সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬১৯ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
হিসাব রক্ষণ অফিস

পেনশন

আমার পেনশন এর টাকা ছাড়করন করার জন্য কাফা থেকে একজন ভদ্রলোক ফোন দিয়ে নানা ভাবে ফাইলের সমস্যা দেখিয়ে তার সমাধান হিসেবে ২০ হাজার টাকা দাবি করে এবং উক্ত টাকা যতদিন পরিশোধ করিনি ততদিন আমার ফাইল আটকে রেখেছে।টাকা দিলে ফাইল এবং টাকা দিয়েছে।আর এই সমস্যার ভুক্তভোগী প্রতিটি মানুষ।আশেপাশে পেনশন বা আফা থেকে টাকা প্রাপ্তি অথবা যে কোনো সেবা গ্রহন করেছে এমন কোনো ব্যাক্তি যদি পরিচিত থাকে তাদের থেকে জিজ্ঞাসা করবেন,সবারই একই কাহিনী। ভাগ্য ভালো মৃত্যু এর সাথে কাফার সম্পর্ক নাই,নাহলে লাশ দাফনেও তাদেরকে ঘুষ দিতে হতো না হলে লাশ ছাড়ত না।আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুন,আমিন।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১৭.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

যোগদান, জিপিএফ, বদলি, টিএ ডিএ বিল সহ যাবতীয় সকল বিল থেকে কমিশন।

হিসাবরক্ষণ যে কোন সেবা নিতে গেলেই স্পিড মানি দিতে হয়। নইলে ফাইল পার হয় না।

শুধু দাবি করেছে
রংপুর ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

পাওনা ছুটি ফর্মে ছুটি পাওনা মর্মে প্রতিবেদন প্রদান

অর্জিত ছুটি নিতে হিসাবরক্ষণ অফিসের প্রতিবেদন প্রয়োজন হয়। সেটা নিতে গেলে অডিটর ৫০০টাকা দাবি করে। এটা প্রদান করে উক্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়।

ঘুষ দিয়েছি
মাদারিপুর ৳৫০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক

আমি একজন নতুন প্রবাসী। আমার ভিসা এবং অন্যান্য সকল কাগজপত্র ঠিক আছে। আগামী ২১শে সেপ্টেম্বর আমি সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা দেব। কিছুটা টাকার সমস্যা থাকায় আমি ফেনীর প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ঋণের (লোন) জন্য গিয়েছিলাম। ​ব্যাংক থেকে জানানো হয়—ঋণ পেতে হলে একজন ব্যবসায়ী জামিনদার ও তাঁর ট্রেড লাইসেন্সের মূল কপি দিতে হবে, এবং একজন সরকারি চাকরিজীবী জামিনদারের স্বাক্ষর করা ৩টি ফাঁকা (ব্ল্যাঙ্ক) চেকসহ তাঁর অফিসিয়াল আইডি কার্ডের কপি জমা দিতে হবে। আমি তখন বলি—'আমার তো এত কিছু নেই; তবে আমার পরিবারের জামিনদারের চেক এবং জমির দলিল দেওয়া যাবে।' কিন্তু তারা জানায়, এতে হবে না। ​এভাবে ৩ দিন ঘুরানোর পর, একদিন ব্যাংকের এক কর্মী আমাকে বলেন—'২০,০০০ টাকা ঘুষ দিলে ৪ লাখ টাকা লোন করিয়ে দেব, আর কোনো কাগজপত্র বা জামিনদারও---

ঘুষ দিইনি
ফেনী ৳২০.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

"এলপিসি" রিসিভ।

আমার সরকারি চাকুরীর যোগদানপত্রে সংযুক্তিতে উল্লেখ থাকার কারণে তিনি "এলপিসি" রিসিভ করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। তারপর একজন অডিটর বললো যে টাকা না দিলে এলপিসি এপ্রুভ হবে না। তারপর দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করলে এলপিসি রিসিভ করা হয়।।।

ঘুষ দিয়েছি
নেত্রকোনা জেলা হিসাবরক্ষণ অফিস।। ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

ট্রেনিং ভাতা বিল পাশ

ট্রেনিং ভাতা ও অন্যান্য সম্মানী বিল পাশ করার জন্য প্রতি মাসেই চেয়েছে, আমরা দিয়েছি, অন্যথায় বিল পাশ করে নাই

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

Payment of consultancy fee

To receive consultancy fee I was asked to pay bribe to the officer unless the cheque will not be cleared until the end of that financial year. I had to pay the bribe as there were no other option left for me as I could not get any support from the issuing government authority nor I didn’t have any information to reach out to the right government agency who could take action against it.

