এল পি আর এবং পেনশন সংক্রান্ত (FPO AEC & ACC Office)
LPR এর বিল ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে পাওয়ার কথা থাকলেও আজ ছয় মাস চলছে এখনো বিলটি পাইনি কারণ আমি তাদের চাহিদা কৃত অর্থ অর্থাৎ ঘোষ আজও পরিশোধ না করায় আমার বিলটি তারা পেন্ডিং রেখেছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
LPR এর বিল ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে পাওয়ার কথা থাকলেও আজ ছয় মাস চলছে এখনো বিলটি পাইনি কারণ আমি তাদের চাহিদা কৃত অর্থ অর্থাৎ ঘোষ আজও পরিশোধ না করায় আমার বিলটি তারা পেন্ডিং রেখেছে
বেতন-ভাতা বিল ফিক্সেশন ও যাতায়াত ভাতা বের করে দিবে বলে ১০০০ টাকা মিডিয়াকে দিয়েছি।
বেতন চালু করতে ১৫০০ টাকা দিতে হয়েছিলো যেটি তাদের নৈমিত্তিক কাজের মধ্যেই পড়ে৷ টিএডিএ বিল করতে একবার ১৫০০ দিয়েছি আরেকবার ২০০০ দাবি করেছে৷ এটি না দিলে বিল ছাড়বে না৷ আমার কথা হচ্ছে,আমার বিল যদি সঠিক না হয় তাহলে তারা ডাকুক আমাকে সংশোধনের জন্য৷ ঘুষ কেন চাইবে
আমি ও আমার ৪ কলিগ বকেয়া বেতন এরিয়ার হিসেবে পেয়েছিলাম। টাকা ছাড় করতে আমাদের ১০০০০০ টাকা দিতে হয়েছে।টাকা না দেয়া পর্যন্ত বিভিন্ন হয়রানি করেছে।
টিএ ডিএ বিলের টাকা খেয়েছে। তাদের ৫% না দিলে ফাইল নড়ে না।
বেতন কাঠামো নির্ধারন করার জন্য। নতুন সরকারি চাকরি জীবী বেতন কাঠামো ঠিক করার জন্য এজি অফিস ২ মাস ঘুরাইছে। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ দিলাম।পরে কাজ হয়েছে
অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি
বেতনের কাজ করার জন্য। আমার নতুন চাকরি বেতন কাঠামো নির্ধারন করানোর জন্য ২ মাস ঘুরাইছে। পরে ৫০০।দিলাম
শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা উত্তোলন এর জন্য অফিসে গিয়ে সারাদিন ঘুরাঘুরি করেছি। দায়িত্বরত অফিসার বলে, বড় স্যার ছুটিতে আছেন, আজকে হবে না, ৭দিন পর আসেন, এখন এপ্লিকেশন করে যান, এরপর স্যার আসলে ফরোয়ার্ড করে দিব, ভাতা পেতে আরও প্রায় ২/৩ মাস লেগে যাবে। সারাদিন ঘুরাঘুরি করে অবশেষে যখন ক্লান্ত, তখন একজন বলল এসব কাজ এত সহজে হয় না, ৫০০০টাকা দেন দেখি কিছু করা যায় কিনা। তখন নিরুপায় হয়ে পকেটে ৩০০০ ছিল, সেটা দিয়ে দেই। যে কাজ সারাদিন ঘুরেও হচ্ছিল না, সে কাজ টাকা দেয়ার পর ৫ মিনিটের মধ্যে হয়ে গেল। ২দিনের মধ্যে ভাতাও পেয়ে গেলাম। দিজ ওয়াজ ম্যাজিক। সরকারী কর্মকর্তাদের যদি ঘুষ দিয়েই টাকা উদ্ধার করতে হয়, তাহলে সরকার কেন তাদের বেতন দিচ্ছে???
