Pay fixation বাবদ
কী আর বলব? পে ফিক্সেশন বাবদ যেখানে ঘুষ দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কী আর বলব? পে ফিক্সেশন বাবদ যেখানে ঘুষ দিতে হয়।
কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা তে বৃহৎ করদাতা ইউনিটে বদলীর পর LPC প্রেরণ না করে পাঁচ মাস বেতন বন্ধ রেখেছিল। নতুন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ২০০০ ও পুরাতন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ৩০০০ পরিশোধ করার পরও এল পি সি নিয়ে টালবাহানা করছিল। শেষমেষ টাকা পরিশোধে বাধ্য হয়ে বেতন সচল করি। এই পাচ মাস নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণায় পড়েছিলাম। নতুন সরকার এল পি সি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে অন্য কর্মচারীদের ও ঘুষ নিতে উতসাহিত করবে আশা করছি। কারণ অনেক কর্মচারী মনে করে সে ঘুষ দিতে বাধ্য হলে সে খাবেনা কেন?! এজি অফিস এসবের হাতেখড়ি দেই।
Tk na dile kaj hobe na
কোরবানি ঈদের আগে আমার বদলি হয়েছে আজমেরীগঞ্জে উপজেলা থেকে লাখাই উপজেলায়, এখন যেটা হয়েছে একাউন্টস অফিসার বা একাউন্টস অফিস এল পিসি স্থানান্তরের জন্য আমি যোগাযোগ করলে আমাকে বলে আপনি ১৭ হাজার টাকা বেতন পান আমরা দশ হাজার টাকা দিয়ে দিই ৭০০০ টাকা আপনি আমাদেরকে দিবেন তারপর আমি যখন দিতে রাজি হই নাই আমাকে বলল আজমিরগঞ্জ তো হাওর এলাকা এখানে হাওর ভাতা পেতাম আর লাখাই উপজেলা হাওর এলাকা না, এ ভাতা না দেওয়ার জন্য ভয়-ভীতি দেখায় তখন বলে লাখাই হাওর এলাকা কি না সে পরিদর্শ করবে এবং আমাকে দিয়ে বাইক(মোটরসাইকেল) ভাড়া করিয়ে সে এলাকায় ঘুরে দেখো এবং বাইকের ভাড়া পরিশোধ করি এবং উল্লখিত ঘুষ না দেয়ার কারণে আমাকে হয়রানি করে এবং আমি বেতন বোনাস ছাড়া ঈদ পালন করি
ভ্রমণজনিত বিল অনুমোদন করতে অডিটর ১০০০/=টাকা দাবী করেন।একমাস অপেক্ষা করার পর ঢাকা হিসাবরক্ষণ অফিসের মাধ্যমে ফোনে অনুরোধ করিয়ে বিল অনুমোদন করতে হয়েছিল।
মুভমেন্ট বিল টিএ ডিএ তে ১৪০০০ এর বিলে ২৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করে অডিটর। পরিশোধ করার পর বিল পাশ করে।
আমি নতুন চাকরিতে জয়েন করার পর ফিক্সেশন করার জন্য এবং ১ম মাসের বেতন নেওয়ার সময়
আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য, আমি পেনশনে আসার সময় এফপিও (ফিল্ড পে অফিস) হতে ডিএসপি (জিপি ফান্ড) ফান্ডের হিসাব আনতে ৩,০০০/- টাকা, একই অফিস হতে এলপিআর বিল পাশ হতে ৬৫,০০০/- টাকা এবং এককালীন পেনশন বিল পাশ হতে ১৫,০০০/- সর্বমোট ৮৩,০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়।
আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে নির্ধারিত চাকুরি শেষে অবসর গমনের প্রাক্কালে সমস্ত দলিল দস্তাবেজ জমা শেষে বাড়িতে চলে আসছি। কিছু দিন পরে আমাকে ফোনে বিভিন্ন সমস্যার এবং সঠিক হিসাব পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আমার নিকট ১০০০০০/- ঘুস দাবি করে পরবতীতে ৪০০০০/- টাকায় রফাদফা করি বাকি টাকা ১ম কিস্তি পাওয়ার পরে দেওয়ার কথা বলি, পরবর্তীতে আমি আর তার ফোন রিসিভ করি নাই।
বৈদেশিক কোর্সে যাবার আগে অগ্রিম বিল নেবার সময় ঘুষ দাবি করেছিল। সকল কাগজ সঠিক থাকা সত্তেও ঘুষ দাবি করে বাধ্য হয়ে দিতে হয়। সেখানে যারা কাজ করে সবাই অসামরিক অর্থমন্ত্রনালয় এর হিসাব শাখার।
আমার মায়ের পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে চাইলে হিসাবরক্ষণ অফিস ২০০০০/- ঘুষ দাবি করে। পরে ১৫০০০/- দিয়ে ফাইল অনুমোদন করেছে।
বদলি বিল, ট্রেনিং এর বিল, জিপিএফ লোন টাকা না দিলে পাস হবে না
বাবার পেনশন উঠানোর জন্য উপজেলা একাউন্টস অফিসে যায়। সেখানে তারা এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। অনেকদিন দেনদরবার করে ৫০ হাজার টাকা দেই।
নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করি আমরা ৪০+ জন, তাদের বেতন রানিং হওয়ার জন্য প্রত্যেক এর কাছে থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয় শিক্ষা অফিসের এক কর্মচারির মাধ্যমে। তারা এই টাকা একাউন্ট অফিস ও শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা ভাগ করে নেয়।
আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে ২০২৬ সালের ১ জুলাই অবসরের গমন করি আমার এলপিআর এবং পেনশন প্রদানের জন্য আমার নিকট হতে ৫০০০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে আমি তা পরিশোধ করি।
আমি একজন সেনা সদস্য, বৈদেশিক মিশনের টাকা পেতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এয়ার হেডকোয়ার্টার পে ১ কে টাকা দিতে হয়েছিল, রিটায়ার্ড টাকা পেতে খুলনায় আমার সেন্টারের সে ১ কে টাকা দিতে হয়েছিল দুই জায়গা মিলে ১ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছিল, এবং আমার মতো সকল সেনাবাহিনী সদস্য অবশ্যই টাকা দিতে বাধ্য
আমার বাবার চাকরির পেনশনের টাকা উপজেলা একাউন্স অফিসার 10% দাবী করে পাশাপাশি রাউন্ড ফিগারের বেশি 42000 হাজার টাকাও রেখে দেয়।
আমি সমস্ত ডকুমেন্টস জমা দেবার পর। হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার সাথে দেখা করি। তাঁর পাশে দুইজন বসে ছিলেন তারা অডিটর। টাকা ছাড়া একাজ হয় না। টাকা ছাড়া করতে গেলে ফাইল বা ফাইলের কাগজ হাওয়া হয়ে যায়। আমি হয়রানি থেকে বাঁচার জন্য সম্প্রতি অবসর নেওয়া কয়েক জনের সাথে কথা বলে দেখেছি তাদের কাছ থেকে( তার আমার সহকর্মী শিক্ষক)এই কাজে ১০০০০/থেকে ২৫০০০/ টাকা ঘুষ নিয়েছে। তাই সরাসরি অফিসারকে বলি স্যার কত দিতে হবে। অফিসার তার সহকর্মী অডিটর দের বললেন, আপনারা বলেন, এ কাজে কত টাকা নেই। তারা বললেন আপনার টাকার পরিমান কত? আমি বললাম ৩২ লাখ। তারা বললেন,স্যার এ কাজে লাখে ১ হাজার নেন। আপনার সেই হিসাবে ৩২ হাজার হয়, ঠিক আছে আপনি ৩০ হাজার দিয়েন।
মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক অফিস(এজি অফিস)সেগুনবাগিচা ঢাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ধীন পুলিশ সদস্যদের ডিএমপি টু বহি রেঞ্জ /বহি মেট্রো বদলী হয়,তেমনিভাবে ঐখান থেকে আবার ডিএমপিতে পোস্টিং হয় অনেকের।এসবি,সিআইডি বলতে গেলে পুলিশের যত বদলী হয় তখন এলপিসি সঠিক সময়ে পাঠানো হয় না,তারা আটকে রাখে।বেতন ৩-৪ মাস চলে যায় বেতন বন্ধ থাকে।কারণ এলপিসি কাজ করে না এজি অফিসে।এটা শুধু সেগুনবাগিচা না প্রত্যেকটা জেলায়ও এমন হয়।পুলিশের বদলী হলে তারা এলপিসি এক জায়গা থেকে বদলীর জায়গায় পাঠায় না,যতক্ষণ পর্যন্ত এজি অফিসকে ঘুষ না দেওয়া হয়।ঘুষ না দিলে বেতনও বন্ধ। এলপিসি কাজ শেষ না হলে বেতন হবে না।এই কারণে প্রত্যেক পুলিশ সদস্য ওদেরকে ১০০০-১৫০০০ ঘুষ দিয়ে এলপিসি কাজ করায়।আবার জিপিএফ হিসাব আনতে কিংবা পেইজ ভলিয়ম নাম্বার বসাতে গেলেও ঘুষ দিতে হয়।
প্রকল্পের ১ম কিস্তি অর্থছাড় করার জন্য প্রয়োজনীয় কাজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট সফটওয়ারে পোস্টিং শেষ করে জমা দিই । ঢাকায় অবস্থিত পরিবহন সেকটরের সাথে জড়িত ১টি মন্ত্রনালয়ের চিপ অ্যাকাউন্ট এন্ড ফিণ্যান্স অফিসারের কার্যালয়ের প্রতিনিধি আমার দপ্তরের অর্থছাড়ের সাথে জড়িত ও তাদের পূর্বপরিচিত কর্মকর্তার সাথে যোগসাজস করে মোট ছাড়কৃত অর্থের ১% অথবা সর্বনিম্ন ১৫০০০/= টাকা কিস্তি প্রতি( বছরে মোট ৪ কিস্তি) দাবি করে ও আমার আবেদনট কাল বিলম্ব করে ধরে রাখে । আমি জানি তাদের দাবি পুরন না করলে( যা অন্যান্য অগ্রগতি সম্পন্ন প্রকল্পের পিডিরা দিতে বাধ্য হয় হয়রানি এড়ানোর জন্য) আমার আবেদনে অসংগতি রয়েছে এটি বলে তারা অর্থছাড় নাও করতে পারে । আমার প্রকল্পের অগ্রগতি শুরু না হওয়ায় তাদের দাবি প্রত্যাখান করি যা এখনো পেন্ডিং