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳২০.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

আই ব্যাস প্লাস এর মাধ্যমে আমার ব্যাংক একাউন্ট পরিবর্তনের জন্য

বদলি হওয়ার কারণে আমি আমার পূর্বের কর্মস্থল থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করি, যোগদান করার পর আমার অ্যাকাউন্ট নতুন কর্মস্থলে ট্রান্সফার করা হয় তা ঠিক করতে, এবং ব্যাংক একাউন্ট পরিবর্তন করতে আমার কাছ থেকে নাস্তা পানির খরচ দাবি করা হয়, পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমি তা দিতে বাধ্য হই। আমার দৃষ্টিতে এটা সম্পূর্ণ চিহ্নিত কাজ।

ঘুষ দিয়েছি
চরফ্যাশন, ভোলা ৳১.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

ভ্রমণভাতার ৫% ঘুষ

আইবাসে ভ্রমণের বিল সাবমিট করলে এজি অফিস ঘুষ গ্রহণ ছাড়া বিল অনুমোদন করে না। বিলের ৫% হারে টাকা নেই। এছাড়াও, অফিসের যেকোন কেনাকাটায় ৫% হারে ঘুষ দেওয়া লাগে। উল্লেখ্যে, নতুন বেতনবিল করার সময় অর্থাৎ, আইবাসে এন্ট্রি নেওয়ার সময় ২০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছিলো।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳২.৫ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

প্রতিটি বিল পাস করার জন্য 5 থেকে 10 পার্সেন্ট দাবী

বিভিন্ন সময়ে সর্বসাকুল্যে সব টাকা কোম্পানিক প্রদানের জন্য সমস্ত ডকুমেন্ট প্রদান করলেও অডিটর, সুপার, অ্যাকাউন্ট অফিসার সবাই মিলে গড়ে পাঁচ থেকে দশ পার্সেন্ট করে টাকা দাবি করে। না দেয়ার কথা বললে তারা বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করে। এছাড়া এই ডকুমেন্ট ঠিক নেই ওই ডকুমেন্ট ঠিক নেই এগুলো বলে। পরে যদি টাকা দিয়ে দিই তাহলে তারা সব বিল পাস করে দেয়। কিন্তু তারা বলে বাংলাদেশের কন্ট্রোলার ও অডিটর জেনারেল অফিসের যারা আছে তারা তাদের কাছ থেকে একটা পার্সেন্টেজ নেই, তাই তারা শুধু একা ঘুষ খায় সে বিষয়টি ওরকম নয় বরং সবাই এর ভাগ পায় তা না হলে কিভাবে তারা সকলে ঢাকা শহরে বাড়ি করে গাড়ি করে। এই ঘুষ বন্ধ করতে হলে সবাইকে ঢাকা শহরে যে কয়টি ফ্লাট আছে প্রত্যেকের আয়ের উৎস খুঁজে বের করলে তখন একমাত্র সম্ভব হবে।

ঘুষ দিয়েছি
অডিটর জেনারেল অফিস, সেগুন বাগিচা ৳৫০.০০ লাখ
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

পে ফিক্সেশন

উপজেলায় ৭০ জন নিয়োগ পেয়েছিলাম, সবাই একত্রে টাকা উঠিয়ে ২ জন প্রতিনিধির মাধ্যমে জন প্রতি ৪০০ টাকা করে ঘুষ দিয়েছি ( তারা বাধ্য করেছে দিতে, নইলে বেতন চালু হতে দেরি হইতো অনেক)

ঘুষ দিয়েছি
কেরাণীগঞ্জ ৳৪০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য