টিসিবি কার্ড ইস্যু
ওয়ার্ড সিটি করপোরেশন অফিসে (বিবিরহাট ৭ নং ওয়ার্ড) গেছিলাম টিসিবি কার্ড তৈরি করতে। প্রথমে বললো এখন হবে না পরে। এর বারবার বিরক্ত করায় বললো ৩০০ টাকা লাগবে। না পারতে দিতে হলো। মধ্যবিত্তের একটু সাশ্রয়ের আশায়।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ওয়ার্ড সিটি করপোরেশন অফিসে (বিবিরহাট ৭ নং ওয়ার্ড) গেছিলাম টিসিবি কার্ড তৈরি করতে। প্রথমে বললো এখন হবে না পরে। এর বারবার বিরক্ত করায় বললো ৩০০ টাকা লাগবে। না পারতে দিতে হলো। মধ্যবিত্তের একটু সাশ্রয়ের আশায়।
সিটি কর্পোরেশন ৩৯ নং ওয়ার্ড। সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও আমার ফাইল ওয়ার্ড অফিসের কর্তব্যরত লোক আমার ফাইল নিজের কাছে রেখে দেন এবং অন্য একজন মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।পরবর্তীতে একজনের সাথে যোগাযোগের পর ২০০০ টাকা দাবী করেন।দাবীকৃত টাকা পরিশোধ করার এক দিনের মাথায় আমার বাবার মৃত্যু সনদ ইস্যু হয়।বর্তমানে ওয়ারিশ সনদের আবেদন পেন্ডিং আছে হয়তো এটিও ঘুষ ছাড়া হবে না।
আমার একটা হোল্ডিং নম্বর এর জন্য, যিনি দায়িত্বরত আছেন তাকে ফোন করে বলছি, তিনি বলেন যে খরচ পাতি আছে ৫০০ টাকা দিলে কাগজ পাওয়া যাবে। আমার জমির নামজারি এবং এন আইডি ফটোকপি চাইছে। আমি পরে আর তার সাথে যোগাযোগ করি নাই। তিনি ৩ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বরত আছেন।
আমার ছোট ভাই এর পাসপোর্ট হিসাবে জন্মনিব্ধন করা হয়েছে এখোন তার বিদেশে পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আগের আর,এম,পি পাসপোর্ট নতুন করে আর বানাতে পারছেনা নতুন ডিজিটাল পাসপোর্ট বানেতে যাই দেখা গেলো তার জন্মনিব্ধন অনলাইন করা নাই,ইউনিয়ন অফিসে যাই যোগাযোগ করলাম তারা চেক করে দেখলো এই নম্বারে অন্য কারো নামে নিবন্ধন করা আছে তাহলে আমরা যে আগের নিবন্ধন করেছিলাম সেটা ইউনিয়ন পরিষদ কিভাবে দিয়োছিলো,এখোন যখোন বললাম আমাদের পাসপোর্ট দিয়ে নতুন করে একটা করতে বললাম বললো তা করা যাবে না,পরবর্তীতে ৫০০০ টাকা দিলে করে দিবে পস্তাব দেয়, আমরা ও ৫০০০ দিয়ে করতে বাধ্য হই নাহলে সে দেশে আসতে পারবে না।
ওরা ঘুষ চাই কাজ করবে যদি ২০০০০ টাকা দিই
নগর ভবন এর জোন ৪ এর একজন কর্মকতা লিফট এর ১১ জন্ম নিবন্ধর এর এন্ট্রি করে , জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি হলো ৫০ টাকা সে চায় ৫০০ টাকা আর ৫০০ টাকা না দিলে নাকি হবে না।
সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স সর্বনিম্ন মূল্য ৪১৩৭ টাকা প্রতি বছর, এই সর্ব নিম্ন ট্যাক্সটির জন্য ওনারা সব কাগজ পত্র আপিল সহ রেডি করে দিবেন, তাই প্রতি ফ্ল্যাট ১৫,০০০ টাকা ঘুষ নিচ্ছেন। ঘুষ না দিলে ওনারা বেশি এমাউন্ট এর ট্যাক্স ধরবেন।
প্রথমে নকশা অনুমোদন দিয়েছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন অযুহাতে কাজ বন্ধ করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। তাই বাধ্য হয়ে ঘুষের টাকা পরিশোধ করা হয়। যদিও অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী বিল্ডিং করা হচ্ছিল ।
