Driving licence
লাইসেন্স করার জন্য গেলাম দুই বার পরীক্ষা দিয়েছি পাস করি নাই পরের বার ঘুষ দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছি তো পাস করেছি 🙂
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
লাইসেন্স করার জন্য গেলাম দুই বার পরীক্ষা দিয়েছি পাস করি নাই পরের বার ঘুষ দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছি তো পাস করেছি 🙂
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে আমাকে বার বার পরীক্ষায় ফেল করা হয় । পরে পরিচিত এক মাধ্যমে খোঁজ পেয়ে একজন অফিসারের সাথে যোগাযোগ করি । উনি আমার নিকট ৯০০০ টাকা দাবি করেন । দর কষাকষি করে ৭০০০ টাকায় চুক্তি হয় এবং আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পন্ন হয় ।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করার সময় দালাল এর মাধ্যমে ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে
চট্টগ্রাম বিআরটিএ তে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা দিতে গেলে, ফিল্ড এক্সামে (প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায়) ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয় এবং পরীক্ষক নিজেই গাড়ি চলমান অবস্থায় টাকা দাবি করে ৫০০ টাকা। দুইজন পরীক্ষক দুটো পরীক্ষা নিয়ে থাকেন সাধারণত। একজন কার (গাড়ি) এবং অপরজন মটর সাইকেল। দুটো পরীক্ষাতেই পরীক্ষক ৫০০ + ৫০০ করে টাকা দাবি করেন কোন ধরনের দক্ষতা যাচাই এর তোয়াক্কা না করে। দুইজনের টাকা পরিশোধ করার পরেও ফলাফল "ফেল" আসে। এভাবে ১ম বার ফেল করার পর ২য় দফায় আবার পরীক্ষা দিতে গেলে, সেইম ঘটনা ঘটে। তখন তাদেরই অফিসিয়াল একজন কন্ট্রাকে কাজ করানোর প্রস্তাবনা দেয়। ১৩০০০ টাকা দিলে, ফেল করলেও ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়ে যাবে, শতভাগ নিশ্চিত। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্য সব মিলিয়ে ৫০০০ টাকা ও না।
টাকা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স যেনো টাকা ছাড়া হয়ইনা। বিশেষ করে ঢাকাতে। এখানে কে গাড়ি চালাতে পারে, বা পারে না তা দায়িত্বরত মেজিস্ট্রেট দেখেই না। সবাইকে ফিল্ড-এ গনহারে ফেল দেখানো হয়, পরবর্তিতে যে সিস্টাম করে রাখে সে অটো পাশ। প্রথমবার আমি সিস্টেম ছাড়া লিখিত, মৌখিক কৃতকার্য হলে, ড্রাইভিং পারার পরে ফেল দেখানো হযেছে। পরবর্তিতে ১২০০০ টাকা পেমেন্ট দেওয়ার পর (এই টাকার মধ্যে ব্যাংক পেমেন্টসহ সকল চার্জ) দিত্বীয় পরিক্ষায় গাড়িতে খালি উঠে নেমে গিয়েছি, চালায়নি, ফিল্ড ফেইল হলেও অনলাইনে পাশ। এবং পরবর্তিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়েছি।
শুনেছিলাম মিরপুর বিআরটিএ অফিসে অটোমেটিক মেশিনে গাড়ির পরীক্ষা করা হয় বলে কোনো দালাল ধরতে হবে না। কিন্তু গাড়ি প্রবেশ করানোর পর আমার মোবাইলে রিপোর্ট আসে আমার গাড়ির সাসপেনশন এ সমস্যা আছে। এরপর বিআরটিএর ফিটনেস পরীক্ষার মেশিন যে কোম্পানি চালায় অর্থাৎ থার্ড পার্টি তাদের আইডি কার্ড দেখিয়ে একজন লোক এসে বলে আমার গাড়িতে সমস্যা থাকায় সেটি ফিটনেস পরীক্ষায় ফেল করবে। এজন্য আমাকে ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। পরবর্তীতে আমাকে পাশের ফটোকপির দোকানগুলোর দিকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আমি ২৫ হাজার প্রদান করি। ফিটনেস করানোর পর আমি বাইরে থেকে চেক করি এবং দেখি আসলে আমার গাড়িতে সাসপেনশনে কোনো সমস্যা নেই। এই থার্ড পার্টির লোকেরা একটা সিন্ডিকেট বানিয়ে ঘুষ বাণিজ্য করছে।
ড্রাইভার লাইসেন্সের জন্য টাকা দাবী করেছে।।
