পেনশন সংক্রান্ত কাজ
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা উত্তোলন এর জন্য অফিসে গিয়ে সারাদিন ঘুরাঘুরি করেছি। দায়িত্বরত অফিসার বলে, বড় স্যার ছুটিতে আছেন, আজকে হবে না, ৭দিন পর আসেন, এখন এপ্লিকেশন করে যান, এরপর স্যার আসলে ফরোয়ার্ড করে দিব, ভাতা পেতে আরও প্রায় ২/৩ মাস লেগে যাবে। সারাদিন ঘুরাঘুরি করে অবশেষে যখন ক্লান্ত, তখন একজন বলল এসব কাজ এত সহজে হয় না, ৫০০০টাকা দেন দেখি কিছু করা যায় কিনা। তখন নিরুপায় হয়ে পকেটে ৩০০০ ছিল, সেটা দিয়ে দেই। যে কাজ সারাদিন ঘুরেও হচ্ছিল না, সে কাজ টাকা দেয়ার পর ৫ মিনিটের মধ্যে হয়ে গেল। ২দিনের মধ্যে ভাতাও পেয়ে গেলাম। দিজ ওয়াজ ম্যাজিক। সরকারী কর্মকর্তাদের যদি ঘুষ দিয়েই টাকা উদ্ধার করতে হয়, তাহলে সরকার কেন তাদের বেতন দিচ্ছে???
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।