আমি একজন বিধবা নারী আমার বয়স 30। আমার একমাত্র সন্ত্রান শারীরিক প্রতিবন্ধি। তার জন্ম নিবন্ধনটি করার জন্য আমি পৌরসভা গিয়েছিলাম। অতঃপর অনলাইনে আবেদন করে জমা দিয়েছি। আমার আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। আমি আবেদনের পর আমাকে 5 দিন পর যেতে বলেন জন্ম নিবন্ধন নেওয়ার জন্য। এভাবে আমি প্রায় 26 দিন পালাক্রমে ভাড়া খরচ করে পৌরসভা যাই। সেদিনও সেখানে থাকা কর্মচারীগণ আমাকে আরো পরে আসতে বলেন। এক পর্যায়ে আমি অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে বিষয়টি জানালে তিনি প্রতিবাদ করেন এবং কারণ জানতে চান একপর্যায়ে ব্যক্তির প্রতিবাদ স্বরুপ তারা টেবিলের সামনে থাকা ফাইলে খুজে আমার প্রতিবন্ধি ছেলের জন্ম নিবন্ধন বের করে দেন। পরবর্তী অনুসন্ধানে জানা যায় নিবন্ধনটি আবেদনের 7দিনের মাথায় সম্পন্ন হয় কিন্তু কর্মচারীগণ ইচ্ছাকৃত ভাবে আমার মতো অসহায়কে
পঞ্চগড় পৌরসভায় দীর্ঘদিন পূর্বে আমার পরিবারের সদস্যদের জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের আবেদন করা হয়। উক্ত কাজ পৌরসভার জন্ম নিবন্ধন শাখার কর্তৃপক্ষ নিজের দায়িত্বে নেন। অতঃপর উক্ত জন্ম নিবন্ধনে অজ্ঞাত কারো মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নতুন আপডেট জন্ম নিবন্ধন চাইলে আমি পুনরায় নতুন অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে গেলে পূর্বে ব্যবহৃত ফোন নম্বর দেখতে পাই। উক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য আমি প্রায় 1 মাস পৌরসভায় ঘুরেছি কেউ কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না সমাধান তো দুরের কথা। এরই মধ্যে কয়েকজন পৌরসভার কয়েকজন আমার কাছে সর্ব নিম্ন 5000 টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করে বলে যে, এই টাকা দিলে সেটা সমাধান করা যাবে। অর্থ্যাৎ যেটা তাদের দায়িত্ব সেটা পালন করতে তাদের 5000 টাকা প্রদান করতে হবে।
পঞ্চগড় পৌরসভায় অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে আমি বেশ কয়েকটি অভিযোগ তুলে ধরছি। প্রথমতঃ পঞ্চগড় পৌরসভার কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন। এছাড়াও যারা কোনো কাজের জন্য আলাদা চা খাওয়ার টাকা/ঘুষ দেন না তাদের সাথে খারপ আচরণ করেন এবং আজ দিব কাল দিব বলে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপন করান। দ্বিতীয়তঃ কর্মকর্তা, কর্মচারীরা মানুষের কাগজ অথবা ডকুমেন্টের কোনো গুরুত্ব বা প্রয়োজন বিবেচনা করেন না। ধরেন একটি জন্ম নিবন্ধনের জন্য আপনি তাদের 10 দিন সময় দিচ্ছেন এর মধ্যে জন্ম নিবন্ধন ছাড়া আপনি বিদেশে যেতে পারবেন না এমন পরিস্থিতিতে দেখা যাবে তারা আপনাকে অযথা বসিয়ে রাখবে নির্দিষ্ট কারণ বলবে না অন্য কাজ করবে শেষে বলে দিবে আজ হবে না কাল বা পরশু আসেন।
আমি ট্রেডলাইসেন্স নবায়ন করব, বলল 12000 টাকা লাগবে। প্রশ্ন করলাম, আমি আপনাকে যা টাকা দেব সেই টাকাই কি লাসেন্স এ উল্লেখ থাকবে? বলল, করলে করান না হয় চলে যান। বধ্যগত করাতেই হলো, কিন্তু 10155 টাকা ট্রেডলাইসেন্স এ উল্লেখ ছিল। বাকি 1845 টাকা তার পকেটে।