আমি ঠাকুরগাও BRTA তে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটর সাইকেলের রেজিস্টেশনের জন্য BRTA এর website থেকে দেখে প্রয়োজনীয় কাগজ সাথে নিযে online এ আবেদন করি। সকল সরকারি ফী জমা দেওয়ার পরে, যখন BRTA এর final approval দেওয়ার কথা, তখন তারা approval না দিয়ে বারে বারে reject করে দেয়। ঠাকুরগাও BRTA সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) ওনার সাথে দেখা করে কথা বললাম। কথা বলে মনে হলো দালাল আর টাকা ছাড়া আসলেই এইসব কাজ অসম্ভব। পরবতীতে আমি একজন ঠাকুরগাও BRTA এর অফিস সহায়ককে ৫ হাজার টাকা দিয়ে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটর সাইকেল রেজিস্টেশনের কাজ শেষ করি। মজার বিষয় টাকা দেওয়ার পরে আমার তেমন কোন কাগজপত্র লাগে নাই।
I have applied for transfer of my new purchased private car as which ownership needs to transfer from old owner to my name as where I had deposited transfer govt fee to bank and all documents but to sign off from revenue officer and inspector in transfer form and update all online ask initially 6000 but I had given 3000 for getting my transfer acknowledgement as which I got on same day but after few days later when I want to check whether the said transfer has been done in online not yet done as where few more formalities for getting those done within week they ask more 5000 if I paid it then I will get it within one week nor wait till December 2026 end as when if again I can manage then it
ড্রাইভিং শিখে পরীক্ষা দিলাম, যেখানে আমার সামনে যারা রিটেন, প্র্যাক্টিকাল এ ফেইল করল তারা পাশ। আর যে আমি সব এক্সামে পাশ করলাম তারপরও আমাকে ফেইল দিছিলো। পরে টাকা দেওয়ার পরে পাশ দিছে। এখানে অনেকেই 3rd পার্টি হিসেবে কাজ করে থাকে।
অফিসিয়াল কাজে অফিসের অনেক মানুষ একসাথে যাওয়ার জন্য ট্রেনের বগি বুক করার জন্য আবেদন করার পর সেই আবেদনের অনুমোদনের জন্য বা সই করার জন্য অর্থ দাবি করে, অতিরিক্ত অর্থ না দেয়া হলে অনুমোদন/সই করবে না। টিকিটের দীর্ধারিত দাম পরিশোধ করার পরও অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন, না হলে আবেদন বাতিল করবে।
বায়োমেট্রিক ফিংগার ও ছবি তোলার জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত ডকুমেন্টস দেখতে চেয়েছিলেন তাই বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে।
প্রতি টা ফাইলে ৫শত থেকে ১০০০ টাকা নেওয়া হয়।এবং ডাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষায় পাশ করা জন্য ১টা রোল ৩ হাজার করে নেওয়া হয়
They told me to give 12000 taka just to make a driving license without any proper training or examining. They told me that I don't need to do anything just giving them the money will give me my driving license right now... No days needed.I didn't accept that.
আবেদন করতে 3000 এবং12000দালাল নেয় আর2000 পরীক্ষ ক্ষেত্রে দিতে হয় আমাকে ফেল করাই দিছে পরে টাকা শোধ করার পর দেখি আমি পাস তাহলে গন হারে ফেল করানোর হয় কেন
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করে দেওয়ার শর্তে এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেওয়ার শর্ত ছিল। যার ফলে টাকা দাবি করেছিল ১০০০০ টাকা
ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্ট কার্ড রিসিভ করার সময় আমার কাছ থেকে ১০০ টাকা দাবী করে ঘুষ। সেটা পরিষোধ করে তারপর লাইসেন্স রিসিভ করতে হয়েছে।
আমি প্রত্যাখ্যান করেছি,পরে আমার কাজ ঠিক মতো হয়ে গেছে ঘুষ ছাড়া,,,এই জায়গাতে যারা আগেই লোক ধরতে যায় তাড়াই ঘুষ দেয়। লিগাল ভাবে করতে গেলে ঘুষ দিতে হয় না।
৩০০০ টাকা দিলে, লাইসেন্স করে দিবে
অনলাইনে আমি নিজে এপ্লাই করি। ফিংগার, রিটেন, ভাইভা এবং ফিজিক্যাল সব ভালো করি, কিন্তু ফিজিক্যাল টেস্টে ফেইল করে দেয়। পরে দালাল ধরে ফিজিক্যাল টেস্ট না দিয়েই ৬,০০০ টাকা দিয়ে ফিজিক্যাল টেস্ট পাস দেখায়।