চাকরিতে নতুন জয়েনিং এর সময়।
হিসাব রক্ষণ অফিসে ৫% কমিশন ছাড়া কোনো বিল ছাড়ে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হিসাব রক্ষণ অফিসে ৫% কমিশন ছাড়া কোনো বিল ছাড়ে না।
সব কাগজপত্র নিজেরা রেডি করে অফিসে জমা দেওয়ার সময় জন প্রতি ২০০০ করে টাকা দাবি করে, টাকা না দেওয়া হলে প্রসেসিং আটকে থাকে, পরে জনপ্রতি ১০০০ করে টাকা দেওয়া হলে বেতন চালু হয়, পরবর্তীতে কাগজের কপি নিতে গেলে আবার ৫০০ টাকা দিয়ে কপি নেওয়া হয়।
পেনশন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে চাওয়া হয়েছিল। আমি কয়েক ধাপে ১৫/১৬ হাজার টাকা দিছি। আরো চাওয়া হয়ছিল,তবে আমি কম দিতে চাইছি বলে নেই নি।
অগ্রিম টাকা জমা দিলে তবেই ফাইল তোলা হয়। না হলে মাসের পর মাস ফাইল / বিল পড়ে থাকে। হিসাবরক্ষণ অফিসে বেতন বাদে অন্য সকল পাওনাদির ক্ষেত্রে ৫% দিতে হয়। অঘোষিত নিয়ম।
আমার খালু ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মারা গেলে তার পেনশন খালার নামে আনতে গেলে গণপূর্ত (বিদ্যুৎ বিভাগ) হিসাব রক্ষক অফিস সেগুনবাগিচা ১২ তলা ভবনে পাঠান, আমি সেখানে টাকা উত্তোলনের জন্য ৪ মাসের অধিক ঘুরে অবশেষে ১১,০০০/- ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রধান হিসাব রক্ষন কমকর্তার সেগুনবাগিচা অফিসে বাবার পেনশনের প্রাপ্য টাকা প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে যাওয়ার পরে সেখানকার একজন অডিটর এবং CAO অফিসার কাজ সম্পন্ন করার জন্য টাকা দাবি করেন এবং হয়রানির শিকার করেন।
বকেয়া টাকার একটি বিল পড়েছিল ওইটাকে ওরা তুলে দেবে যাওয়ার জন্য 30% দাবি করতাছে ২ লাখ টাকা আসবে মনে হয় সম্ভবত ওদেরকে 30% দিলে তাহলে ওরা কাজ করে দিবে না হলে করবে না।
আমার বাবা ছিল একজন কনস্টেবল। আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে আমার আম্মুর নামে চান্দিনা উপজেলার হিসাব রক্ষক শাখায় পেনশন নামকরণ করা হয়। এজন্য ঘুষ বাবদ ৭০০০/- টাকা দেওয়া লাগছে।
পেনশন চেক লেখা পিয়ন চেক লেখে দিচ্ছে তাই সেই টাকা না দিলে চেক দিবে না
জিপিএফ একাউন্ট খুলতে আবেদন দিলে কাজ না করে আবেদন ফেলে রাখে। ৪/৫ বার অফিসে যাওয়ার পর কাজ করে বিনিময়ে চা নাস্তার টাকা চায়।
প্রতিক্ষেত্রে ৭% টাকা কেটে নেয়,, হিসাব রক্ষণ অফিস, নরসিংদী
আমার নানির পেনশনের হিসাব বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তারপর ঐটা চালু করতে গেলে কাজ শেষে বলে যে মিষ্টি খাওয়াত টাকা দিবেন না? আমার নানি বলল যে ওইসব দিতে পারবোনা। একদম না করে দেওয়া হয়। উনি অবশ্য একটু রেগে গেলেন।
Baba pension er takar jonno. Ekojn nise 5000 ar ekjon 50000 tk. Total 55000 tk. Auditor 5000 DAO 50000 tk.
tara amader family member er pension er taka tulte jaway ei taka dabi kore,dui bare 10 hajar taka niyeche
আমি ২০২৩ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে যোগদান করি। আমার বেতনের নায্য টাকা যা হিসাবরক্ষণ অফিস আমার ব্যাংক হিসাবে জমা করবে সেটা ১০০০ টাকা ঘুষ না দিলে জমা করবে না বলে জানিয়ে দেয় তিনি জামালপুর সদরে হিসাবরক্ষণ অফিসে কর্মরত। আমি নিরুপায় হয়ে অনেক আবেদন করেও তাকে রাজি করতে পারিনি। ৩ মাস থেকে বেতন বকেয়া ছিলো বিধায় অনন্যোপায় হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে বেতন হিসাবে জমা করাই
“সরকারি অফিসে অডিট করতে এসেছিল হিসাবরক্ষণ অফিসের আওতাভুক্ত অডিট দপ্তর থেকে। সব ঠিক থাকলেও অফিসের প্রত্যেকটি প্রকল্প থেকে আলাদাভাবে ২লক্ষ টাকা করে মোট ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছে। না দিলে অযথা অডিট অবজেকশন দিয়ে হয়রানি করবে তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।”
নতুন চাকরিতে যোগদান করা উপলক্ষ্যে তৎকালীন একাউন্টস অফিসের সুপার ও অডিটর মিলে ৫০০ টাকা জোর করে নিয়েছেন। প্রথমে দিতে অস্বীকার করায় বেতন বন্ধ করে রেখে দিয়েছিল ৭ দিনের মতো। এবং এই টাকা না দিলে পরবর্তীতে আমার অফিসের বিভিন্ন বিল করতে গেলে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে বলে হুমকি দেয়া হয়। বাধ্য হয়ে মিষ্টিমুখ করানোর নামে এই টাকা নেয়। এছাড়াও সরকারি সকল নিলে ৫% বাধ্যতামূলকভাবে দিতে হয় অন্যথায় নানার অজুহাতে বিল বন্ধ করে দেয়।
নতুন চাকরিতে যোগদান, টাকা ছাড়া মাসের পর মাস বেতন বন্ধ ছিল। অতঃপর বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েই ফিক্সেশন করি আমরা নতুন নিয়োগ প্রাপ্তরা। প্রতি জনের থেকে ১৫০০ টাকা নেয়।
অনেক খারাপ ব্যবহার করেছিল। বারবার ঘোরাচ্ছিল। পরে আমি দুদকের এক বন্ধুকে দিয়ে ফোন করিয়েছিলাম পরে ছেড়েছিল এমনিতে।
আমাকে বলা হয়েছিল, সুন্দরগঞ্জে FPI থাকা কালে আমার বাবা বেশি টাকা নিয়েছিলেন যে কারণে আমার বাবার টাকা মার নামে করতে ৮০০০০ টাকা দিতে হবে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস খরচ ও জামাতের এমপি প্রার্থীর সুপারিশ লাগবে। ওনারা হিসাব ঠিক করে মার নামে টাকা তোলার ব্যবস্থা করে দেবেন। সর্বশেষ ১০,০০০ টাকায় কাজটি করে দেন। আমার বাবা মারা যাওয়ার ৬-৭ মাস আমরা তার পেনশনের টাকা উঠাই নি। এর ফলে ওরা সে সুযোগটা নিতে চেয়েছিল।