকা এবং পেনশন কেইস পাশ করানোর জন্যও বিভিন্ন অঙ্কের টাকা এফসি (বিবিধ) অফিসে অডিটর/সুপার/ডিএএফসিকে ঘুষ প্রদান করতে হয়। ঘুষ প্রদান না করলে তারা বিল পাশ করে না। যতদিন ঘুষ/স্পীড মানি/উৎকোচ তাদেরকে প্রদান না করা হয় ততদিন বিল ফেলে রাখে। অনেক সময় ঘুষ তারা সরাসরি নেয় আবার অনেক সময় দালালের মাধ্যমে নেয়। ঘুষের অঙ্কটা নির্ভর করে কিসের বিল/কত টাকার বিল তার উপর।
চাকরিরত অবস্থায় সরকারি চাকরিজীবী মারা গেলে যে যে ধাপে টাকা উঠাতে হয় সব জায়গায় দশ বিশ হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয়েছে এভাবে ১ লাখ টাকা গেছে। এখনো কল্যান তহবিলে দুই লাখ টাকা পায়নি
আর্মিতে ছিলাম,,,, পেনশনের সময় দিয়েছি। ঘুষ না দিলে পেনশন কম পাওয়া যাবে এবং সময় লাগবে। ১০০% দিতেই হবে। তাই আমি দিতে বাধ্য হয়েছি। এবং এক দু মাসের মধ্যে পেয়ে গেছি।
আমার সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর মূল সার্টিফিকেটের সাথে ভোটার আইডি কার্ডের নামের বানানে ভুল ছিল। তারপর আমার আইডি কার্ড সংশোধন করতে তিন মাস সময় যায়। তিন মাসের মধ্যে আমার বেতন স্থগিত করে। এমন সময় আমার স্কুলে যাওয়ার যাতায়াতের ভাড়া ও পকেটে ছিল না। তারা আমার কাছে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, তখন নিরুপায় হয়ে দুই হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে। প্রথম বেতন বিল করতে হয়েছিল।
আমি পুলিশ হেডকোয়ার্টারে কর্মরত থাকাকালীন অফিসের প্রধান সরকারি উন্নয়ন বাজেট টাকা আত্মসাৎ করত অডিটরদের ১০% বা তাদের মোট যে অনুযায়ী স্যাটেল করত বিভিন্ন কিছু কেনা রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ ১ হাজার কোটি টাকার উপরে বরাদ্দ আসে প্রায় দুই থেকে তিনশো কোটি টাকা তাদের পেটে যায়,, আর্মিতেও একই অবস্থা সকল বাহিনীতে বাহিনী প্রধানের এভাবে দুর্নীতি করে ,, সচিরা আরো বড় ধরনের দুর্নীতিবাজ একইভাবে তারা দুর্নীতি করে,, দিনশেষে কোটি টাকা লুটপাট করছে আমলারা,, দুদক আরো বড় দুর্নীতির জায়গা
আমি প্রথমে দেয়নি। কিন্তু আমার অন্য সহকর্মীদের ফিক্সেশন হয়ে যায় । এর মধ্যে তিন মাস পার হয়ে যায়। পরে বাধ্য হয়ে ২০,০০০ টাকা দিয়ে ফিক্সেশন করে নিয়।
আব্বার মৃত্যুর পরে তার পেনশনের কাগজ রেডি করার জন্য গেলে অনেক ঘুরা ঘুরির পরে পিওন টাকা দাবি করে বলে স্যারদের দিলেই কাজ করবে । তখন আমার কোন চাকরি ছিলনা খাবার মত তেমন বেশি টাকা পয়সা ছিল না । এক কথায় তারাতাড়ি পেনশন পাবার জন্য অসহায়ের মত দেই ।
সরকারি চাকরি হলে, বেতন চালু করার জন্য ঘুষ দিতে হয়েছিলো।
সরকারি চাকুরীতে এটি খুব কমন বিষয় যে কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী এক কর্মস্থল থেকে আরেক কর্মস্থলে বদলী হলে LPC( Last pay certificate) নিতে হয় সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে।। এটি আবার বদলীকৃত জেলা/উপজেলায় জমা দিতে হয়। দুটো কাজেরই বর্তমান রেট (ঘুষ) ১০০০ টাকা।।
হিসাবরক্ষণ অফিসে সরকারি কর্মচারীদের পে ফিক্সেশনের জন্য টাকা দিতে হয়।
পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে ঘুষ চেয়েছিল ৭০ হাজার না দিলে পেনশনের টাকা আটকায় দিয়েছিল সেজন্য ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া হয়েছে চিরিরবন্দর ট্রেজারি অফিস
দায়িত্ব পালনে গড়িমসি, অতিরিক্ত পেপারস চাওয়া, সেবাগ্রহীতার কাছে প্রক্রিয়াকে জটিলভাবে উপস্থাপন।