ব্যাংকের অনুমোদন
পিআইও অফিস থেকে হিসাবরক্ষক অফিসে কোন স্বাক্ষর নিতে চাইলে টাকা দিতে হয় এক জনকে তিনি সকলের সামনে বলে এই টাকা নেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পিআইও অফিস থেকে হিসাবরক্ষক অফিসে কোন স্বাক্ষর নিতে চাইলে টাকা দিতে হয় এক জনকে তিনি সকলের সামনে বলে এই টাকা নেয়
মৌলভীবাজার ডিসি অফিসে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের চেকটি LAO অফিস থেকে Accounts শাখায় পাঠানো হয়েছিল। Accounts-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ঘুষ না দিলে তিনি চেকটি তাৎক্ষণিকভাবে ইস্যু করতেন না; ঘুষ দিলে একই দিনেই চেক পাওয়া যেত। আমার চেকটিও ইস্যুর জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু আমি প্রথমে কোনো টাকা দিইনি। এর মধ্যে কিছু অসাধু ব্যক্তি অযৌক্তিক আপত্তি তুলে চেকটি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে LAO অফিস কাগজপত্র যাচাই করে চেক ইস্যুর বিষয়টি পরিষ্কার করে দেয়। আরও বিলম্ব বা নতুন কোনো জটিলতার আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে ওই দিনই Accounts-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ৮,০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে চেকটি সংগ্রহ করি।
পে ফিক্সেশন এর জন্য মিষ্টি খেতে সরাসরি ২০০০/- টাকা চাইছে।
সেনাবাহিনী থেকে নিয়মিত অবসর গ্রহণ এর সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের, জুনিয়র অডিটর ঘুষ দাবি করেন। আমরা ৭৫০জন + লোকজন থেকে ঘড়ে ৬০০০০ টাকা করে FPO office ar এস এস অধীক্ষক বা জুনিয়র অডিটর রাখা ঘুষ নিয়ে থাকেন।
পেনশন কাগজ জেলা অফিসে পাথানো জন্য ফাইল স্বাক্ষর ৩০০০০ টাকা চাওয়া।
আমার মা'র পেনশন অধিদপ্তর, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সবকিছু ঠিকঠাক পাশ হয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ফাইল আসে।সব ধরনের ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পর ও উপজেলা একাউন্টস অফিস জানায় ফাইলে অসংগতি আছে, পেনশন পাবেন না।আমার মা, পরিবারের সবাই, এমনকি আমার মার অফিসের সবাই অবাক ; হিসাব রক্ষণ অফিসের এমন নেগেটিভ মন্তব্যে।২/৩ দিন পর উপজেলা হিসাব রক্ষন অফিসের অডিটর ফোন করে জানায়, আপনার সমস্যা সমাধান করা যাবে কিন্তু ৫০০০০ টাকা লাগবে, না হলে ফাইল ঢাকায় ফিরত দিয়ে দিব।তখন ঢাকায় অনেক ঘুরাঘুরি করতে হবে।মা তখন প্রশ্ন করে, আপনারা ই তো বললেন ফাইলে অসংগতি আছে, তো ৫০০০০ টাকা দিলেই সেই অসংগতি কিভাবে সমাধান হয়ে যাবে? কাগজ পত্র ১০০% ঠিক, তারপর ও হয়রানির ভয় দেখিয়ে তাঁরা ৫০০০০ টাকা দাবি করে।পরে ২০০০০ টাকা দফারফা হয়।
সরকারি ভ্রমন ভাতা তুলতে গেলে বিলের ১০% টাকা দাবি করে,এর সাথে জড়িত সরকারি অফিসের ক্যাশ সরকার এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তারা।
আমার ২৩হাজার টাকার একটা টিএ ডিএ বিলের জন্য ৩৫০০ টাকা চাইছিলো আমি টাকা দেইনি এজন্য আমার বিলটা পাস করে দেয় নি অথচ সাথের আরও ২০টার মত বিল পাস করে দিছে টাকা খেয়ে। ১বছর হইলো বিল টা পাবো না আশা ছেড়ে দিছি।
বেতন শুরু করা। ফাইল আটকে রাখ ছিলো। আর ঘুরাচ্ছিলো।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ৪০০০ টাকা ঘুস দিয়ে ফাইল পত্র প্রস্তুত করে উপজেলা হিসাবরক্ষক অফিসে যাই। সেখানে তারা আমার কাছে ৫০০০ হাজার টাকা ঘুস দাবি করে। আমি তাদেরকে অনেক কষ্টে বুঝিয়ে ৩০০০ টাকা প্রদান করি।
এলাকায় সেই অফিসারের দালালের মাধ্যমে ঘুস গ্রহন করে সে নিজে হাতে ঘুস নেই না
