সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৮১৪ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সিটি কর্পোরেশন

বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান

৩ বছরের বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স এর চিঠি আসে ১১৯০০০ টাকা ৭ কার্য দিবসের মধ্যে দিতে হবে না হলে মামলা হবে। আমি সিটি কর্পোরেশন এ গিয়ে বলি আমাকে ত কোন রিমাইন্ডার লেটার না দিয়ে ফাইনাল নোটিশ দিলেন। বলে তারা নাকি নোতিশ দিয়েছে। তারপর বলল তারা কমাতে পারবে। কিন্তু ৫০০০০ টাকা দিতে হবে। পরে ৫৯০০০ টাকা ট্যাক্স আর ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে সব রেগুলার করি। আমি নিজে সরকারী ৫ম গ্রেডের কর্মকর্তা হয়েও এখান থেকে নিস্তার পেলাম না মামলার ভয়ের কারনে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫০.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

হোল্ডিং ট্যাক্স এ্যাসেসমেন্ট এর জন্য। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তর।

আমার বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স রি এ্যাসেসমেন্ট জন্য একজন র্্যবেনিউ ইনস্পেক্টর ( মিরপুর দশ নং অফিসে) এই পরিমাণ টাকা দাবি করে। আমি দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকার ৳৪৫.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

হোল্ডিং ট্যাক্স ডকুমেন্ট ইস্যু

গত মঙ্গলবার সরকারি ফি 10000 টাকা বলে নিয়েছে কিন্তু কোন রিসিট দেয়নি, তার বাইরে খরচ হিসাবে আরও 4 হাজার চেয়েছে কিন্তু আমি কাগজ পাইনি এখনও

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳১৪.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

হোল্ডিং এ নাম অন্তর্ভুক্তকরণ

হোল্ডিং এ নাম অন্তর্ভুক্তকরণের জন্য চল্লিশ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিল। না দেয়ায় ছয়মাস ঘোরায়। অবশেষে বিশ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা ৳২০.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

বাড়ির ট্যাক্স

ট্যাক্স অফিস থেকে তারা এসে প্রতিনিয়ত এরকম ট্যাক্স দাবি করে, আমাদের ১০ তলা বিল্ডিং আছে পাঁচ তলা পর্যন্ত বিক্রি করা বিল্ডিং যেগুলো তো মার্কেট বসে ঘড়ির মার্কেট আর উপরের পাঁচতালা আবাসিক ভবন, এখন টেবিলে নগর ভবন থেকে যে এই এলাকায় দায়িত্ব আছে তিনি এসে যেখানে দেখা হয় সেখানে এসব ঘুষের তার কথা সরাসরি দাবি করে। এবং পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে নগর ভবনে যেতে হয় এবং সেখানে তারা সরাসরি এসব ঘুষের আলোচনা করে এবং ঘুষের দাবি করে। এবং বাধ্য হয়ে কিছু কমিয়ে ২ লাখে টাকার মত তারা আবদার করেছে এবং সেটা পরিশোধ করার বাধ্য হতে হয়েছি।

ঘুষ দিয়েছি
পাটুয়াটুলি, কোতোয়ালি থানা সদরঘাট ৳৩.০০ লাখ
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

জন্ম নিবন্ধন এ বাংলা নাম সংযোজন

জরুরি প্রয়াজনে সন্তানের জন্ম নিবন্ধনে বাংলা নাম সংযোজন করতে হয়েছিল। আমাকে বলা হয়েছিল ৭ দিনের মধ্যে নিয়ম মাফিক পাওয়া যায়। তারপরও ৫০০/- টাকা এক্সট্রা দিতে হবে। নয়ত কবে হবে তার কোন ঠিক নাই। আর সাথে সাথে পেতে হলে সরকারি ফি বাদে ৭০০/- টাকা দিতে হবে। ৭০০/- কি আর ৫০০/- কি তাই ৭০০/- দিলাম।

ঘুষ দিয়েছি
dhaka ৳৭০০
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

নতুন ট্রড লাইসেন্স

আমা গত ২৫ শে আগষ্ট নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য গেলে মোট ৭০০০ টাকা দাবী করে সরকারী জমা ছিল ৪২৫৭/টাকা

