ড্রাইবিং নাইসেন্স এর পরীক্ষা বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি ড্রাইবিং শেখার পর লাইসেন্স এর আবেদনের পর চট্টগ্রাম BRTA তে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পর যখন গাড়িতে বসি আমার থেকে টাকা চাওয়া হয়। এবং টাকা না দিলে ফেইল বলে দিবে। কর্ণারে একজন বসে বসে দেখছে কিন্তু সে যেন দেখেও দেখে না। কেউ ভালো চালাক বা খারাপ সে শুধু ঐ লোক গুলো যা বলে তাই শুনে। আমি গাড়ি একটুও চালায়নি। গাড়িগুলোর মধ্যেই কিন্তু অনেক সমস্যা আছে। যে কাউকে ফেইল করানোর জন্য তা-ই যথেষ্ট। আমি গাড়িতে বসেই নেমে গিয়েছি টাকা দিয়ে। আমাকে তারা পাশ দিয়েছে। আমিও বাধ্য ছিলাম। লাইসেন্স খুবই জরুরি প্রয়োজন ছিল।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,০০০
যে কাজের জন্য ড্রাইবিং নাইসেন্স এর পরীক্ষা
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা চট্টগ্রাম
রিপোর্টের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য