Bill pass
সরকারি চাকরিতে প্রথম যোগদানের প্রথম বেতন করতে গিয়ে ফাইল ibas অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ করতে ছিল না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি চাকরিতে প্রথম যোগদানের প্রথম বেতন করতে গিয়ে ফাইল ibas অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ করতে ছিল না
২০৯ সালে চাকুরীতে জয়েন করার পড় ২ টা অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার কথা। ২০২৬ সালে এই অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি। তাই ২০২৯ থেকে ২০২৬ সালের এরিয়ার বা বকেয়া বিল তোলার জন্য জন প্রতি 1500 টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে। আমরা মোট ২৫ জনের মত এই সমস্যায় আছি।
পে ফিক্সেশন থেকে শুরু করে ইনক্রিমেন্ট চালু করা , এমন কোন কাজ নেই যেটা টাকা ছাড়া হয়
১০ বছর আগে চাকরি দিবে বলে টাকা নিয়েছিলো।এখনো টাকা ফেরত দেয়নি।বিভিন্ন বাহানায় সময়ক্ষেপণ করে যাচ্ছে।
টিএ এবং ডিএ বিল পাশ করাতে ৫% টাকা দাবী করে।
শিক্ষা অফিস থেকে ২৫ জনের মতো শিক্ষকের স্কেল সমন্বয় করে একটা বিল করেছে সেখানে প্রতিজন শিক্ষকের বকেয়া বাবদ ১ লাখ টাকার মতো বিল হয়েছে। সেই বিল পাস করানোর জন্যে একাউন্টস অফিসে জমা দিলে তারা প্রতি শিক্ষক বাবদ ২০০০০ টাকা করে চেয়েছেন। এখনো টাকা দেয়া হয় নাই দেখে কাজটি ঝুলে আছে।
আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন তার মৃত্যুর পরে আমার মায়ের নামে পারিবারিক পেনশনের বই করতে ৩০০০ টাকা দাবী করেছিল।
আমি একজন সরকারি কর্মচারী। আর্মি পে টু আমাদের টিএ/ডিএ বিল পাশ করানোর জন্য ২০% হারে ঘুষ দিতে হয় তা না হলে আমাদের বিল পাশ হয় না। আমি একজন সরকারি কর্মচারি হয়ে যদি ঘুস দিতে হয় তাহলে সাধারন মানুষের কি অবস্থা হবে। এটা দেখার কেউ নাই।
সরকারি চাকরি তে বেতন পেতে ঘুষ দিতে হয়,অনেক সময় বেতন এর অর্ধেক ও ঘুষ চায়,না হলে বেতন ৫/৬ মাস বন্ধ রাখে,বদলি হলে যে অফিস থেকে বদলি সেখানেও ঘুষ দিতে হয়,আবার যেখানে বদলি হয়,সেখানেও ঘুষ দিতে হয়,pension পেতে গেলে লাখ টাকার উপর ঘুষ চায়,না দিলে ১০০ রকম কাগজ চায়, আর বলে একটা কাগজ না দিলে pension পাবে না,অনেকেই আছে ১/২ বছর হলে মারা গেছে কিন্তু সন্তান রা pension পাচ্ছে না,online হওয়ার পর হয়রানি বেড়েছে,এখন বলে online এ আপনার কোন information নাই,বেতন এর অর্ধেক বা তার বেশি দাবি করে।
টাকা ছাড়া বিল পাশ করেনা। দিন শেষ এই টাকার ভাগ ৬০% হিসাবরক্ষণ অফিসার। বাকী ৪০% টাকা ঐ অফিসের অডিটর, সুপার, পিয়ন নেয়। এই ৫% কমিশন প্রতিটি হিসাবরক্ষণ অফিসের অলিখিত নিয়ম। শুধুমাত্র UNO অফিসের বিলে কিছুটা ছাড় দেয়। পেনশন বা কোন উচ্চতর গ্রেড/এককালীন বিল উত্তোলনে ক্ষেত্র বিশেষে ২০%-৪০% টাকা নিয়ে থাকে। যেকোন বিলেই ৫% কমিশন নেয় কিন্তু কেউ প্রকাশ করেনা।
আমি দীর্ঘ ২ বছর যাবত বাঞ্ছারামপুর একাউন্ট অফিসে ঘুরতেছি কিন্তু হবে, হয়ে যাবে এসব বলতে বলতে জীবন টা অতিষ্ঠ। পরে একজন চা নাস্তার টাকা দাবি করছে ৫০০০। আমি বলে এসেছি যেদিন টাকা ছাড়া সেবা পাবো সেদিন আসবো। আশা করি দেশটা একদিন পরিবর্তন হবে।
আমি বাংলাদেশ নৌবাহিনী একজন সদস্য। আমার জিপিএফ ফান্ডের ওপেনিং ব্যালেন্স করে দেওয়ার জন্য সমস্ত ডকুমেন্ট জমা দেই। তখন আমাকে বলে কিছু টাকা দিলে এক মাস পর করে দিবে, পরবর্তীতে দুই মাস পর আবার যোগাযোগ করলে আমার কাছ থেকে হিসাব রক্ষক অফিসের দেখা করে দেওয়ার জন্য বলে। আমি দেখো করিনি তাকে কোন টাকা দেয়নি, আজ ছয় মাস হয়ে গেল এখনো আমার ওপেনিং ব্যালেন্স করা হয়নি।
এখানে এজি অফিস থেকে টাকা চাইছিল একজন
টাকা তাকে দিতেই হবে।
জিপিএফ এর লোন এর আবেদন দিয়েছিলাম অনেক দিন পরে ছিলো লোন হচ্ছিলো না টাকা দাবি করে ২০০০ হাজার পরে ১০০০ টাকা দিলে ৩ দিন পর চেক হাতে পাই।
টাইম স্কেল লাগানোর জন্য ৭০০০ টাকা ঘুষ চাইলে দফারফা করে ৫৫০০ টাকা দেই
এলপিসি নেওয়ার জন্য আমার কাছে টাকা নিছে
নতুন সরকারি চাকরি বেতন বিল, আইবাস একাউন্ট ওপেন করতে জন প্রতি ২০০০ টাকা দাবি করেন । আমারা ১৩৬ জন ১৩৬*২০০০=২৭২০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হইছে
টাকা না দিলে বেতন হয় না,,,৫%করে দিতে হয় প্রতিবার টি এ বিল উত্তোলন করতে
আমরা ৪৯৬ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী বাংলাদেশ রেলওয়ে তে যোগদানের পর পে ফিক্সেশন করতে গেলে তারা ওপেনে জনপ্রতি ৫০০/- করপ নিয়েছে এবং ওপেনে বিকাশে টাকা নিসে।এরপর বকেয়ার বেতন ও টি/এ বিল থেকে ১৫% কমিশন না দিলেও বিল পাশ করে না। অর্থ উপদেষ্টার অফিস, পাকশি বিভাগ পশ্চিম অঞ্চল,রাজশাহী বাংলাদেশ রেলওয়ে