বদলী হলে বা বেতন বৃদ্ধি
আমার নরসিংদী জেলা থেকে ডিএমপি তে পোস্টিং হলে, বেতন চালুর জন্য টাকা দিতে হয়েছে
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার নরসিংদী জেলা থেকে ডিএমপি তে পোস্টিং হলে, বেতন চালুর জন্য টাকা দিতে হয়েছে
সরকারি বিল পাসের ক্ষেত্রে বিভাগীয় একাউন্টস অফিসের একাউন্টস অফিসারকে ২৫-২৬ অর্থবছরে আনুমানিক পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। অন্যথায় বিল পাস হয়না। ফলে দাপ্তরিক কাজ বিঘ্নিত হয়।
এই অফিসে ঘুষ ছাড়া কোনো বিল পাশ হয় না, ঘুষ দিলে ১ দিনেই পাস হয়, ঘুষ না দিলে নানা রকম হয়রানি করে , মাসের পর মাস ঘুরায়
Amar ma ekjon school teacher chilen, uni retired er por chele meyeder sathe thakar jonno desher bahire thaken, tai onar pension er taka age monthly tulte parto na , deshe gele tulto eksathe 2 years kore oi taka tular jonno protiber 15000 taka kore gush ney tara.
বললো এখানে কাজ করতে হলে টাকা ছারা কাজ করা যায় না রং এক দুই দিনের কাজ ৫-৬ মাসেও হবে না। এবং জটিলতা সমস্যা করা হয় নানা মন্তব্য করেছে আমাদের মানুষ এই মনে করে না বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
আমি ১৭ থেকে ১২ গ্রেডে উন্নীত হয়েছি ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে। তখন বিল পাশ করাতে তাদের এই দাবি।
আমি মূলত আমার বাবার পেনশন চালু করতে গিয়েছিলাম। হিসাব অফিসের একজন অডিটর আমাকে বসিয়ে রেখে বেশ কিছুক্ষণ সময় পর ১০ হাজার টাকা অর্থ দাবী করে। সেখানে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা ও নেই অথচ এটি একটি সরকারি অফিস। আমার হাত থেকে এই অর্থ নেয়। সরকারি অফিসের ভেতর সিসিটিভি না থাকাটা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং সেখানে একজন অডিটর সাধারণ নাগরিক থেকে অর্থ আদায় করার সুযোগ পাচ্ছে আমার মতে এই কারণেই। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই সে টাকা দিয়েছি। আমি সদ্য কলেজ পড়ুয়া আর একটু বড় হলে হয়তো তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারতাম।
কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার হিসাব রক্ষণ অফিসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারকর্তৃক বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা তুলতে গেলে ঘুস ছাড়া কাজ করে না, বিল ছাড়ে না এবং বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করা যায় না। এতে বিদ্যালয়ের কাজ ব্যাহত হয়। এছাড়া বিদ্যালয় প্রতি ২-৫ টাকা করে ঘুস দিতে হয়, যা বিদ্যালয়ের কাজের সময় সরকারের প্লান মোতাবেক কাজ করতে গেলে অর্থ সংকট দেখা দেয়। অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা তুলতে গেলে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে দিতে হয়। টাকা ছাড়া ভাতার বিলে স্বাক্ষর করে না, অর্থের ছাড় হয় না। এছাড়া শিক্ষকরা উপর্যুক্ত অফিসে যেকোনো কাজে গেলে টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে দেয় না। শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজের জন্য জনপ্রতি ৫০০ টাকা ঘুস দেয়। নতুন শিক্ষকদেরও ঘুস দিতে হয়।