আমার মা একজন সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। চাকুরীতে বহাল থাকাকালীন 2023 সালে মায়ের মৃত্যু হয়। তারপর আমার বাবা পেনশন চালু করতে হিসাব রক্ষণ অফিসে গেলে প্রথমেই ঘুষ বাবদ 100000 টাকা চাওয়া হয়। প্রথমে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রচুর হয়রানির শিকার হতে হয়েছে আমাদের। বহু ঝামেলার পর একপর্যায়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই এবং আমাদের উপর রাগ করে হিসাব রক্ষণ অফিস একটা ইনক্রিমেন্ট কমিয়ে দিয়ে আমাদের প্রাপ্য টাকা সহ পেনশন চালু করে দেয় । উল্লেখ্য উক্ত অফিসের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন একই অফিসে চাকরি করায় সমস্ত সেবা গ্রহণকারীদের জিম্মি করে ফেলেছে। হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বদলী হলেও কিছুদিনের মধ্যেই আবার একই কর্মস্থলে ফিরে আসে।
আব্বা রির্টায়মেন্টের টাকা একাকালীন উত্তোলনের পর শুধু চিকিৎসা ভাতা এবং দুই ঈদে বোনাস, বৈশাখী ভাতা পেলেন। উনার মৃত্যুর পর আম্মার নামে হস্তান্তরের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ এবং তৈরিতে জটিলতা সৃষ্টি হয় যা ৫ আগস্টের পটপরিবর্তন আরও বাড়িয়ে দেয়। সিটি কর্পোরেশন, ময়মনসিংহ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অফিস, ধোবাউড়া পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। তখন হিসাবরক্ষণ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, কাজটি করে দিবেন বলে সম্মত হন এবং উল্লেখিত অর্থ দাবি করেন। প্রায় তিনমাস দৌড়াদৌড়ির পর আমি বাধ্য হয়ে তা প্রদান করি এবং একদিন পরই আম্মার নামে বই এবং চেক পাই।
আমার মা একজন পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হিসেবে তার চাকুরীজীবন শেষ করার পর থেকেই উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে নানান ভাবে হয়রানি শুরু করে। যেমন: কাগজ সমস্যা, রিন পরিশোধ হয়নি, বকেয়া আছে, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে ছাড়পত্র দিচ্ছে না, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর থেকে বাজেট বরাদ্দ নাই, পিআরএল অনুমোদন করতে হবে, হিসাবরক্ষণ অফিসে টাকা ছাড়া কাজ করে না সহ নানা হয়রানি মূলক কাজ করে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ২২০০০ টাকা, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ১০০০ টাকা এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ৪০০০ টাকা নিয়েছে তাছাড়া ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সেই দায়িত্বশীল কর্মকর্তা আরও টাকা দাবি করে যাচ্ছে।
আমি একজন স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে সরকারকে ২৪ বছর সেবা দিয়ে এসেছি। আমি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর আমার পেনশন এর কাগজ পত্র ক্লিয়ারেন্স নিতে যাওয়ার সময়, ফটিকছড়ি উপজেলা অডিট অফিসার আমার কাছে ৩০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তার নাম উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। পরবর্তীতে তাকে ঘুষ দেওয়ার পর সে পেনশন এর কাগজপত্র ক্লিয়ার করে।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকল কাগজ দিয়ে গ্রাচ্যুইটির আদেশ আনার পরও কাগজপত্রের ঘাটতি দেখায়, অনেক অনেক আগের কাগজপত্র চেয়ে বসে, নানা রকম ভুল-ভ্রান্তির কথা বলে অন্তরে ভয় ধরিয়ে দেয়। ঘুষের অঙ্ক মুখে বলে না, ক্যালকুলেটরের ডিসপ্লেতে তুলে দেখিয়ে দেয়।
আমার রিলেটিভ ওর সুনিধার্থে ওর পছন্দনীয় জেলায় ট্রান্সফার নিতে হেডঅফিসে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
রংপুরের পীরগাছার হিসাবরক্ষণ অফিসার কোনো বিলের ফাইল ৫% টাকা না দিলে ছাড়ে না।সে ঘুষের টাকা দিয়ে রংপুর শহরে খলিফা পাড়াতে বিল্ডিং করেছে। তাকে আইনের আওতায় আনা হোক
আমার মরহুম বাবার পেনশনের টাকার জন্য বিগত ১৪ মাস হিসাব রক্ষণ অফিস,রামু আমাকে ৩৫০০০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন হয়রানী করেছে৷
হিসাব রক্ষণ অফিসে ৫% কমিশন ছাড়া কোনো বিল ছাড়ে না।