To Collect the Pension Money of my Mother
আমার আম্মার NID তে নামের ভুলের কারনে পেনশনের টাকা আটকায় দিয়েছিল, পরে ৫ বছরের টাকা একসাথে দেবার সময় ৮ লাখ টাকা থেকে ১ লক্ষ তাদের কে দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার আম্মার NID তে নামের ভুলের কারনে পেনশনের টাকা আটকায় দিয়েছিল, পরে ৫ বছরের টাকা একসাথে দেবার সময় ৮ লাখ টাকা থেকে ১ লক্ষ তাদের কে দিতে হয়।
টাকা না দিলে ভুল তথ্য দিয়ে হেনস্তা বা স্কুলের এমপিও বন্ধ করে দিবে।
চট্টগ্রাম ট্রেজারি অফিসে প্রত্যেক টেবিলে ফাইল গেলে ন্যূনতম ১০০ টাকা হলেও দিতে হবে। যে ফাইল পাশ করাবে সে কন্টাক্টের মাধ্যমে কাজ করায়। সবাই জানে। তবুও কিছু করার নাই। না দিলে ফাইল প্রসেস হয় না
সরকারি অফিসে অডিট করতে এসেছিল হিসাবরক্ষণ অফিসের আওতাভুক্ত অডিট দপ্তর থেকে। সব ঠিক থাকলেও ৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছে। না দিলে অযথা অডিট অবজেকশন দিয়ে হয়রানি করবে তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
সরকারি চাকরিতে ঢুকে নিজের প্রথম বেতন করতে হলে পে ফিক্সেশন করা লাগে। মিষ্টি খাওয়ার টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘোরায়। এছাড়া যেকোনো প্রাপ্য টিএ ডিএ বিল তুলতে গেলেই মোট বিলের ৩-৫% পর্যন্ত দাবী করে। না দিলে হয়রানি। এটার প্রতিকার চাই।
25000 টাকা খুজছে পেমশন চালু ও gratuity টাকা নিতে সব মিলায় ২৫০০০ টাকা খুজছে পরে ১৫০০০ টাকা দেওয়ার পর বিল করেছে।আর অঙ্গিকার নামায় সাক্ষর নিয়েছে। কোনো টাকা লেনদেন হয় নায় এই নামে
আমার নিজের বেতন থেকে জমানো জিপিএফ এর টাকা ১ লক্ষ উত্তোলন করার জন্য আবেদন করার পর হিসাব রক্ষন অফিসের লোকজন চেক দিতে গড়িমসি করে। পরে ৫০০ টাকা দিয়ে চেক আনতে হয়েছে।
জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল থাকার কারনে পে ফিক্সেশন করাতে পারিনি। পরে সংশোধন করে এরিয়ার বিল করার সময় এক মাসের বেতন দাবি করে রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস।রাঙ্গুনিয়া শিক্ষা অফিস করে ২০০০। আমার মোট বকেয়া বিল ছিলো ৫২০০০/-। পরে ২০০০০/- ঘুস দিয়ে এই বিল এপ্রুভ করাতে হয়। রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের টাকা উত্তোলন করার সময় ২০০০/- ঘুষ দিতে হয়।জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে পে ফিক্সেশন করার জন্য ২০০০/- দিতে হয়। ফেনি হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের একাউন্ট করার জন্য ২০০০/- এবং নতুন বেতন বিল করার সময় ৫০০০/- । এরা হচ্ছে লেখক আবু ইসহাকের জোক।
সেবাটি ছিল ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করার জন্য , যেখানে অল্প পরিমান ইনক্রিমেন্ট এর জন্য এত টাকা দাবি করা হয়েছিল, অনেক অনুরোধ করার পরও তিনি রাজি হয়নি। পরবতীতে সেই পরিমান টাকা দিয়ে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করতে হয়েছিল।
অগ্রিম বর্ধিত বেতন দাখিলের সময় বেতন অনুমোদনের জন্য উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা তার অফিস সহকারীর মাধ্যমে দাবি করেছিল
নোয়াখালীর সেনবাগে প্রথম চাকরিতে জয়েন করার পর এবং নোয়াখালী থেকে চট্টগ্রাম ট্রান্সফার হওয়ার পর। প্রথম বার ১ হাজার, দ্বিতীয় বার ৫ হাজার।
সরকারি চাকরিতে নতুন যোগদান করলে এবং টিএ/ডিএ বা প্রোমোশন বা বেতন সংক্রান্ত যেকোনো কাজে টাকা না দিলে কাজ করে না।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (Divisional Controller of Accounts - DCA) নাসিরাবাদ শিল্প এলাকা, হিসাব ভবন, রোড নং-০৩, হাউজ নং-৬৫/এ, চট্টগ্রাম-এ অবস্থিত। এই অফিসটা ঘুষের আতুরঘর। এখানে আপনি যেই সেবাই নিতে যান না কেন আপনাকে কমপক্ষে ৫% টাকা দিতে হয়। আর যদি না দেন তাহলে মাসের পর মাস আপনার ফাইল একই রকম অবস্থায় থাকে।
জিপিএফ এর নাম্বার চেঞ্জ, হিসাব নেয়া মোট কথা টাকা ছাড়া আপিনি ওদের মুখ থেকে একটা কথাও শুনতে পারবেন নাহ এটা আমি নিজে ডিফেন্সের চাকুরিতে থাকা অবস্থায় আমার সাথে হয়েছে বাকিদের কথা বাদ এই দিলাম স্থান সেগুনবাগিচা
আমার শ্বাশুরীর জিপি এফ চূড়ান্ত উত্তোলনের (২১,০০০০০/-) জন্য ১০,০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছে, তবে ৫০০০ টাকায় রফা হয়েছে।
Govt job ar 1st month ar beton korte misti khawar jonno dite hoy, Auditor der .
সরকারি চাকরিতে ঢুকে নিজের প্রথম বেতন করতে হলে পে ফিক্সেশন করা লাগে। মিষ্টি খাওয়ার টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘোরায়। এছাড়া যেকোনো প্রাপ্য টিএ ডিএ বিল তুলতে গেলেই মোট বিলের ৩-৫% পর্যন্ত দাবী করে। না দিলে হয়রানি।
মিষ্টি খাওয়ার জন্যা বললে। আমার অফিসার বললো ৫০০/- টাকা দিতে। দিলাম। বলে ৫০০/- টাকায় ভালো মিষ্টি হবে না। তারপর মোট ১০০০/- টাকা দিতে হলো।
উচ্চমান সহকারী এর মাধ্যমে অর্থ দাবি করা হয়, নিজের দপ্তর থেকে পাশ করে আনা কাগজপত্রের ভুল, মিথ্যা বিভাগীয় মামলা দায়ের করবে বলে হুমকি দেয় । প্রায় এক বছর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্নভাবে টাকা দাবি করে । বিভিন্ন সময় টাকা নেই, ও সর্বশেষ পেনশন মঞ্জরের সময় একসাথে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয় ।
আমার বিল সাবমিট করার পরে বিল আসেনা তাই অফিসে গিয়ে খোজ নিলাম বলে টাকা নাদিলে বিল হয় আন্য দের কাছ থেকে নই অধেক এখন সময় খারাপ তাই ৩০০০। দিতেই হবে।