আমারা যারা সরকারি চাকুরী তাদের এক কর্মস্থল থেকে অন্য কর্মস্থলে বদলি হলে একাউন্স অফিস থেকে একটা শেষ বেতনের প্রত্যয়ন নিতে হয়। এটা নিতে গেলে ও তাদের টাকা দিতে হয়। আবার নতুন কর্ম স্থলে রিসিভ করালেও তাদের কমপক্ষে 500 টাকা দিতে হয়। এবং যে কোন সরকারি বিলে তাদের 5% কমিশন দিতে হয়। যে কোন নিয়ম এর মধ্যে নেই। টাকা না দিলে অযথা ঘুরাবে। টাকা দিলে আর কোন আইনের বাধ্যবাদগতা থাকে না।
Amar babar pensionr tk tulte. 1year ghuralo,tarpor ghush deate file approve holo
শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা উত্তোলন এর জন্য অফিসে গিয়ে সারাদিন এক দরজা থেকে আরেক দরজায় গিয়েছি, দায়িত্বরত অফিসার বলে আজকে হবে না, বড় স্যার ছুটিতে আছেন। ২/৩দিন পর আসেন, তারপরও কাজ হবে কিনা সিউর না, অনলাইন আবেদন করতে হবে, এই করতে হবে, সেই করতে হবে, এরপর টাকা পেতে প্রায় ১/২ মাস লেগে আবে। সারাদিন এই দরজা ওই দরজায় ঘুরাঘুরির পর ১জন এসে বলল, ৫০০০টাকা দিন, দেখি কিছু করা যায় কিনা। পরে আমার সাথে ৩০০০ টাকা ছিল, সেটা দেই। টাকা দেয়ার ৫ মিনিটের ভিতর ওই অফিসার কাজ শেষ করে দিল, বলল আর কিছু করতে হবে না, আপনার ভাতা ২দিনের ভিতর পেয়ে যাবেন।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর পেনশনের টাকা মায়ের নামে ট্রান্সফার করার জন্য প্রায় ৬–৮ মাস বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করেও কাজটি সম্পন্ন করতে পারিনি। পরে নওগাঁর একজন স্থানীয় পরিচিত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে SP অফিসের পেনশন সংক্রান্ত কাজ যিনি দেখেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলি এবং পেনশনটি মায়ের নামে ট্রান্সফার করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। তিনি কাজটি করে দেওয়ার কথা বললেও পরবর্তীতে এ কাজের জন্য তিনি আর কোনো টাকা নেননি। তবে ট্রেজারি অফিসে ফাইল ছাড়ানোর জন্য প্রায় ২–৩ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল। এছাড়া পেনশন বই তোলার সময় আরও প্রায় ১ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল বলে মনে আছে।
পেনশনের মাসিক ভাতা চালুর করার জন্য নিতে হয়েছে, স্বামী মৃত্যু পর স্ত্রী নামে চালু করার জন্য দিতে হয়েছিলো
অফিসার: পে ফিক্সেশন এর কাজ তো অনেক দেরি হয়।আমরা এটা জমা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা ফোন দিলে আসবেন। কাগজ পত্রের উপর অনেক লাল কালী দিলেন।আর বললেন এগুলো তাদের অধিকার। আর একদিনে তো সব অফিসার থাকে না।আপনি এক সপ্তাহ পর খোজ নিয়েন।আমার ফোন নাম্বার নিয়ে যান। আমি বললাম আমার নতুনচাকরি একটু তাড়াতাড়ি করে দিলে বেতন টা পেতাম।এমনিতে অনেক দিন হয়ে গেছে সব কাজ করতে।উনি কোন কথা শুনতে রাজি নয়।আগের কথার পূনাবৃত্তি।পাশের একজন বললেন চা নাস্তার টাকা দিলে কাজ তাড়াতাড়ি করে দিবেন। পরে অফিসারের হাতে অফিসেই ২৫০০/ টাকা দিলাম।কাজ একদিনের ভিতরে হয়ে গেছে। আবার বলে আপনার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। কিছু না বলে চলে আসলাম।এই হচ্ছে তাদের অবস্থা।
আমার অফিসের ক্যাশ সরকার নতুন বেতন চালু করার জন্য আমি এবং আমার ব্যাচের অন্যদের কাছ থেকে ১০০০ টাকা করে চেয়েছিলো। চাকরি নিয়ে টাকা লাগে নাই কিন্তু বেতন চালুর জন্য টাকা দিয়ে বাধ্য হয়েছিলাম। অন্যথায় বেতন আটকে থাকবে। ক্যাশ সরকার বলেছিলো এজি অফিসকে মিষ্টি খাওয়ানোর টাকা। তবে একটা অংশ সম্ভবত ক্যাশ সরকারের পকেটেও যায়।
আমি সরকারি চাকুরী করি, সে লক্ষ্যে আমার ঢাকা থেকে সিলেট পোস্টিং হয়। সরকারি আদেশ অনুযায়ী পোস্টিং হওয়ার ১-২ মাসের মধ্যে বেতন কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। কিন্তু আমার প্রায় ৫ মাসের অধিক সময় হয়ে যাওয়ার পরেও বেতন হচ্ছিলো না। অতঃপর আমি সিলেট হিসাব রক্ষক অফিসে যোগাযোগ করি তারা আমাকে জানায় যে আমার ফাইল টি এখনো ঢাকা থেকে আসে নাই। অতঃপর আমি ঢাকা হিসাব রক্ষক অফিসে যোগাযোগ করি। তারা আমাকে বলে যে আমার ফাইলটি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এভাবে আরও এক থেকে দুই মাস অতিবাহিত হয়। আমার নিম্ন আয়ের মাধ্যমে আমার সংসার চলত। প্রায় সাত মাস বেতন বন্ধ থাকার পরে বিভিন্ন জায়গা হতে ঋণ করতে হয়েছে। অতঃপর আমি আমার সহকর্মী কয়েকজনের সাথে যোগাযোগ করি, তারা আমাকে বলে যে কিছু টাকা অর্থ প্রদান করলে আমার বেতন হয়ে যাবে। অবশেষে আমি ন
আমি একজন স্টুডেন্ট ,কুমিল্লা অগ্রনী ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য গেছিলাম,একাউন্ট খুলতে হলে নাকি ৫০০ টাকা জমা দেওয়া লাগবে,আর তাদের দেওয়া লাগবে ঘুষ ২০০টাকা, কোনো উপায় খুজে না পেয়ে পরে বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
Salary shuru korar jonno chawa hoyechilo
আমার বকেয়া বেতন ১ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা তুলতে গেলে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বেতনের ২% মানে ২হাজার টাকা দাবি করে। এবং নানা টালবাহানা করে। অবশেষে আমাকে দিতেই হয়