নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
লক্ষীপুর বিআরটিএ আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দেই। পরীক্ষা শেষে আমার ফিঙ্গার ম্যাচ হচ্ছিলনা। ২-৩ বার ট্রাই করার পরে আমাকে বলে নির্বাচন অফিস থেকে ঠিক করে আনতে। আমি সেখানেও যাই। তারা এপ্লিকেশন জমা নেয়। তারপরেওএসে দেখি ফিঙ্গার ম্যাচ হচ্ছিলনা। পরে এক পিয়ন আড়ালে ডেকে নিয়ে বললো ২০০০ টাকা দিলে ঠিক করে দিবে। তার প্রস্তাবে রাজি হলে তিনি বড় পোস্টধারী এক অফিসারের রুমে নিয়ে যায়। ঠিক ৫ মিনিট পরেই ফিঙ্গার দিলে তা ম্যাচ হয়ে যায়। আরও একটি গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় , জিকজাক টেস্টের সময় ভিডিও করতে নিলাম সখের বসে, সেখানে একজন এসে বলে “আপনি কি স্যারের কাছ থেকে অনুমতি নিছেন? ভিডিও বন্ধ করেন মিয়া “। আমি বন্ধ করলাম এবং পরে বুঝতে পারলাম যারা টেস্ট এ ফেল করেছে সবাই পাশ ১০-১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে।
মিরপুর ১২ BRTA শুধু মোটরসাইকেলর ড্রাইভিং এর জন্য আবেদন করি, সমস্ত প্রসেস সঠিক ভাবে কমপ্লিট করার পরো, ফেইল মেসেজ আসে। পরবর্তীতে আবার পরিক্ষার জন্য যায়। তাদের কয়েকজন স্টাপের কাছে গেছি, সবাই ৩৫০০ টাকা করে দাবী করে, এবং বলে টাকা না দিলে কখনোই ড্রাইভিং লাইসেন্স মিলবে না। বাধ্য হয়ে পরে টাকা দেই।
গুশ দেওয়ার আগে বলছে গাড়িতে ওবার এসএস গ্রিল এবং গুশ দেওয়ার পর কোনো ওবার এসএস গ্রিল নয়।
আমি ড্রাইবিং শেখার পর লাইসেন্স এর আবেদনের পর চট্টগ্রাম BRTA তে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পর যখন গাড়িতে বসি আমার থেকে টাকা চাওয়া হয়। এবং টাকা না দিলে ফেইল বলে দিবে। কর্ণারে একজন বসে বসে দেখছে কিন্তু সে যেন দেখেও দেখে না। কেউ ভালো চালাক বা খারাপ সে শুধু ঐ লোক গুলো যা বলে তাই শুনে। আমি গাড়ি একটুও চালায়নি। গাড়িগুলোর মধ্যেই কিন্তু অনেক সমস্যা আছে। যে কাউকে ফেইল করানোর জন্য তা-ই যথেষ্ট। আমি গাড়িতে বসেই নেমে গিয়েছি টাকা দিয়ে। আমাকে তারা পাশ দিয়েছে। আমিও বাধ্য ছিলাম। লাইসেন্স খুবই জরুরি প্রয়োজন ছিল।
আমি সৌদি আরব প্রবাসী, আমি সৌদিতে গাড়ী ড্রাইভ করি। বাংলাদেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স দরকার ছিল তাই আমি বিআরটি এ অফিসে যাই উনারা আমার সাথে কথাই বলে নাই ঘন্টা দুয়েক চেষ্টার পর কথা বলতেই পারি নাই। তার পর একজন আমাকে বলে এভাবে হবেনা দালাল ধরতে হবে!! কি আর করা দালাল ধরপ ১৪ হাজার খরচ করে লাইসেন্স বানিয়েছি।
Finger dite jon proti 100 tk kore nei
দেশের স্বনামধন্য একটি প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরী করার সুবাধে কোম্পানীর নোয়াখালী অঞ্চলের সকল গাড়ী রক্ষনাবেক্ষনের দ্বায়িত্ব আমার কাছে। সেই সুবাধে আমি নোয়াখালী বি আর টি এ তে আমাদের গাড়ীগুলো ফিটনেস সার্টিফিকেট নবায়ন করাই। প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র আপটুডেট থাকা স্বত্বেও প্রতিটা ফিটনেসের জন্য ৩০০০ টাকা করে ঘোষ দিতে হয়।
তিন মাস আগের ঘটনা। আমি আমার নতুন কেনা মোটরসাইকেলটি রেজিস্ট্রেশনের জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দিই। এরপর শোরুম থেকে আমার গাড়ির যাবতীয় কাগজপত্র রেডি করে নিয়ে সাতক্ষীরা বিআরটিএ অফিসে জমা দিই। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত কর্মকর্তা আমাকে বললেন, সার্ভারে সমস্যা ওটিপি যাচ্ছে না। আপনি পরে আসুন, আমি তখন তার কথামত বিকালে আবার যাই। তখনো একই কথা ওটিপি যাচ্ছে না। পরদিন আবার যেতে বলল গেলাম সেদিনও একই বাহানা। পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও শোরুমে কথা বললাম তারা বলল ভাই এভাবে হবে না। আপনি কোন দালালের কাছে ফাইল টা দেন আপনার কাজ হয়ে যাবে। আমি খোঁজখবর নিয়ে একজন দালালের সাথে কথা বলি সে প্রথমে ২৫০০ টাকা চায়। পরবর্তীতে বলে ভাই আপনার গাড়ি অন্য জেলা থেকে কেনা তাই আপনাকে আরো ৫০০ টাকা দিতে হবে। সর্বমোট ৩০০০ টাকায় কাজ হয়
