17,323 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বাডির tex ধরা হয়েছে ২০হাজার টাকা সেটা কমিয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। ২০ হাজার টাকা ঘুস দেওয়া লেগেছে।
সেবা নিতে গিয়েছি, সেবা দেইনি টাকা দিলে কাজ করে দিবে
খিলগাঁও সিটি কপোরেশন এর নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে করতে গেলে ফ্রম থেকে শুরু করে যেখানে ফাইল জমা দেওয়া হয় সে খানে নতুন ট্রেড লাইসেন্স ফি যত টাকা ঘুষ নেয় তত টাকা । এটাই নিয়ম হয়েছে।
হোল্ডিং ট্যাক্স দিতে গেলে অফিসার বলে আপনার বিল্ডিং রি অ্যাসেসমেন্ট করতে হবে। ট্যাক্স দুই গুন আসবে। আমাদেরকে ৩ লাখ টাকা দিলে রি অ্যাসেসমেন্ট করবো না।
জন্ম সনদ এর জন্য আবেদন করলাম অনলাইনে সরকারি ভাবে টাকা পরিশোধ করার পরে-ও ওয়ার্ড অফিসে মহিলাটা ৫০০টাকা নিয়ে ৩মাস পরযন্ত হয়রানি হতে হয়েছে ঐ মহিলা অফিসে অনিয়মিত সপ্তাহে একদিন অথবা দুইদিন অফিসে আসেন ১২টা বাজে আসেন ২টার সময় চলে যায় অফিস করে আমার মতো অনেকেই ভোক্তাভোগী চট্টগ্রাম ২৯নং ওয়ার্ড।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
সেবা নিতে সার্ভার প্রবলেম সহ অন্যান্য বিষয়ের কথা বলে এই টাকা নিয়েছে। অথচ ব্যাংক জমা ১৫০০ টাকা ছিল।
আন অফিসিয়ালি ফোল্ডিং ট্যাক্স পরিষদের জন্য নোটিশ পাঠায় যা আমি অফিসে গিয়ে জানতে পারি। হোল্ডিং ট্যাক্স এর ব্যাপারে জানতে চাইলে দক্ষিনখান এরিয়ার জন্য নিযুক্ত কর্মকর্তা ছয়তলা বাড়ির জন্য আনুমানিক এক লক্ষ টাকাহোল্ডিং ট্যাক্স আসবে যা ফাইল রেডি করার জন্য এক লক্ষ টাকা ঘুষ চান এবং এত টাকা ঘুষ না দিতে চাইলে আমার বাড়ি খাস জমিতে দেখিয়ে মামলা করে দিবে বলে হুমকি দেয়।
ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলাম। তারা চালান কেটে দিবে এরকম বলে চালান ও পেপারস রেখে দিছে৷ ভালো কথা কিন্তু টাকা তাদের কাছে দিলে ভালো এরকম বুঝপড়া শুরু করলো। পরে আমার বন্ধুকে নিয়ে গেলাম, সে জিজ্ঞাসা করলো কত টাকা? স্ট্রেট ফরওয়ার্ড জিজ্ঞাসা করায় তার সাথে খারাপ আচারণ করছে দায়িত্বরত কর্মকর্তা। পরবর্তী দিন আমাকে যেতে বলে আমার কাছে থেকে সব মিলিয়ে ৩৫০০ টাকা নিয়েছে। যা চালান বাবদ খরচ বাদে ১২১৪ টাকা পড়েছে।
বিগত ০৫-০৭-২০২১ তারিখ আমার মা মারা যান ঠিক ১১ মাস পরে মৃত সার্টিফিকেটের জন্য আমি মানিক পীর কবরস্থানে যাই তখন তারা আমাকে অবগত করেন ১৪১ নম্বর বইটি সিলেট সিটি কর্পোরেশনে চলে গেছে ওখান থেকে মৃত সার্টিফিকেট নিতে হবে, তখন আমি সিটি কর্পোরেশনে যাই এবং তারা আমাকে আশ্বস্ত করেন যে ১৪১ নম্বর বইটি এখনো তাদের কাছে যায় নাই, তখন আমি আবার মানিক পীর কবরস্থানে যাই এবং তাদেরকে অবগত করি ওখানের দায়িত্বশীল ব্যক্তি সাথে সাথে সিটি কর্পোরেশনে ফোন করে এবং আমার সামনেই (লাউড স্পিকারে) বলে যে বইটি সিটি কর্পোরেশনে দেয়া হয়েছে তখন সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ বলে হ্যাঁ বইটি আমাদের কাছে আছে আমি আবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনে যোগাযোগ করি তখন তারা নানান বাহানা দেখায় হঠাৎ করে একজন ব্যক্তি কোথা থেকে উদয় হয়ে এসে বলে ভাই কিছু(টাকা)
