ওয়ারিশান সার্টিফিকেট
সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেয়ার পরেও ১ মাস টালবাহানা করছিল, পরে ওয়ারিশ সনদের জন্য ফোনে টাকা চেয়েছিল, দিতে বাধ্য হয়েছি এবং সকালে ঘুষের টাকা দেয়ার সাথে সাথে সেদিন বিকালেই সনদটি হাতে পাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেয়ার পরেও ১ মাস টালবাহানা করছিল, পরে ওয়ারিশ সনদের জন্য ফোনে টাকা চেয়েছিল, দিতে বাধ্য হয়েছি এবং সকালে ঘুষের টাকা দেয়ার সাথে সাথে সেদিন বিকালেই সনদটি হাতে পাই।
আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করার জন্য যখন গিয়ে তাদের সাথে কথা বলি তারা আমার কাছে 4000 টাকা লাগবে বলে যদি দেয় তাহলে 2 দিন এর মধ্যে করে দিবে বলে।
আমার বাচ্চার জন্মনিবন্ধন করতে গেলে মাথাপিছু ১০০০ করে ঘুষ দাবী করে।
১০০ টাকা দেওয়া ছাড়া অনলাইনে আবেদন এ সাবমিট দিচ্ছে না।
License renew korte eita dite hobe nahoy license update kore dibe na
আমি আমার কোম্পানির জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে যাই তো আমাকে বিভিন্ন ধাপে ধাপে দুই হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় যেহেতু এটা আমার জন্য ইম্পরট্যান্ট ছিল তাই আমি পরিশোধ করি ।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য গেছিলাম, ২৩৫০ টাকা সরকারী হিসেবে আসে তারা ৫০০০ টাকা দাবি করে তারপর জোরাজুরি করে ৪০০০ টাকা দেই। লাইসেন্স জরুরি ছিল
ট্রেডলাইসেন্স করার জন্য ৪০০০ টাকা আগেই গুষ দিতে হয়েছে। গুষ এর টাকা দেয়ার পরের দিন তারা ফাইল প্রসেস করে।
সরকার ঘোশিত ফু অনুযায়ী অতিরিক্ত ফি আদায়
এক্সট্রা ৫০০ টাকা চাওয়ার বিপরীতে ২০০ টাকা দিয়ে নবায়ন কপি হাতে পেয়েছি
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম আমি। ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য খরচ পাতি চেয়েছে। ৩০০০ টাকা চেয়েছিল। আমি ২০০০ টাকা দিয়েছি। টাকা টা দেওয়ার জন্য পাবলিক টয়লেট এ গিয়ে দিতে হয়েছে। ওয়ার্ড ১৯।
আমার birth certificate এর মধ্যে কিছু সমস্যা ছিলো, এই সমস্যা গুলা সমাধান করতে আমার থেকে ১৫০০০ টাকা দাবি চেয়েছে
আমার কাছে ঢাকা,বাসাবো ৪ নং ওয়ার্ড এর কার্যালয় থেকে নাগরিক সনদ উত্তোলন এর জন্য ২০০ টাকা দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত ১০০ টাকা পরিশোধ করে আমি উত্তোলন করি।আমার জানা মতে এই কাজের জন্য টাকা নেওয়ার কোনও বিধান নাই।
Since local councilor isn't there, there was an emergency of getting family certificate from nogor bhobon. Had to go there personally and had to wait there for 6 hours until I paid 1k bribe for just a simple certificate printed on their pad.
আমি আমার ভোটার আইডি কার্ডের জন্য অফিসে যাই তারপর তারা আমাকে বলে এগুলো সময় নিয়ে করতে হবে তাই অনেক দেরি হবে তারপর তারা সরাসরি আমার কাছে টাকা চায়। তাও ভোটার আইডি কার্ডে আমার মায়ের এনআইডি নাম্বার ভুল করে।
hajur manush mathai tupi cilao akta document jonnow 1500
নাগরিকত্ব সনদ পেতে কম্পিউটারে কাজ করতে হয় বলিয়া ৫০০ টাকা চেয়ে নেয়। পার্শ্ববর্তী দোকানের কম্পিউটার অপারেটরকে সরকারি লোক বলে দাবি করে অফিসে বসা এক লোক।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম। কাগজপত্র ঠিক ছিল, লোকেশন ঠিক ছিল, নিয়ম মেনে করেছিলাম। কিন্তু অযথা নানা অজুহাতে ৩০০০ টাকা দাবী করে, নাহলে ট্রেড লাইসেন্স দেবে না। বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে।
আমি যখন আমার মায়ের বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরমটি জমা দিতে যাই তখন সেখানে থাকা কেরানি বলল ফরমের সাথে ১০০ টাকা লাগবে। যার কোন রিসিভ আমাকে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে বুঝতে পারলাম এটা আসলে ঘুষ ছিল।
উল্লেখিত কাগজ এবং সেবা পেতে সরকারি পাওনা দেওয়া লাগে ১০.৫০x৩ টাকা অর্থাৎ ৩১.৫০ টাকা। কাগজ আসার পর সরকারের পক্ষ হতে বিনামূল্যে প্রিন্ট দিয়ে দ্বায়িত্ব রত সচিব এর কাছ থেকে সই নিয়ে গ্রহিতার কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে আমার ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তা হলো, কাউন্সিলর অফিসে গিয়ে আবেদন করতেই আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১৫০ টাকা, কাগজ তৈরী হয়ে আসার পর নিয়েছে ২০০ টাকা, নতুন ভোটার ফাইল এ সচিবের স্বাক্ষর বাবদ নিয়েছে ২০০ টাকা, এমনিতে চা খরচ বাবদ পিওন নিয়েছে ৫০ টাকা। এখানে উল্লেখ্য যে, এই স্বাক্ষর পেতে এত খরচ হওয়ার কোনো নিয়ম নেই, সরকার এর পক্ষ হতে এই সেবা আমরা ৩১.৫০ টাকায় পাওয়ার হকদার। দিনশেষে, ৩১.৫০ টাকায় যে সেবা আমার সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়ার কথা, সেটা পেতে আমার খরচ করতে হয়েছে ৬০০ টাকারও বেশি।