নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চাকরিতে যোগদানের পর বেতন করার জন্য জন প্রতি ২০০০/- দিতে হয়েছিল। পরবর্তীতে জিপিএফ এর একাউন্ট খোলার জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।
চাকরী হতে অব্যাহতি নিয়ে অন্য চাকরীতে যোগদান করার সময় ৩০০০টাকা দাবী করে বসে হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর মহোদয় চা মিস্টি খাওয়ার জন্য। না হলে কাজ দেরী হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। টাকা দিয়ে অব্যাহতি বাবদ অফিসের সকল লেনদেন সমাপ্ত করি।
প্রথম বেতন লাগানো, এলপিসি, শ্রান্তি বিনোদন, অফিসের আনুষঙ্গিক বিল উত্তোলন ৫% ছাড়া বিল পাস করে না। নানা অজুহাত দেখায়, ভুলভাল বের করে। সবাই সিন্ডিকেট করে। কেউ কোন সমাধান দেয় না। মানুষকে সম্মান করে না। সব হিসাব রক্ষন অফিসের একই চিত্র।
বেতন সমতাকরণ বিল করতে যেয়ে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ৩৭ জনের বিল করতে যেয়ে জন প্রতি ৩০০০ টাকা করে পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়েছে।
বেতন আটকে ছিলো। বেতন যেখানে তাদের মানবিক কারনে হলেও কাজ দ্রুত করে পরিশোধ করার কথা, ৭ মাসের বেতন তোলার জন্য ৫০০০/- দিতে হয়েছে। বাধ্য হয়েছি দিতে। আরও অর্থ দাবি করতে পারে। বেতন এখনো পাওয়া যায় নাই।
সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে সাপ্লাই করা পন্যের বিল পাস করতে আর্মি এসএফসি থেকে বিল পাশ করতে হয়। সেখানে বিভিন্ন রকম হয়রানির সম্মুখীন হতে হয় প্রতিনিয়ত। মোট বিলের ১% টাকা ঘুষ না দিলে সেই বিল আর পাশ হয়না। সেখানে কর্মকর্তাগন নিজেদের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী মনে করে সবসময়। টাকা ছাড়া কোনো বিল পাশ হয়না।
জিপিএফ এর টাকা উত্তোলনের জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে ২% দিতে হয়েছে । আর এখানে বিন্দু পরিমাণ টাকা ছাড়া কোনো কাজ সম্ভব না,
ঘুস দেয়া ছাড়া এই এজি অফিসে টিএডিএ তুলা অসম্ভব। তাই বাধ্য হয়ে ঘুস দিয়েছি। সময়কাল ২০২৫-২০২৬ অর্থবছর।
দেশে ৮/১০ টা মিলিটারি ফার্ম এ গরুর খামারের জন্য উন্মুক্ত টেন্ডার এর মাধ্যেমে গো-খাদ্য সরবারাহের কাজ দেয়া হয় এবং কাজ শেষ করে সব রিসিভ ডকুমেন্ট নিয়ে মহাখালি প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তর এ বিল এর ব্যাংক চেক পাস করাতে মোট বিল এর 1 % ঘুশ দেয়া বাধ্যতামূলক। আমি ভুক্তভোগী, ব্যাবসায়ীক মুলধন ঝুলিয়ে রাখা & সিস্টেমের ভয় দেখিয়ে ঘুস দিতে বাদ্ধ্য করানো হয়। আমার মত অসংখ্য ব্যাবসায়ী তাদের প্রতারনার শীকার। অনেক কস্টে কাজ শেষ করতে পারলও কেউ লস ছাড়া লাভ করেতে পারে না এখানে, সব পকেট কেটে ছিনতাই করে নেয়া হয় এই DGDP ভবনে। সঠিক তদন্ত & ন্যায় বিচারের দাবি রইল.....আত্তার কস্টই অভিশাপ।
পি এল পি সি গ্রহণ। দীর্ঘদিন ধরে আজ দিব কাল দিব করে ঘুরাচ্ছিল। এরপর সার্ভিস বই সহ বিভিন্ন কাগজপত্রের নানা রকম সমস্যা দেখাচ্ছিল। এরপর বিরক্ত হয়ে ৩০০০ টাকা প্রদান করি। সে বলে এগুলো কাজ কি ৩০০০ টাকায় হয় আরো কিছু বাড়াই দেন। তাকে বলি ভাই এটা দিয়েই করেন পেনশনের আরো তো অনেক কাজ আছে পরে দেখা যাবে। এরপরে উনি পরের দিনই কাজটি করে দেয়।
সরকারি সকল বিল তুলতে গেলে ৫-১০% ষুষ এবং সকল প্রজেক্টের অডিট টিমকে টাকা দিলে মেরে খাওয়া টাকা বৈধ হয়
আমার অফিসের বাজেট উত্তোলনের সময় এজি অফিস থেকে ৫% দাবি করা হয় যা আমি দিতে বাধ্য হই। তাছাড়া টিএডিএ বিল উত্তোলনের সময়ও প্রতিবার ৫% করে অর্থ দিতে আমাকে বাধ্য করা হয়। অডিট ক্যাডারদের কাছে জানানো হলে তারা বলেন এটা প্রেক্টিশ, তাদের কিছু করার নেই।
প্রতিটি বিলে ৩.৫%-৫% চাদা দাবী করে হিসাবরক্ষণ অফিস কর্মকর্তারা।অন্যথায় বিল উঠে না। এই চাঁদা পরিশোধ করে বিলের টাকা তুলতে হয়।
Taka chara hobe na, onek niyom dekhay. Jhulay rakhe
চাকরীতে যোগদান এর পর বেতন চালু করতে ২০০০টাকা দাবী করে।অন্যথায় অর্থ বছর শেষ হয়ে গেলে বেতন না পাওয়ার ভয়ভীতি দেখানো হয়। ২০০০টাকা পরিশোধ করে বেতন চালু করি।
সরকারি চাকুরিতে জয়েন করার পর পে ফিক্সেশনের কাজ করার সময় জন প্রতি ১০০০৳ দাবি করে এবং আদায়ও করেন। কিছুদিন আগে গিয়েছি জিপিএফ একাউন্ট ওপেন করতে আবার জন প্রতি ৫০০৳ দাবি করা হয় আমাদের হাতে টাকা না থাকায় তখন জন প্রতি ৪০০৳ করে নিয়েছে।
আমার চাকরীর কর্মস্থল বদলী হওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার জন্য LPC বাবদ ৩০০০টাকা দাবী করা হয়। পরিশোধ না করায় আমার LPC দীর্ঘদিন না পাঠিয়ে আটকে রাখে এবং আমার বেতন পেতে বিলম্ব হয়।পরবর্তীতে সেই টাকা পরিশোধ করে LPC পাঠানো হয়।
দুটি অনুমোদিত ইনক্রিমেন্ট শুধুমাত্র আইবাসে হালনাগাদ বাবদ দেওয়া টাকা।
সোনারগাঁ থেকে সদর এ বদলি হই সেপ্টেম্বর/২০২৫ এ, তখন থেকে বেতন বন্ধ। রুপগঞ্জ LPC করে জমা দিলেও নানান নাটকিয়তা শুরু করে। ৮ মাসের বেতন বকেয়া করে, দেই দিচ্ছি করে ঘুরাচ্ছিল। অবশেষে ১০,০০০৳ বিনিময়ে বেতন একসাথে ৮ মাসের ও নববর্ষের বোনাস পাই একসাথে।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।