নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মিলিটারি ফার্ম এ প্রতি ৬ মাস /১ বসর পর পর গরুর খামার এর জন্য গো-খাদ্য সরবারাহের জন্য উন্মুক্ত টেন্ডার দেয়া হয়। এই গো খাদ্য সরবরাহ শেষ করে বিল/ব্যাংক চেক নিতে মহাখালী, DGDP অফিস এ মোট বিল এর ১% ঘুস দেয়া বাধ্যতামূলক। না হলে চেক পাস হয় না, এবং এই টাকা ক্যাশ / মোবাইল ব্যাংকিং, অনেক সময় অফিস সহকারী /পিওন এর মাধ্যমে দিতে হয়। আমি নতুন, এসব না বুঝে, একবার কাজ করে অনেক লস করে, তওবা করেছি। টাকার ভাগ উপর মহলে যায়, সবাই সব কিছু জানে।অনেক কস্টের হকের উপার্জন যখন অন্যায় ভাবে ছিনিয়ে নেয়, সিসটেম এর ভয় দেখিয়ে, তখন ছল ছল, অবাক, অপলক, নয়নে তাকিয়ে দেখি শুধুই নিজের বুকের রুক্তখরন, আর ভাবি এই দেশে জন্ম নেয়াই একটা বড় ভুল, যার মাসুল দিচ্ছে অগনিত দেশপ্রেমিক, ব্যাবসায়ী সহজোদ্ধা...আত্তার কস্টই অভিশাপ।
পোস্টিং হওয়ার পর এলপিসি কর্মস্থলে পাঠাতে টাকা দিতে হয় না দিলে ৬ মাসেও এলপিসি যায় না বেতন ও হয় না।পোস্টিং হয়ে আসলে এলপিসি রিসিব করাতেও টাকা দিতে হয় না দিলে ফেলে রাখে দীর্ঘদিন। বেতন না হওয়ার দরুন প্রবল আর্থিক সংকটে পড়তে হয়।তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়
আবেদন করার পরও টাকা না দেয়া পর্যন্ত দেয় নাই
এফসি (বিবিধ) এর অডিটর টিএ/ডিএ বিল করার জন্য ১৪% হারে ঘুষ দাবি করে।
নতুন চকরিতে যোগদানের জন্য পে ফিক্সজিশন করার সময় জন প্রতি ২০০০টাকা
৪৩০০০ টাকা এরিয়াল বিলের বিপরীতে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি, সেটা আমার বেতনের সাথে যোগ করার জন্য মিষ্টি খাওয়ার টাকা
টিএ বিল উত্তোলন থেকে শুরু করে নতুন পে ফিক্সেশন, জিপিএফ ফান্ড খুলতে গেলেই কমিশন দিতে হয়। এভাবে একেকটি খাতে ২০০০-৩০০০ টাকা অবশ্যই দিতে হবে। মানে টাকা ছাড়াই কোন কাজ নেই। তাছাড়া পেনশনে গেলে শুরুর এককালিন প্রাপ্য অর্থ থেকে আপনাকে অবশ্যই ৫% দিতেই হবে।
চাকুরি ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড লাগাতে ২০ দিন ঘুরিরে ৬০০০ টাকা নিয়েছে।
চাকুরীর প্রথম থেকে অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন হওয়া বেতন বৃদ্ধি মুলবেতনের সাথে যোগ করে মুলবেতন পুনর্নির্ধারণ ও বকেয়া বেতন পরিশোধ করা
বেতন বিল চালু করতে টাকা নিয়েছিল
উপজেলার সব ইউনিয়ন পর্যায়ের অফিসে অডিট করার জন্য ঢাকা থেকে টিম এসেছিলো। বর্তমানে ভূমিসেবা সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড হয়ে যাওয়ার ফলে সেবা দেওয়ার জন্য ইন হ্যান্ড ক্যাশ নেওয়ার অপশন নেই। ফলে তার কোনো অডিটেরও দরকার নেই। তবুও ফর্মালিটিজ এর জন্য অডিটে এসেছিলো। উপজেলার ১৫টা ভূমি অফিস থেকে ১০০০০০টাকা ঘুষ দাবি করেছিলো। দরদাম করে ৭৫০০০ হাজারে ফিক্সড করে তা তাদের দিতে বাধ্য করেছিলো। যারা যারা কেন দিতে হবে বলে কথা তুলেছিলো তাদের অডিট আপত্তি দিয়েছিলো।
বেতন করতে সার্ভিস বুক, এজি অফিসে গেলে, তখন দেওয়া লাগছে। ১ম বার ১০০০ টাকা দিছিলাম, করে দেয় নি উল্টো আমার ফিক্সেশন কাগজ টা অডিটর বদলি হওয়ায় সাথে করে নিয়ে গেছিল। পরে অন্য অডিটর কে ৩৮০০ টাকা দিয়ে বেতন করেছি।
ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি অফিসের অডিট করতে এসেছিলো
যেকোনো ধরনের বিল পাশ করতে টাকা দাবি করে না হলে বিল পাশ করে না
টাকা আগে থেকে না দিলে বেতন চালু করেনি।
বুনিয়াদি প্রশিক্ষনের ভ্রমণ বিল করেছি কিন্তু সেটা দেয়নি
ভ্রমণ ভাতা বিল পাশ করতে গেলেই হিসাবরক্ষণ অফিসকে বিলের ৫% দিতে হয়। না হলে বিল পাশ হয় না।
Demand money for paid my ta da bill
হিসাবরক্ষণ যে কোন সেবা নিতে গেলেই স্পিড মানি দিতে হয়। নইলে ফাইল পার হয় না।