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু কোনোরকম পরীক্ষা ছাড়াই লাইসেন্স পাব এই মর্মে ৩০০০ টাকা চেয়েছিল
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দশ হাজার টাকা দাবি অধ্যথায় ফেল করানো হবে ইতিমধ্যে প্রেকটিক্যাল পরিক্ষায় পাঁচ বার ফেল করানো হয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি কিন্তু তবুও সেই কাজটি সঠিকভাবে সমাধান করে দেয়নি
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য বিআরটিএতে এপ্লাই করি অনলাইনের মাধ্যমে তারপর নির্ধারিত একটা তারিখ নির্বাচন করে দেওয়া হয় এই তারিখে গিয়ে ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য। যাওয়ার পরে দালাল চক্র আমাকে ঘিরে ধরে এবং বলে যে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেবে তার জন্য ১২০০০ টাকা আমার কাছে ঘুষ দাবি করে। আমি এতে অসম্মতি প্রকাশ করলে পরিশেষে তারা বলে আমাকে আট হাজার টাকা দিলে আমরা করে দেব। অবশেষে আমি রাজি হই এবং আট হাজার টাকা ঘুষ আমি পরিশোধ করি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করার জন্য লার্নার আবেদন করার পর পরীক্ষার ডেট পড়েছিল প্রায় 4 মাস পরে। আমি সশরীরে গিয়ে ডেট এগিয়ে নিতে গেলে ব্যর্থ হই। গেট থেকে বের হলে দালালের দেখা মিললে বলে নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত 5000 টাকা দিলে ডেট ও লাইসেন্স কনফার্ম। আমি শুধু ডেট চাইলে হবে না। অতীব জরুরি হওয়ায় এবং সময় অপচয় ঠেকাতে রাজি হলে 3 দিন পরে ডেট দেয় এবং প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায় #ইচ্ছাকৃত ফেল করলেও পাস দেখিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাইছি।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষায় টাকা ছাড়া কাউকে পাশ দিচ্ছে না আমি তিনবার টাকা ছাড়া চেষ্টা করেছি বারে বারে ফেল করিয়ে দেয় চতুর্থবার টাকা দেওয়ার সাথে সাথে আমাকে পাস করে দিয়েছে তেজগা বি আর টি এ
আমার নিকট ৪২০০ টাকার কাজে ৫৫০০ টাকা চাইল। আমি না বলে চলে আসছি।
১৩/০৫/২০২৪ ইংরেজি আমি আমার পেশাদার লাইসেন্স এর জন্য পরিক্ষা দিয়ে যথাযত ভাবে আমি পাশ করি, পাশ করার পরে অনলাইন ফি পরিশোধ করার পরে ২০/০৫/২০২৪ ইংরেজি আমি ই ড্রাইভিং লাইসেন্স পাই, কিন্তু আজ ২ বছর হয়ে গেছে এখনো স্মার্ট কার্ট হাতে পাইনি, আমার পরে অনেকে পরিক্ষা দিয়েও ২/৩ মাসের মধ্যে স্মার্ট কার্ট পেয়ে গেছে, আমি অফিসে যোগাযোগ করলে কর্মকর্তা ২০ হাজার টাকা দাবি করেন ২০ হাজার দিলে ১০/১৫ দিনের মধ্যে লাইসেন্স হাতে পেয়ে যাবেন
মালিকানা পরিবর্তনের সব কাগজ ও ফি জমা দেওয়ার পর আমার এবং বিক্রেতার স্বাক্ষর নেওয়া হল এর পর আমাকে বসতে বললো। কিছুক্ষন পর আমাকে ডেকে বললো চা খাওয়ার জন্য কিছু দেন তখন আমি ৫০০ টাকা দিলে আমাকে বলে এতে কাজ হবে না ১০০০ টাকা দেন। তখন আমি ১০০০ টাকা প্রদান করি। প্রকাশ্যে একজন স্টাফ অফিসেই এভাবে ঘুষ নিচ্ছে।
মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেট সংগ্রহের জন্য জনপ্রতি ১০০/- টাকা করে দেওয়া লাগে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরীক্ষা দেই পাশ লিখিত পরীক্ষায় আমাকে অকৃতকার্য ঘোষণা করে। সেদিনই দালালের মাধ্যমে সরকারি ফ্রি ব্যতীত অধিক পাঁচ হাজার টাকার লেনদেনের মাধ্যমে আবার পরের দিন পরীক্ষার ডেট দেওয়া হয়। পরের দিন পরীক্ষায় কৃতকার্য হই।
এই কাগজ লাগবে এটা লাগবে সেটা লাগবে দালাল দিয়ে করাইছি কিছু লাগে নি।