Under Dhaka City Corporation, every house has a holding number. So, I went to the City Corporation office to apply for one. The officer checked all my documents and sent me to his assistant. The assistant politely collected all my papers and asked for 30,000 taka. I paid the amount, but unfortunately, he did not complete the work. A few months later, I heard that he had passed away. After that, I went to the new officer and explained everything. But the same thing happened again. They asked me for another 30,000 taka. I told them that I had already paid the same amount to the previous person, but they did not accept my explanation and again asked for the money. This time, I did not pay. Unfo
আমার মেয়ের জন্ম সনদের তথ্য ভুল ছিল। সেটা সঠিক করার জন্য আবেদন করি। সচিব আমাকে বললো ১০০ টাকা দিতে। আমি জানি যে ফি হলো ৫০ টাকা। কিন্তু আমি তার ভাবভঙ্গি, আচরণ, ব্যবহার দেখে বুঝলাম আমি যদি তাকে ১০০ টাকা না দেই, সে আমাকে প্রচণ্ড হয়রানি করাবে। আমি একেবারে অসহায় হয়ে গেলাম এবং বিনা বাক্যে ১০০ টাকা দিয়ে দিলাম। সে আমাকে কোন receipt দেয় নি। এইভাবে সে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
২০২৪ সালের শেষের দিকে অথবা ২০২৫ সালের একদম শুরুতে, যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার (ইন্টেরিম গভমেন্ট) দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলো, আমি আমার জন্ম সনদে (বার্থ সার্টিফিকেট) সকল তথ্য বাংলার সাথে সাথে ইংরেজিতেও এন্ট্রি করা এবং বাবা মায়ের নামের সামান্য বানান সংশোধন এর জন্য ঢাকার দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন এর মূল অফিস অর্থাৎ নগর ভবনে যাই। এই কাজের জন্য ডিসি অফিসের অনুমোদন আর কাজটা দ্রুত করে দেবার জন্য ২০০০ টাকা চায় তথ্য কেন্দ্রে কর্মরত কর্মী। তাদের সাথে গেইটের ও লিফটের আসেপাশে থাকা সিকিউরিটি গার্ডরাও জড়িত। শেষমেশ ১৫০০ টাকা পরিশোধ করি কিন্তু আমার ডিসি অফিসের কাজটা তারা করতে পারেনি। ইন্টেরিমের কারণে যেহেতু ডিসি অফিসের অনেক কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে তাই ওরা ঠিকমতো সুবিধা করতে পারেনি। শেষমেষ ৮০০ টাকায় কাজটা করে।
asked 400 taka and said if paid the work will be done without any delay or hassle. and they delivered as promised
Application was pending due to not giving bribe. Unnecessarily lengthen the whole process. The whole online system is a kind of scam. The office secretary and assistant run the whole syndicate there. It is an organized crime in Bangladesh for long time.
ঘুষ দেয়া ছাড়া আমার বাবা ডেড সার্টিফিকেট দিচ্ছিলো না, যা আমাদের ওয়ারিশান সার্টিফিকেট করার জন্য দরকার হচ্ছিলো।
জরুরিভিত্তিতে বানানো লাগতো তাই বললো টাকা লাগবে নাহলে সময় লাগবে করতে।
সিটি কর্পোরেশনের আন্ডারে কামরাঙ্গীরচর এলাকার কমিশনারের অফিসে জাতীয় পরিচয় পত্র করতে গেলে একজন উপসচিবের স্বাক্ষরের জন্য ২০০০ টাকা চেয়েছে। অনেকদিন ঘুরিয়েছে। টাকা দেওয়ার পর কাজটি করে দিয়েছে।