বেতন, টিএডিএ, পেনশন
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এর মধ্যে ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার (বিবিধ) এ শতকরা ১০%-২৫ ঘুষ দিতে হয়।
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এর মধ্যে ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার (বিবিধ) এ শতকরা ১০%-২৫ ঘুষ দিতে হয়।
এটি সরকারি চাকরিজীবীদের উচ্চতার গ্রেটর পেয়ে ফিক্সেশন জন্য এই টাকাগুলো নেয়া হয়েছে এটি হলো অডিটার এবং ডিও দুইজন মিলেই এ টাকাগুলো খেয়ে থাকে
বিল অনুমোদনে গড়িমসি, তৃতীয় পক্ষের মাধ্যম্র সামান্য অর্থ চাওয়া হয়েছিল, কোনো আগ্রহ দেখাইনি বলে অনুমোদন ও হয়নি।
Advanced adjustment, over mobile phone, I have rejected
আমার বাবা মারা যাওয়ার পর আমার মায়ের জন্য পেনশনের ব্যবস্থা করতে গিয়েছিলাম। তারা আমার কাছে ২০০০০ টাকা দাবি করেন। আমাদের ফাইল সবই ঠিক ছিলো কিন্তু তারা বলে যে উপর থেকে অডিট হওয়ার সময় তাদের টাকা দিতে হবে, এর জন্য এই টাকা লাগবে। আমি তখন ৫০০০ হাজার দিবো বলি। কিন্তু তারা তাতে রাজি হয়নি। আমার মা এবং আমার সাথে দুর্ব্যবহার শুরু করে। পরবর্তীতে আমার ভাই তার পরিচিত সচিবকে দিয়ে ফোন দেওয়ায়। তখন তারা ভয়ে টাকা ছাড়াই কাজ করে দেয়। এবং সচিব স্যারকে যেন উনাদের নামে কমপ্লেইন না করি এর জন্য অনুরোধ করতে শুরু করে।
পেনশন ফাইল মঞ্জুর ও জিপিএফ এর টাকা উত্নউত্তোলনের জন্য হিসাব রক্ষণ অফিসে নিতান্তই বাধ্য হয়ে দিয়েছি। নয়তো সহজে মমঞ্জুর হতো না। উল্টো বিভিন্নরকম কাগজ কম আছে বলে হয়রানি করতো।
এটা একদম ওপেন সিক্রেট এদেশে। সরকারি যেকোন বিল পাস করাতে এজি অফিসকে ওই বিলের ৫% ঘুষ দিতে হয়।
আমার পেনশনের টাকা উত্তোলনের সময় ২০২৪ বা ২৫ সালে। মজার ব্যাপার হলো আমার টাকাটা পাওয়ার পরে অফিসের একজন একটা রেজিস্টার আগায় দিল এবং বলল যে আপনার কাছ থেকেও ঘুষ চেয়েছে কিনা বা নিয়েছে কিনা তা লিখুন। আমি লিখলাম কেউচাইনি বা নেয় নাই।
ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার আর্মি পে-২ , ঢাকা সেনানিবাস এ আমি আমার টিএডিএ বিএলের চাহিদা করলে তারা আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিয়ে বিলের ২০% দাবী করে ওই টাকা না দিলে তারা ওটা আটকে রাখবে এরকম বলে তাই আমি টাকা দিয়ে দেই। এছাড়াও আমার বকেয়া বেতন দাবি করতে চাই এর জন্য তারা ঘুষ চায়। কোন লোন নিতে গেলেও তাদেরকে ঘুষ দিতে হয় সেনানিবাসের ভিতরে সেনাবাহিনীর সদস্যদের কাছ থেকেই তারা সবচেয়ে বেশি ঘুষ আদায় করে। ওদেরকাছে সেনাবাহিনীর অফিসাররা জিম্মি তাইলে আপনারা ওয়েবসাইট চালিয়ে কি করবেন।
সরকারী চাকুরীজীবীদের এক জেলা হতে অন্য জেলায় বদলী হলে বেতন ও বদলী হয়। তখন অফিসিয়াল কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ৩০০০ টাকা দেয়া লাগছে।
পেনশনের টাকা দিতে দেরী করেছিল। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
সরকারি চাকরির এডভান্স ইনক্রিমেন্ট আই বাস প্লাস প্লাস এ যোগ করার জন্য আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করেছে