Pension
Baba pension er takar jonno. Ekojn nise 5000 ar ekjon 50000 tk. Total 55000 tk. Auditor 5000 DAO 50000 tk.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Baba pension er takar jonno. Ekojn nise 5000 ar ekjon 50000 tk. Total 55000 tk. Auditor 5000 DAO 50000 tk.
জিপিএফ একাউন্ট খুলতে আবেদন দিলে কাজ না করে আবেদন ফেলে রাখে। ৪/৫ বার অফিসে যাওয়ার পর কাজ করে বিনিময়ে চা নাস্তার টাকা চায়।
পেনশন চেক লেখা পিয়ন চেক লেখে দিচ্ছে তাই সেই টাকা না দিলে চেক দিবে না
নতুন চাকরিতে যোগদান, টাকা ছাড়া মাসের পর মাস বেতন বন্ধ ছিল। অতঃপর বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েই ফিক্সেশন করি আমরা নতুন নিয়োগ প্রাপ্তরা। প্রতি জনের থেকে ১৫০০ টাকা নেয়।
অনেক খারাপ ব্যবহার করেছিল। বারবার ঘোরাচ্ছিল। পরে আমি দুদকের এক বন্ধুকে দিয়ে ফোন করিয়েছিলাম পরে ছেড়েছিল এমনিতে।
“সরকারি অফিসে অডিট করতে এসেছিল হিসাবরক্ষণ অফিসের আওতাভুক্ত অডিট দপ্তর থেকে। সব ঠিক থাকলেও অফিসের প্রত্যেকটি প্রকল্প থেকে আলাদাভাবে ২লক্ষ টাকা করে মোট ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছে। না দিলে অযথা অডিট অবজেকশন দিয়ে হয়রানি করবে তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।”
নতুন চাকরিতে যোগদান করা উপলক্ষ্যে তৎকালীন একাউন্টস অফিসের সুপার ও অডিটর মিলে ৫০০ টাকা জোর করে নিয়েছেন। প্রথমে দিতে অস্বীকার করায় বেতন বন্ধ করে রেখে দিয়েছিল ৭ দিনের মতো। এবং এই টাকা না দিলে পরবর্তীতে আমার অফিসের বিভিন্ন বিল করতে গেলে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে বলে হুমকি দেয়া হয়। বাধ্য হয়ে মিষ্টিমুখ করানোর নামে এই টাকা নেয়। এছাড়াও সরকারি সকল নিলে ৫% বাধ্যতামূলকভাবে দিতে হয় অন্যথায় নানার অজুহাতে বিল বন্ধ করে দেয়।
আমি ২০২৩ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে যোগদান করি। আমার বেতনের নায্য টাকা যা হিসাবরক্ষণ অফিস আমার ব্যাংক হিসাবে জমা করবে সেটা ১০০০ টাকা ঘুষ না দিলে জমা করবে না বলে জানিয়ে দেয় তিনি জামালপুর সদরে হিসাবরক্ষণ অফিসে কর্মরত। আমি নিরুপায় হয়ে অনেক আবেদন করেও তাকে রাজি করতে পারিনি। ৩ মাস থেকে বেতন বকেয়া ছিলো বিধায় অনন্যোপায় হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে বেতন হিসাবে জমা করাই
চট্টগ্রাম এএফসি নেভী এখানে যেকোন বিল সংক্রান্ত কাজে তাদেরকে ১০% ঘুষ দিতে হয়। না হলে বিল দেয় না।
বেতন উত্তোলনের জন্য আইবাস একাউন্ট খুলতে গেলে অর্থ দাবী করা হয়। অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় দীর্ঘদিন ঝুলে থাকে। উপায়ান্তর না দেখে পরবর্তীতে ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হই
বেতনের জন্য Ibas++ এর অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট এর বকেয়া টাকা তোলার জন্য। বিভিন্ন বিল এর ৫% কাটে
প্রতিরক্ষা বাহিনী ও তার অধিন সকল প্রতিষ্ঠানে অডিট করে। উচ্চপর্যায়ের কমকর্তাদের সাথে মিলে টাকা হাতিয়ে নেয় এবং চাকরির দেয়ায় জন্য বাধ্য করে।
সরকারি চাকুরী। বদলী হলেই এলপিসি লাগে। এজি অফিসে টাকা না দিলে এলপিসি ফরওয়ার্ড হয় না৷ এমনকি দপ্তর প্রধান বলে দেওয়ার পরও কাজ হয় নি৷ অবশেষে ২০০০ টাকা দিলাম। কাজ জলের মত হয়ে গেল।
আমাকে বলা হয়েছিল, সুন্দরগঞ্জে FPI থাকা কালে আমার বাবা বেশি টাকা নিয়েছিলেন যে কারণে আমার বাবার টাকা মার নামে করতে ৮০০০০ টাকা দিতে হবে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস খরচ ও জামাতের এমপি প্রার্থীর সুপারিশ লাগবে। ওনারা হিসাব ঠিক করে মার নামে টাকা তোলার ব্যবস্থা করে দেবেন। সর্বশেষ ১০,০০০ টাকায় কাজটি করে দেন। আমার বাবা মারা যাওয়ার ৬-৭ মাস আমরা তার পেনশনের টাকা উঠাই নি। এর ফলে ওরা সে সুযোগটা নিতে চেয়েছিল।
মৃত্যুর পর সরকারি পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে বারবার ঘুষের দাবির মুখে পড়তে হয়েছিল
আমার শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য একটি অগ্রিম বর্ধিত ইনক্রিমেন্ট পাই যেটা পেতে প্রায় কয়েকমাস লেগে যায়,যার বকেয়া আসে ১০০০০+ টাকা।এই বকেয়া টাকা তোলার জন্যব+ বর্ধিত ইনক্রিমেন্টটা যুক্ত করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ২৯০০টাকা নেয় করিমগঞ্জ এজি অফিস। এটা শুধু আমার জন্য নিছে এমন নাহ আমরা যারাই করিমগঞ্জ সরকারি চাকুরী করি সবার কাছ থেকে এই অর্থ নেয়া হয়ে থাকে।
SFC(Navy) তে tr copy জমা দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করে
ঢাকা এসএফসি যেইকোন বিল পাস বা বিল সংক্রান্ত কাজে ১০% ঘুষ দাবি করে। না দিলে বিল নিয়ে হয়রানি করে, বিল আটকিয়ে রাখে। এই অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে এরিয়া ফাইনেন্স অফিসার পযন্ত ঘুষ নেয়।
বাবা মারা যাওয়ার পর মায়ের নামে পেনশন পরিবর্তনের জন্য সকল কাগজপত্র, ফর্ম পূরণ থেকে শুরু করে সকল কাজ করার পর ও দীর্ঘদিন আমার ফাইলটি আটকে রাখা হয় পরবর্তীতে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে।।। আমি নিরূপায় হয়ে তা পরিশোধ করি ।
চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য ১০ বছরের পাওনা জিপিএফ উঠানোর জন্য ২৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ছি।