ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দাবি করে। আমি জামেলায় না জরিয়ে পরিশধ করি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দাবি করে। আমি জামেলায় না জরিয়ে পরিশধ করি।
Holding tax dite giye ekjon ee eto taka niye boshe ase
Demands Money for Each Cerification
i had to pay to get birth registration certificate
বাবার ডেথ সার্টিফিকেট তুলতে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করছিলাম। কিন্তু বারবার ভুল তথ্য প্রিন্ট আউট করে দিচ্ছিলো ওরা। ওয়েবসাইট এর ত্রুটি না ইচ্ছাকৃত ভুল জানিনা। ওয়ার্ড নং ১৯ এর জায়গায় ১৬। বললো ওয়ার্ড সচিবের sign লাগবে। ১৯, ১৬ দুইটাই ট্রাই করে দেখলাম। Sign দিলোনা সচিবেরা। এক ফ্রেন্ড বললো টাকা রাখতে হাতে, সে কথা বলে দেবে। তার পরিচিত একজন আছে। টাকা দিতে বাধ্য হলাম। ৫০০ যদিও দাবি করেনি। বললো একটা এমাউন্ট দিয়ে দিতে। ওয়ার্ড সচিবের sign লাগলোনা।নতুন ডেথ সার্টিফিকেট হাতে পেলাম। ঐখানে ওয়ার্ড নং-এর অপশনই নাই।
জন্ম নিবন্ধনে মাতার নাম ভুল ছিল ভুল ছিল। সেটি সংশোধনের জন্য কাজ করাতে গেলে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়।
I need to transfer the flat owner's name . Needed to pay 8000/- through bkash
বরিশাল সিটি কর্পোরেশেরন সিভিল ইঞ্জিনদের সবাই 2/3টি বাড়ি তারা কত টাকা বেতন পাই তার কি ভাবে এত সম্পতির মালিক হয় কি ভাবে তাদের ব্যাপারে তদন্ত করা উচিত
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে নির্ধারিত টাকার বাহিরে অতিরিক্ত টাকা ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন হয় না বা করে না তারা বলে এটা নাকি অফিস খরচ আমি বললাম আমি তো সব টাকা জমা দিয়েই দিয়েছি তাহলে এটা আবার কিসের টাকা বলে যেটা অফিস খরচ এই বলে বাড়তি টাকা নেয়
আমার ট্রেড লাইসেন্স করতে সরকারি নিধারিত ফি ৭০০০ আমার কাছে ঘুষ বাবদ ৫০০০ টাকা, টোটাল ১২০০০ টাকা চাইছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এ।আমার কাছে এত টাকা নাই। আমি কি করব। আল্লাহ যেন জালিমদের বিচার করেন।আমীন।
নিজের আর নিজের পরিবারের দুইজন সদস্যার জন্য নাগরিক সনদপত্র নিতে গিয়েছিলাম সিটি করপরেশন অফিসে। বলল যে এটা নিয়ে আরেক জাগায় জেতে হবে কারন এখন এখানে মেয়র নেই(এটা ২০২৫ এর ঘটনা)। এরপর বলল অন্য আরেকটা অফিসে জেয়ে তাদের সাইন করাতে হবে, আর যাতায়াত বাবদ ৫০০ টাকা দিতে হবে। আমি ৫০০ টাকা দেয়ার পর বলে যে একেক জনের জন্য ৫০০ করে দিতে হবে। আমি অবাক হলাম, কিন্তু আমার কাগজ তা জরুরি দরকার ছিল জন্নে বেশি কথা না বারিয়ে দিয়ে দিলাম। পরেরদিন সেই লোক আমাকে ফোন দিয়ে বলে আমি গেসিলাম কিন্তু উনি আজকে বশেনাই জন্য সাইন হয়নাই, তাই আবার যেতে হবে, র আবার টাকা দিতে হবে যাওয়ার জন্য। পরে আবার কিছু টাকা দেই, সম্ভবত ১০০০ টাকা। তিনজন এর কাগজ একই জায়গা থেকে সাইন করালে কেন প্রত্তেকের জন্য আলাদা যাতায়াত খরচ দিতে হবে সেটাই আমার প্রশ্ন।
