সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৮১৪ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সিটি কর্পোরেশন

ওয়ারিশান সার্টিফিকেট

সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেয়ার পরেও ১ মাস টালবাহানা করছিল, পরে ওয়ারিশ সনদের জন্য ফোনে টাকা চেয়েছিল, দিতে বাধ্য হয়েছি এবং সকালে ঘুষের টাকা দেয়ার সাথে সাথে সেদিন বিকালেই সনদটি হাতে পাই।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা দক্ষিন-নিউমার্কেট ৳৫.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

Birth Certificate

আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করার জন্য যখন গিয়ে তাদের সাথে কথা বলি তারা আমার কাছে 4000 টাকা লাগবে বলে যদি দেয় তাহলে 2 দিন এর মধ্যে করে দিবে বলে।

ঘুষ দিইনি
GAZIPUR ৳৪.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু

আমি আমার কোম্পানির জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে যাই তো আমাকে বিভিন্ন ধাপে ধাপে দুই হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় যেহেতু এটা আমার জন্য ইম্পরট্যান্ট ছিল তাই আমি পরিশোধ করি ।

ঘুষ দিয়েছি
Khulna ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

ট্রেড লাইসেন্স

ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য গেছিলাম, ২৩৫০ টাকা সরকারী হিসেবে আসে তারা ৫০০০ টাকা দাবি করে তারপর জোরাজুরি করে ৪০০০ টাকা দেই। লাইসেন্স জরুরি ছিল

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ ৳১.৭ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

ট্রেডলাইসেন্স

ট্রেডলাইসেন্স করার জন্য ৪০০০ টাকা আগেই গুষ দিতে হয়েছে। গুষ এর টাকা দেয়ার পরের দিন তারা ফাইল প্রসেস করে।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka - South ৳৪.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

নতুন ট্রেড লাইসেন্স

নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম আমি। ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য খরচ পাতি চেয়েছে। ৩০০০ টাকা চেয়েছিল। আমি ২০০০ টাকা দিয়েছি। টাকা টা দেওয়ার জন্য পাবলিক টয়লেট এ গিয়ে দিতে হয়েছে। ওয়ার্ড ১৯।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

ওয়ার্ড কমিশনার এর কার্যালয় থেকে নাগরিক সনদ উত্তোলন

আমার কাছে ঢাকা,বাসাবো ৪ নং ওয়ার্ড এর কার্যালয় থেকে নাগরিক সনদ উত্তোলন এর জন্য ২০০ টাকা দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত ১০০ টাকা পরিশোধ করে আমি উত্তোলন করি।আমার জানা মতে এই কাজের জন্য টাকা নেওয়ার কোনও বিধান নাই।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

Nid card এর জন্য নিবন্ধন

আমি আমার ভোটার আইডি কার্ডের জন্য অফিসে যাই তারপর তারা আমাকে বলে এগুলো সময় নিয়ে করতে হবে তাই অনেক দেরি হবে তারপর তারা সরাসরি আমার কাছে টাকা চায়। তাও ভোটার আইডি কার্ডে আমার মায়ের এনআইডি নাম্বার ভুল করে।

ঘুষ দিয়েছি
Mymensingh ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

নাগরিকত্ব সনদ

নাগরিকত্ব সনদ পেতে কম্পিউটারে কাজ করতে হয় বলিয়া ৫০০ টাকা চেয়ে নেয়। পার্শ্ববর্তী দোকানের কম্পিউটার অপারেটরকে সরকারি লোক বলে দাবি করে অফিসে বসা এক লোক।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

নতুন ট্রেড লাইসেন্স

নতুন ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম। কাগজপত্র ঠিক ছিল, লোকেশন ঠিক ছিল, নিয়ম মেনে করেছিলাম। কিন্তু অযথা নানা অজুহাতে ৩০০০ টাকা দাবী করে, নাহলে ট্রেড লাইসেন্স দেবে না। বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
রাজশাহী ৳৩.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরম জমা

আমি যখন আমার মায়ের বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরমটি জমা দিতে যাই তখন সেখানে থাকা কেরানি বলল ফরমের সাথে ১০০ টাকা লাগবে। যার কোন রিসিভ আমাকে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে বুঝতে পারলাম এটা আসলে ঘুষ ছিল।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

জাতীয়তা সনদ (ইংলিশ, বাংলা), নতুন ভোটার প্রত্যয়ন, নতুন ভোটার ফাইল স্বাক্ষর

উল্লেখিত কাগজ এবং সেবা পেতে সরকারি পাওনা দেওয়া লাগে ১০.৫০x৩ টাকা অর্থাৎ ৩১.৫০ টাকা। কাগজ আসার পর সরকারের পক্ষ হতে বিনামূল্যে প্রিন্ট দিয়ে দ্বায়িত্ব রত সচিব এর কাছ থেকে সই নিয়ে গ্রহিতার কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে আমার ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তা হলো, কাউন্সিলর অফিসে গিয়ে আবেদন করতেই আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১৫০ টাকা, কাগজ তৈরী হয়ে আসার পর নিয়েছে ২০০ টাকা, নতুন ভোটার ফাইল এ সচিবের স্বাক্ষর বাবদ নিয়েছে ২০০ টাকা, এমনিতে চা খরচ বাবদ পিওন নিয়েছে ৫০ টাকা। এখানে উল্লেখ্য যে, এই স্বাক্ষর পেতে এত খরচ হওয়ার কোনো নিয়ম নেই, সরকার এর পক্ষ হতে এই সেবা আমরা ৩১.৫০ টাকায় পাওয়ার হকদার। দিনশেষে, ৩১.৫০ টাকায় যে সেবা আমার সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়ার কথা, সেটা পেতে আমার খরচ করতে হয়েছে ৬০০ টাকারও বেশি।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳৬০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য