আমার কারখানার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। যদিও আমার কারখানার সকল ডকুমেন্টস ok সিল। তার পর o taka দিতে হলো। গাজীপুর চৌরাস্তা জোনাল অফিস এ। ১৪ ওয়ার্ড এর ভিতর
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে যেয়ে আমার কর্মকর্তার স্বাক্ষরের জন্য ৮০০ টাকা নিয়েছে।। তা না হলে কাজ করবে না বলছে।।
মৃত্যু সনদ করতে আবেদন করেছি । জমা দিব তখন দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার বলল ৫০০ টাকা দিতে হবে। না দিলে ঝামেলা হবে তাই আমি টাকা পরিশোধ করেছি ।
Trade license renewal, 13010 taka, the officer took extra 200tk
ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি
হোল্ডিং ট্যাক্স এর নামজারি এবং ট্যাক্স সরকারি ভাবে কমানোর প্রক্রিয়া আছে। কিন্তু এটা করতে গেলে টাকা ছাড়া আবেদন কাজ হয়না। তাই ৪০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়েছে।
আমার ফুফাতো ভাই গত ৭ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। কবরস্থানের নিয়ম অনুযায়ী, একটি কবর নির্দিষ্ট সময়—প্রায় দুই বছর পর্যন্ত—সংরক্ষণ করা হয়, এরপর সেখানে নতুন করে কবর দেওয়া হয়। এ অবস্থায় কবরস্থানের রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তি আমাদের কাছে দুই বছর পর্যন্ত কবর খেদমত করার জন্য প্রতি মাসে ১,০০০ টাকা দাবি করেছেন। অর্থাৎ দুই বছরে মোট ২৪,০০০ টাকা। বিষয়টি আমাদের কাছে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমার প্রশ্ন হলো, আজিমপুর কবরস্থান কর্তৃপক্ষ বা সিটি কর্পোরেশন কি কবরস্থান রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বেতন বা পারিশ্রমিক প্রদান করে না? যদি করে থাকে, তাহলে মৃত ব্যক্তির স্বজনদের কাছ থেকে আবার এভাবে মাসিক টাকা দাবি করার সুযোগ কোথা থেকে আসে?
বরিশালে ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স করতে গেলে ঘুষ দেওয়া ছাড়া টাকা লাইসেন্স হয় না, কলকারখানা ঘুষ দেওয়া লাগে যে কোন লাইসেন্স করতে গেলে ঘুষ দেওয়া লাগে
ট্রেড লাইসেন্স এর বাংলা থেকে ইংলিশ করার জন্য নির্ধারিত ফি থেকেও আরো ২০০ টাকা বেশি চাওয়া হয়েছিল পরবর্তীতে আমি রাজি না হয়ে আইনিভাবে ফরম পূরণ করে আবেদন করি কিন্তু এতে আমার ভোগান্তি পোহাতে হয়
আমার বিলডিং এর ট্যাকস ভেলু ধরা হলো ৪ লাখ, ৪০,০০০ টাকা ঘুস দিলে হয়ে যাবে ২ লাখ, এক রকম বাধ্য হয়ে সিটি কর্পোরেশন এর মানষের প্রস্তাব মেনে নিয়ে তাকে ৪০,০০০ টাকা দিয়ে ২ লাখ টাকার ট্যাকস নিরদ্বিধায় ফাইনাল হয়ে গেলো। আমার প্রস্তাব সরকার যদি আগামি বছর ২লাখ ৪০ হাজার টাকা আমার হোল্ডিং ট্যাক্স ফাইনাল করে দেয় তো সরকার ৪০,০০০ টাকাটা অতিরিক্ত পাবে।