আমি হোল্ডিং ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন জন্য আবেদন করি তখন তারা বেশি টাকা দাবি করে,আপনি যদি না মানেন তাহলে আরো বেশি কর ধরা হবে। ই হোল্ডিং ট্যাক্স আরো বেশি টাকা দাবি করে।
ফেনী পৌরসভায় বাড়ির নকশা জমা করার পর প্রকোশলী ঘুষ দাবি করেন । আমরা তাকে ঘুষ প্রদান করি এক লাখ টাকা। কিন্তু কিছুদিন পর উনি বদলি হয়ে চলে যান অন্যত্র । এখন নতুন প্রকোশলী এসে আবার টাকা দাবি করছেন এবং ফাইল রিলিজ করছেন না।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের কাজ ছিল । সরকারি ভাবে ফি ছিল ৯০০০ টাকার মত । অতিরিক্ত ১০০০ টাকা নিয়েছে চা নাস্তা খাওয়ার জন্য । চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ওয়াসা মোড়ের অফিসে হয়েছিলো ।
ঢাকার উত্তর সিটি কর্পোরেশনে আমি নাগরিক সনদপত্র উত্তোলনের জন্য গেলে আমাকে বলা হয় এক মাসের মত লাগবে। আমি বললাম আমার আর্জেন্ট লাগবে। সে বলল আর্জেন্ট হবে না। কিন্তু আপনি কিছু খরচপাতি দিয়ে গেলে লোকজন করায় রাখবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কত দিতে হবে। সে বলল ১০০০ দিয়েন। আমার কাছে ৫০০ ছিল আমি সেটাই দিয়ে এসেছি। আমি জিজ্ঞেস করলাম এখন কি তাড়াতাড়ি দেয়া যাবে কিনা সে আমাকে বলল- যে স্যার সিগনেচার করবে উনি এখন অফিসে নাই। আমি আরো এক ঘন্টা ওয়েট করলাম তারপরও সে আমাকে সিগনেচার করে এনে দিতে পারে নাই। পরে বলল পরের দিন আসতে আমি আবারো টাকা খরচ করে পরের দিন গেলাম। তখন অন্য একজন এর টেবিলে আমাকে পাঠায় নাগরিক সনদপত্র নেওয়ার জন্য। আমি নিয়ে পরে আমি সাইড দিয়ে বের হয়ে আসি।
আমার নিজের জম্ম নিবন্ধন অনলাইন হওয়ার পর চেক করে দেখি স এর জায়গায় ই হয়েছে। সেটা আমি নিজেই সংশোধন করি এবং পিন নম্বর নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ এ যায়। আমার থেকে টাকা ছাড়া তারা না দেওয়ার জন্য নানা অজুহাত দেখায়। অবশেষে 300 টাকা দিতে হয়।
দাবি করা হয় আপনার হোল্ডিং ট্যাক্স চারগুণ করে দেওয়া হবে, টাকা পরিশোধ করলে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়বে না।
ট্রেড লাইসেন্স বানাইতে হলে নাকি সিটি করপোরেশনের ফি ব্যতিত তাদের ১০০০-১২০০টাকা দিতে হবে।
এখানে কাউন্সিলর অফিসে যে কোন কাজে ২০০-১০০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়।
আমি নূরেরচালা-ভাটারা স্থায়ী বাসিন্দা। বাবা মারা যারার পর ওয়ারিশ সনদ তুলতে মার্চ ২০২৬ DNCC মহাখালী অফিসে যাই। আমাকে প্রায় এক মাস নানা অজুহাতে ঘুরানো হয়। পরে সেখানকার এক কর্মচারী আমাকে উপদেশ দেয় যে অমুক স্যারকে কিছু খরচের টাকা দিতে। পরে ঐ অফিসারকে বকশিস এর কথা বলতেই উনি ৫০০০ টাকা দাবী করেন। ৫০০০ টাকা দেয়ার একদিন পরেই দেখি ওয়ারিশ সার্টিফিকেট রেডি হয়ে গেছে।