পেনশন সংক্রান্ত কাজ
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমি একজন নতুন প্রবাসী। আমার ভিসা এবং অন্যান্য সকল কাগজপত্র ঠিক আছে। আগামী ২১শে সেপ্টেম্বর আমি সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা দেব। কিছুটা টাকার সমস্যা থাকায় আমি ফেনীর প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ঋণের (লোন) জন্য গিয়েছিলাম। ব্যাংক থেকে জানানো হয়—ঋণ পেতে হলে একজন ব্যবসায়ী জামিনদার ও তাঁর ট্রেড লাইসেন্সের মূল কপি দিতে হবে, এবং একজন সরকারি চাকরিজীবী জামিনদারের স্বাক্ষর করা ৩টি ফাঁকা (ব্ল্যাঙ্ক) চেকসহ তাঁর অফিসিয়াল আইডি কার্ডের কপি জমা দিতে হবে। আমি তখন বলি—'আমার তো এত কিছু নেই; তবে আমার পরিবারের জামিনদারের চেক এবং জমির দলিল দেওয়া যাবে।' কিন্তু তারা জানায়, এতে হবে না। এভাবে ৩ দিন ঘুরানোর পর, একদিন ব্যাংকের এক কর্মী আমাকে বলেন—'২০,০০০ টাকা ঘুষ দিলে ৪ লাখ টাকা লোন করিয়ে দেব, আর কোনো কাগজপত্র বা জামিনদারও---
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।