অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট
বিসিএস ননক্যাডার টেকনিক্যাল নবম গ্রেডে যোগদানের সময় দুইটি অগ্রিম বেতন বৃদ্ধির জন্য ২০০০০( বিশ হাজার) টাকা চায়। টাকা পরিশোধের পর দুইটি ইনক্রিমেন্ট পায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিসিএস ননক্যাডার টেকনিক্যাল নবম গ্রেডে যোগদানের সময় দুইটি অগ্রিম বেতন বৃদ্ধির জন্য ২০০০০( বিশ হাজার) টাকা চায়। টাকা পরিশোধের পর দুইটি ইনক্রিমেন্ট পায়।
চাকরির প্রথম বেতন তুলতে ঘুস ছারা ফাইলে হাত দেই না উনারা। একসাথে চাকরি হওয়া আমরা ২০২৩ সালের সহকারী শিক্ষক বেতন বাতার জন্য আবেদন করেছিলাম । সকল ডকুমেন্টস যাচাই করে জমাও দিয়েছিলাম। তারপরও দিনের পর দিন ঘুরতে হয়ে উনাদের পিছনে। কাজ করতে চাপ সৃষ্টি করার পর ফাইলে হাত দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে ভুল ধরার চেষ্টা করেছে। কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও গ্রহণ করতে অপারগতা দেখিয়েছে। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে দিয়ে টাকা চাওয়া হয়েছে, টাকা না দিলে নাকি এগুলো এভাবেই পরে থাকবে। ৩ মাসে বেতন আটকে ছিলো আমরা পরে দিতে বাধ্য হয়।
সরকারি ঠিকাদারি কাজের বিল উত্তোলনের জন্য
যশোর হিসাবরক্ষণ অফিসে, সরকারি চাকরিজীবিদের বেতন চালু করার কাজ সম্পাদন করে। আমি একজন বিসিএস ক্যাডার হওয়া সত্ত্বেও ২০০০ টাকা ঘুষ বা উপরির বিনিময়ে বেতন চালু করেছি। ঘুষ না দিলে বিভিন্ন বাহানা দেখায়, কাজের চাপ দেখায়, ভুল ধরে, নিয়ম বহির্ভূত ডকুমেন্ট চায়।
প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে যোগদান সম্পন্ন করে বেতন আইবাসে (সরকারি চাকুরেদের বেতন দেওয়ার সফটওয়্যার) যুক্ত করাতে গিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল। ঘুষের অর্থ শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছিল।
আমার আব্বুর রিটায়ারের, জন্য, office থেকে কাগজ পাশ করানোর জন্য চেয়েছে।
যে, সরকারি চাকরিজীবীদের LPC রিসিভ ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রতি LPC-এর জন্য ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা অননুমোদিতভাবে দাবি/গ্রহণ করা হয়।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ধামইরহাট, নওগাঁয় আমরা ১৫ জনের মতো ক্যাডার অফিসার জয়েন করি। পে ফিক্সেশন নিজেরাই করি। কিন্তু প্রথম বেতন প্রাপ্তির আগে একাউন্ট অফিসে সবার কাছে থেকে ১০০০টাকা করে নিয়েছে। সেটা ছিল চাকরিজীবনের প্রথম ঘুষ প্রদান।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
আমার জিপিএফ ফান্ড অনলাইন করার জন্য SFC Air, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট অফিসে গেলে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়, পরে আরেকজন সাহায্য নিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে অনলাইন করা হয়।
টিএ বিল 2000 দাবী করছিল
আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগে যারা শিক্ষকতায় জয়েন করি তাদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বর্ধিত ইনক্রিমেন্টের গেজেট থাকলেও এজি অফিস এটা করে দেওয়ার জন্য আমাদের থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে। সর্বশেষ ২৫০০ টাকার করতে পারবে না বলে জানায়।পরে আমরা দাবিকৃত অর্থ দিয়ে কাজ করিয়ে নেই।এজিতে টাকা ছাড়া কেউ কথা পর্যন্ত বলে না বিশেষ করে অডিটরগুলো টাকা ছাড়া কিচ্ছু করে না। এদের হাতে সবাই জিম্মি।
বিল প্রসেস করার জন্য মিষ্টির টাকা দাবি করেছিল সিএফও পররাষ্ট্র অফিস।
আমার আম্মুর পেনশনের টাকা প্রতি মাসে ব্যাংকে চলে আসতো আর ওই টাকা আমরা বছরে একবার অথবা দুইবার ব্যাংক থেকে উঠিয়ে নেই l কিন্তু যখন আমরা কিছুদিন আগে ব্যাংকে টাকা নিতে গিয়েছিলাম দেখলাম আম্মুর একাউন্টে কোন টাকা নেই l পরে আমরা জেলা হিসাবরক্ষকের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম এবং এ বিষয় জানতে চাই যে কেন টাকা আমাদের একাউন্টে আসেনি l এবং তারা বলছে দুদিন পর আসুন আমরা দেখব কি প্রবলেম হয়েছে l তারপর আমরা যখন অফিসে উপস্থিত হই দুই দিন পর তখন তারা আমাদের কাছ থেকে 15000 টাকা দাবি করে l তারপর আমরা 12000 টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে বাধ্য হই এবং এর আগেও একবার তারা সেইম সমস্যা ফেলে আমাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিল সেটা অন্য একদিন বলব l
নতুন বেতন চালু করতে গেলে এবং ইনক্রিমেন্ট এড করতে বললেই ঘুষ চায় এবং যতদিন ঘুষ দেয়া না হয় ততদিন কাজ করে দেয়া হয় না।
আমরা নৌবাহিনীর সদস্য ডিপুটেশনে বদলী গেলে ব্যাক্তিগত জিপিএফ ফান্ডের টাকা কাটার পর টিআর কপি দেয়। পুনরায় নৌবাহিনীতে ফেরত আসার পর সেই টিআর কপি আইবাস++ এ আপডেট করতে হয় এসএফসি (জিই নেভী) এর মাধ্যমে। উক্ত কাজের জন্য এসএফসি (নেভী) তে কর্মরত সিভিলিয়ান টাকা চেয়ে ফোন করে। টাকা না দিলে বছরের পর বছর পরে থাকলে আপডেট হয় না এবং বিভিন্ন টিএডিএ ক্লেইম করলেও তারা ফোন করে বিকাশ নম্বর দেয়। টাকা না দিলে অর্থ আটকে দেয়। পেনশনারদেরকে একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। টাকা দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। এই ডুকুমেন্ট নিয়ে আসেন । আপনার ঐ ডুকুমেন্টে সমস্যা। আজকে না সামনে মাসে আসেন। প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়।
গ্রেড উন্নতির কারণে আমাদের প্রায় ২৫০ সহকর্মীর প্রত্যেকের নিকট থেকে ২০০ টাকা করে ঘুষ চাওয়া হয়। ঘটনাটি ২০২১ সালের। পরে প্রত্যেকে ২০০ টাকা করে উঠিয়ে এজি অফিসে প্রদান করা হয়।
To pass my bill. The auditor from FC army pay-1 demanded bribe from me. It is a regular and common issue the concern auditor ask for bribe before passing any kind of bill of army officers.
আমার অফিসের মাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, বিল পাশ করতে খরচ হবে।
আমাদের পাঁচ জনের বদলী জনিত কারণে এক স্টেশন হতে অন্য স্টেশনে গমনের প্রাক্কালে ভ্রমণ ভাতা হিসেবে দাবি করা হয় ১,০৩,৩৫৭. ০০ টাকা। নিয়ম মোতাবেক ভ্রমণ বিলটি সঠিক এবং আমরা প্রাপ্য। কিন্তু এই বিলটি পাস করার জন্য এফসি আর্মি পে-২ এর অডিটর আমাদের কাছ থেকে ১৫% হিসেবে ঘুষ দাবি করে। আমরা ঘুষ দেওয়ার পরে কথা প্রকাশ করায় সে আমাদের বিলটি পাশ করছে না। ১৫০০০/- টাকা ঘুষ দিলে বিলটি পাস করবে।