ট্রেনিং এর টিএ ডিএ বিল উঠাতে ১০০০০ টাকা ঘুষ চায়। আমার কষ্টের টাকা উঠাতে কেন টাকা দেওয়া লাগবে? প্রতিদিন এভাবে কোটি কোটি টাকা ঘুষ যাচ্ছে।
২০২৫ সালের মার্চ মাসে ১৩ গ্রেডের চাকুরীতে প্রবেশের সময় বেতন চালুুর জন্য প্রত্যেকে ১৫০০ টাকা করে দিতে বাধ্য হয় কেননা তারা বিভিন্নভাবে কালক্ষেপণ করছিল এবং প্রথম কয়েক মাসে বেতন না হওয়ায় অনেকেই হতাশ হয়ে গিয়েছিল। ২০২৬ সালের জুলাই মাসে প্রথম ইনক্রিমেন্টের জন্য হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করা তাদের কথা অনুযায়ী মাসের প্রথম সপ্তাহেই সকলের এনআইডি কপি পৌঁছে দেওয়া হয়। মাসের ২০ তারিখে এসে বলে ফাইল ফরওয়ার্ড না করলে কাজ করবে না। তাড়াহুড়ো করে ২ দিনের মধ্যে যাবতীয় ডকুমেন্টসসহ ফাইল ফরওয়ার্ড করলেও জুলাই মাসের ইনক্রিমেন্ট তারা যুক্ত করেনি এবং আমরা একজনও জুলাই মাসের ইনক্রিমেন্ট পাইনি। তারা ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করে না।
আমি একজন সরকারি কর্মকর্তা। আমার বেতনে একটি প্রাপ্য ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করতে পটুয়াখালী সদরের ডিসি অফিসের হিসাব রক্ষণ শাখা আমার থেকে জোরপূর্বক ৫ হাজার টাকা ঘুষ আদায় করে ছাড়ে। প্রাপ্য ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করতে এছাড়া আমার আর বিকল্প উপায় ছিল না। দিতে বাধ্য হয়েছি।
পে ফিক্সেশনের জন্য ৫০০৳ দাবি করেছে এবং আমাকে দিতে হয়েছে
নবনিয়োগকৃতদের বেতন ভাতা চালু করতে ১০০০টাকা নিয়ে থাকে ও যেকোন বিল অনুমোদন করতে ৫% টাকা নিয়ে থাকে। এছাড়া পেনশনের ক্ষেত্রে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে হয়রানি করে থাকে।
শ্রান্তি বিনোদন ভাতার টাকার জন্য ৫০০ টাকা ঘুস চেয়েছে
এরিয়া বিল পেতে মাগুরা সদর হিসাবরক্ষন অফিসে ঘুষ দেয়া লাগে। কেউ দিতে না চাইলে তার বিল পাশ করেনা। এমনকি কতটাকা ঘুষ নিবে সেটা নিয়েও দর কষাকষি করে। আমার বিলের ক্ষেত্রেও অগ্রিম টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া পে- ফিক্সেশন ও অন্যান্য টিএ ডিএ বিল এ সর্বনিম্ন ৫% ঘুষ দেয়া ছাড়া এনারা কাজ করেন না।
শ্রান্তি বিনোদন ভাতা বিল পাস এবং নিজের জিবিএফ একাউন্ট থেকে লোন উত্তোলনে তারা বাড়তি টাকা দাবি করে। না দিলে ঘুরায়।
নতুন আইবাস হিসাব খুলতে গিয়ে বিভিন্নভাবে ১৭ বার তাদের অফিসে যেতে হয়েছে। যখন ২০০০ টাকা পেইড করলাম, তখন কাজ হয়েছে। ঘুষ দিতে চাইনি বলে বিভিন্ন কারণে ঘুরানো হলো আমাকে। এখন জিপিএফ হিসাব খুলতে যাওয়ার আর ধৈর্য হচ্ছে না। তারা আবার ঘুরাবে টাকা দিলে।। উল্লেখ্য আমি একজন বিসিএস কর্মকর্তা, তবুও।।
আমি দেনা পরিশোদের নিমিত্তে সরকারি অর্থ উত্তোলনের জন্য চেক পেতে ঘুষ না দিলে কাজ হবে না।
একটি প্রাপ্তে এড়িয়ে বিল পাওয়ার জন্য অ্যাকাউন্ট অফিসে এই টাকাটা দাবি করেছিল
উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তদের বকেয়া বেতন নেওয়ার জন্য টাকা দিতে হবে না হয় কতদিন পর করবে তার কোন হিসাব নাই।