17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টিএ এবং ডিএ বিল পাশ করাতে ৫% টাকা দাবী করে।
আমি একজন সরকারি কর্মচারী। আর্মি পে টু আমাদের টিএ/ডিএ বিল পাশ করানোর জন্য ২০% হারে ঘুষ দিতে হয় তা না হলে আমাদের বিল পাশ হয় না। আমি একজন সরকারি কর্মচারি হয়ে যদি ঘুস দিতে হয় তাহলে সাধারন মানুষের কি অবস্থা হবে। এটা দেখার কেউ নাই।
আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন তার মৃত্যুর পরে আমার মায়ের নামে পারিবারিক পেনশনের বই করতে ৩০০০ টাকা দাবী করেছিল।
শিক্ষা অফিস থেকে ২৫ জনের মতো শিক্ষকের স্কেল সমন্বয় করে একটা বিল করেছে সেখানে প্রতিজন শিক্ষকের বকেয়া বাবদ ১ লাখ টাকার মতো বিল হয়েছে। সেই বিল পাস করানোর জন্যে একাউন্টস অফিসে জমা দিলে তারা প্রতি শিক্ষক বাবদ ২০০০০ টাকা করে চেয়েছেন। এখনো টাকা দেয়া হয় নাই দেখে কাজটি ঝুলে আছে।
সরকারি চাকরি তে বেতন পেতে ঘুষ দিতে হয়,অনেক সময় বেতন এর অর্ধেক ও ঘুষ চায়,না হলে বেতন ৫/৬ মাস বন্ধ রাখে,বদলি হলে যে অফিস থেকে বদলি সেখানেও ঘুষ দিতে হয়,আবার যেখানে বদলি হয়,সেখানেও ঘুষ দিতে হয়,pension পেতে গেলে লাখ টাকার উপর ঘুষ চায়,না দিলে ১০০ রকম কাগজ চায়, আর বলে একটা কাগজ না দিলে pension পাবে না,অনেকেই আছে ১/২ বছর হলে মারা গেছে কিন্তু সন্তান রা pension পাচ্ছে না,online হওয়ার পর হয়রানি বেড়েছে,এখন বলে online এ আপনার কোন information নাই,বেতন এর অর্ধেক বা তার বেশি দাবি করে।
জিপিএফ এর লোন এর আবেদন দিয়েছিলাম অনেক দিন পরে ছিলো লোন হচ্ছিলো না টাকা দাবি করে ২০০০ হাজার পরে ১০০০ টাকা দিলে ৩ দিন পর চেক হাতে পাই।
আমি বাংলাদেশ নৌবাহিনী একজন সদস্য। আমার জিপিএফ ফান্ডের ওপেনিং ব্যালেন্স করে দেওয়ার জন্য সমস্ত ডকুমেন্ট জমা দেই। তখন আমাকে বলে কিছু টাকা দিলে এক মাস পর করে দিবে, পরবর্তীতে দুই মাস পর আবার যোগাযোগ করলে আমার কাছ থেকে হিসাব রক্ষক অফিসের দেখা করে দেওয়ার জন্য বলে। আমি দেখো করিনি তাকে কোন টাকা দেয়নি, আজ ছয় মাস হয়ে গেল এখনো আমার ওপেনিং ব্যালেন্স করা হয়নি।
আমি দীর্ঘ ২ বছর যাবত বাঞ্ছারামপুর একাউন্ট অফিসে ঘুরতেছি কিন্তু হবে, হয়ে যাবে এসব বলতে বলতে জীবন টা অতিষ্ঠ। পরে একজন চা নাস্তার টাকা দাবি করছে ৫০০০। আমি বলে এসেছি যেদিন টাকা ছাড়া সেবা পাবো সেদিন আসবো। আশা করি দেশটা একদিন পরিবর্তন হবে।
এখানে এজি অফিস থেকে টাকা চাইছিল একজন
আমরা ৪৯৬ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী বাংলাদেশ রেলওয়ে তে যোগদানের পর পে ফিক্সেশন করতে গেলে তারা ওপেনে জনপ্রতি ৫০০/- করপ নিয়েছে এবং ওপেনে বিকাশে টাকা নিসে।এরপর বকেয়ার বেতন ও টি/এ বিল থেকে ১৫% কমিশন না দিলেও বিল পাশ করে না। অর্থ উপদেষ্টার অফিস, পাকশি বিভাগ পশ্চিম অঞ্চল,রাজশাহী বাংলাদেশ রেলওয়ে
এলপিসি নেওয়ার জন্য আমার কাছে টাকা নিছে
নতুন সরকারি চাকরি বেতন বিল, আইবাস একাউন্ট ওপেন করতে জন প্রতি ২০০০ টাকা দাবি করেন । আমারা ১৩৬ জন ১৩৬*২০০০=২৭২০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হইছে
টাইম স্কেল লাগানোর জন্য ৭০০০ টাকা ঘুষ চাইলে দফারফা করে ৫৫০০ টাকা দেই
টাকা না দিলে বেতন হয় না,,,৫%করে দিতে হয় প্রতিবার টি এ বিল উত্তোলন করতে
ঠিকাদার কোন কাজ কমপ্লিট করে বিল আনতে গেলে
আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। চাকরির ৩ বছর পূর্তি হলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কর্মচারীরা "শ্রান্তি বিনোদন ভাতা" পেয়ে থাকেন। কিন্তু এই ভাতা নিতে গিয়ে আমাকে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ৮০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। শুধু আমার ক্ষেত্রেই নয়, আমার অফিস এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের যোগসাজশে কোনো কর্মচারীর বেতন-ভাতা বা iBAS++ এ কোনো বিল তুলতে গেলেও ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না।
আমার বাবার রেটিয়ার এর টাকা দিচ্ছিল না । লমগ্রান্ড ও ভবিষ্যৎ তহবিল এর টাকা প্রসেস করছিল না । এর জন্যে মিষ্টি হওয়ার টাকা বলে 1 লক্ষ টাকা নিয়েছে। আর পেসব চালু করতে 2 লক্ষ টাকা নিয়েছে
সাইন দিতে টাকা চেয়েছিল
আমার বাবা প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন ওনি ২০২০ সালে মারা যায় মারা যাওয়ার পর পেনশন পেতে আমাদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে...আমি তখন ছাত্র ছিলাম আমি সারাদিন দাড়িয়ে ছিলাম হিসাবরক্ষণ অফিস এ সেখানকার অডিটর ও সুপারিন্টেন্ডেন্ট পেনশনের কাগজপত্র দেখালাম আমাকে পাত্তাই দেয় নাই সারাদিন বাহিরে দাড়িয়ে ছিলাম তখন বিকেলে হয়তো আমাকে দেখে মায়া হইছে তখন আমাকে বলে আমার বাবার নাকি কাগজপত্র ঠিক নাই অথচ শিক্ষা অফিস সব যাচাই বাছাই করে দিয়েছিল তারপর আমাকে অডিটর বলল সন্ধার পর আসেন আমি আবার যাই তখন আমি সব থেকে অবাক হলাম ওরা কথা না বলে ওখানকার সুপারিন্টেন্ডেন্ট ওনার ক্যালকুলেটর নিয়ে ২০০০০ টাকা ডিজিট লিখল তখন আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল তখন আমাদের কাছে টাকা ছিল না তারপর ওনাকে ১০০০০ টাকা দার করে দিয়েছিলাম!
আমার সরকারি দপ্তরের কোন কন্টিজেন্সি বিল হিসাব রক্ষণ অফিসে উত্তোলনের জন্য দিলেই মোট বিলের ৫% দিতে বাধ্য করে।