ঘুষ দিয়েছি
মোহাম্মূপুর ৳২.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

জন্ম নিবন্ধন

দক্ষিণ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের জন্ম নিবন্ধনের জন্য 4000 টাকা দেয়া হয়েছে তারপরেও জন্ম নিবন্ধন নামের বানানে ভুল করেছে

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৪.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

নতুন ট্রেড লাইসেন্স

ব্যবসার ধরন কনসালটেন্সি ক্যাটাগরিতে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী টাকার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫৫০০ টাকা। আমার কাছে দাবি করা হয় ৭০০০ টাকা।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

ট্রেড লাইসেন্স

খুলনা সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স করতে এবং রিনিউ করতে ১,০০০ টাকা করে অতিরিক্ত দিতে হয়। এটাকে ঘুষ না বলে উনারা “চা-পানি খরচ” বলে।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা ৳১.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

ওয়ারিশ সনদ

আমার মাকে পাঠিয়েছি ওয়ারিশ সনদ বানাইতে। সাথে প্রয়োজনীয় সকল কাগজ দিয়েছি, তারা অফিস খরছ বলে ২০০০টাকা নিলো। ১মাস পরে হাতে পেয়ে দেখি প্রধান দুইটি ভুল। সবার নামের বানান আর গ্রাম দিয়েছে পাশের গ্রামের নাম। তাকে প্রশ্ন করা হলে বলে আপনার গ্রামের বানান আমার জানা নাই তাই পাশের গ্রামের নাম দিয়েছি। যদিও আমি সকল কাগজ দিয়েছিলাম, সেখানেই আমাদের সকলের নাম এবং গ্রামের বানান ছিলো। এই সনদ পুনরায় ঠিক করতে ৬০০ দিতে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী ৳২.৬ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

Holding ট্যাক্স

হোল্ডিং ট্যাক্স এর অবাস্তব টাকা ধার্য করা হয়েছিল। সেটাকে সাধারণ আওতায় আনার জন্য, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অফিসে আমি এই ৪৫ হাজার টাকা পরিশোধ করে তাকে নির্ধারিত টাকায় নিয়ে আসতে চেষ্টা করছি। এখনো পুরোপুরি সফল হয়নি।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৪৫.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

হোল্ডিং ট্রাক্স

আমরা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (DNCC) নতুন ভুক্ত এলাকার বাসিন্দা। এতদিন কোনো নাগরিক সেবা না দিলেও সম্প্রতি উন্নয়ন কাজ শুরুর সাথে ২০১৮ সাল থেকে বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের নোটিশ দেওয়া হয়। আমি সব কাগজপত্র জমা দিই। কিন্তু দায়িত্বরত কর্মীরা মাসিক ট্যাক্সের যে অতিরিক্ত হিসাব দেখান, তাতে ২০১৮ সাল থেকে মোট বকেয়া দাঁড়ায় প্রায় ৫,০০,০০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা। ​পরবর্তীতে কর্মচারীরা বিষয়টি "রফা" করার প্রস্তাব দেয়। তারা জানায়—বার্ষিক ট্যাক্স ৩০,০০০ টাকায় নামিয়ে দেওয়া হবে, তবে এর জন্য ২,০০,০০০০ (দুই লাখ) টাকা ঘুষ দিতে হবে।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳২.০০ লাখ
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

জন্ম নিবন্ধন তৈরি

জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম। ওইখানের পিয়ন ৫০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল, না হলে কাজ করে দিবে না। অর্থাৎ আমার কাগজপত্র ঠিকমত জমা দিতেও আগ্রহী ছিল না

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা কাওরান বাজার সিটি কর্পোরেশন অফিস ৳৪০০
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

ট্রেড লাইসেব্স

“আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে চট্টগ্রামসিটির সদঘাট থানার ৩০ নং ওয়ার্ড অফিসে যাই। সরকারি ফি- 1,850 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 3000 টাকা। অবশেষে আমি 3000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।”

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳৩.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য