17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার সরকারি দপ্তরের কোন কন্টিজেন্সি বিল হিসাব রক্ষণ অফিসে উত্তোলনের জন্য দিলেই মোট বিলের ৫% দিতে বাধ্য করে।
উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে আমার মায়ের পারিবারিক অবসরভাতা উত্তোলন করিবার জন্য ৩০০০ হাজার টাকা দাবি করে ও সেই টাকা দিলে পরবর্তীতে সেই কাজ করে দেয়।
সরকারি চাকরিতে জয়েন দেয়ার পর আনোয়ারা হিসাবরক্ষণ অফিসের একজন সুপারিন্টেন্ডেন্ট আমার কাছে অর্থ দাবি করে
চাকরির ১০ বছর হলে উচ্চতর গ্রেডে বেতন বৃদ্ধি হয় সেক্ষেত্রে উচ্চতর গেটের সেবা নেয়ার জন্য তাদের কাছে গেলে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় 500 টাকা করে অর্থ লাগবে উচ্চতার গ্রেট প্রদান করতে আর তা না হলে তারা কাজ করবে না। নিতে হলে জনপ্রতি 500 টাকা করে দেওয়া লাগবে আর তা না হলে উচ্চতার গেটের সুবিধা পাওয়া যাবে না যতদিন টাকা দেয়া হবে না ততদিন এই সুবিধা পাওয়া যাবে না।
বেতন চালু করতে হলে তাদের মিষ্টি খাওয়াতে হবে। এজন্য জনপ্রতি ২০০০ দিতে হবে। চাকরীজীবনে ঢুকে প্রথম ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতা এটা। টাকা না দিলে বিরম্ভনা, কালক্ষেপণ , শেষমেশ দিতে বাধ্য হয়েছি। আমি একা না একসাথে অনেকের।
প্রথম পে ফিক্সেশন করানোর ক্ষেত্রে আমার প্রতিষ্ঠানের আ্যকাউট্যান্ট দাবি করে যে অডিট অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না৷ তাই, ইন পার্সন গিয়ে গিয়ে পোক করে করে আদায় করসি। তবে সময় বেশি লেগেছে, অযথা বিভিন্ন ডকুমেন্টের জন্য ডিলে করসে। সেকেন্ড টাইম আ্যডভান্স ইনক্রিমেন্ট আ্যড করানোর ক্ষেত্রে সাহস করতে পারি নাই, কজ বাকি সকল কলিগ কনভিন্সড৷ ঘুষ দিতে হইসে৷
আমি রাজশাহী পলিটেকনিকের একজন শিক্ষক। রাজশাহী পলিটেকনিকের 65 জন নব্যযোগদানকৃত শিক্ষকদের শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে দেওয়া এনক্রিমেন্টর অর্ডার হওয়ার পর টাকা পাওয়ার জন্য প্রত্যেককে ৮০০০ করে মোট ৫২০০০০টাকা এজি অফিস রাজশাহীকে দিতে হয়েছে । টাকাটা নিয়েছে এডিটর দাদা। এছাড়া চাকরিতে যোগদানের সময় আরো জনপ্রতি ৪০০০ টাকা করে মোট ২৬০০০০ দিতে হয়েছে পে ফিক্সেশন জন্য । সিনিয়র শিক্ষকদের কাছে শুনেছি এজ অফিস মানে ঘুষ। যে কোনো সেবা তথা টিএবিল, পে ফিক্সেশন, পেনশন, বকেয়া টাকা ইত্যাদির ক্ষেত্রে ২০% করে দিতে হয় তাদেরকে।
ঘুষ না দিলে কোনো কাজ সহজে করে দেয় না। শুধু দিন পার করে দেয়। একজন বদলি হয়ে আসলে বলে এখনো এলপিসির হার্ড কপি আসেনি। অথচ টাকা দিলে অনলাইনে কাজ করে দেয়😁।
একজন সরকারি কর্মচারীর বৈধ টাকা শুধু ওনি authorise করে দিবেন। সেজন্য ৭০০০ টাকা দাবী করেছে
ডিরেক্ট টাকা চায়, নাহলে কাজ করে না
আমি পেনশন আসার সময় আমার কাছে দাবি করেছে। না দিলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তিনগুন টাকা কম দিতো।
আমি জব থেকে অকালীন অবশর এ আসি। প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন এর টাকা উঠাতে গেলে আমার কাছে মোট ২০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে তারপর আমার টাকা উত্তোলন করে থাকি
মূল পেনশনার মৃত্যুর পরে পেনশনারের স্ত্রীর নামে পেনশন আসতে আসতে প্রায় 1 বছর এর মতো সময় লেগে যায় যেখানে 82400 টাকার মতো এককালীন টাকা জমা হয় পরে সেই টাকার চেক ছাড়াতে গেলে হিসাবরক্ষণ অফিসের পিওন দাবি করে টাকা দিলে সাথে সাথে ছাড়িয়ে দিবো অর্ধেক অর্ধেক।নাইলে ওই টাকা আর কখনোই পাবেন না।যার দরুন অর্ধেক এ রাজি হয়ে যাই। তখন আমার স্মার্ট ফোন না থাকার কারনে ভিডিও ক্লিপ তুলতে পারিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত খরচের টাকার বিল ভাউচার হিসাব রক্ষণ অফিসে জমা দিলে জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ৫ শতাংশ টাকা না দিলে বিল পাস করেননি পরে বাধ্য হয়ে বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও সাংবাদিকদের জানানো হয়।
২০ বছর চাকুরী শেষ করে যখন আমার পেনশন কার্যক্রমের জন্য ফিল্ড পে অফিস এ গেলাম, অডিটর আমার কাছে ৭০,০০০/- দাবী করে। আমি প্রত্যাখ্যান করি।
সরকারি সকল বিলে ৫%করে টাকা নেয় ট্রেজারি অফিস, না দিলে বিল নিয়ে টাল বাহানা করে।
টাকা ছাড়া পে ফিক্সেশন চালু করবে না,তিন মাস ঘুরিয়েছিল। পরে টাকা দিয়েছি
সরকারি চাকুরীতে যোগদানের সময়, পে ফিক্সেশন এর সময় আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়, আমি প্রত্যাক্ষান করি, কিন্তু পরবর্তীতে আমাদের অফিসের এক দালাল এর জন্য অন্য কলিগরা রাজি হওয়াতে দিতে বাধ্য হই।।
আমার বাবার পেনশন এর টাকা অফিস থেকে ভুল করে বেশি দিয়েছিল সেটা ঠিক সেটা ঠিক করার জন্য ১ লক্ষ টাকা ঘুস দিতে বলছিল
টাকা পরিশোধ না করায় এরিয়ার বিল দেওয়া হচ্ছিল না।