Holding tax assessment
মিনিমাল হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট করার জন্য ১০০০০হাজার টাকা দাবি করেছিল। দাবি না মানায় ৫০০০টাকার পরিবর্তে ৪৫০০০হাজার টাকা ট্যাক্স নির্ধারণ করে দিয়েছে। পরে ৭০০০হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে ৬০০০হাজার টাকা ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মিনিমাল হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট করার জন্য ১০০০০হাজার টাকা দাবি করেছিল। দাবি না মানায় ৫০০০টাকার পরিবর্তে ৪৫০০০হাজার টাকা ট্যাক্স নির্ধারণ করে দিয়েছে। পরে ৭০০০হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে ৬০০০হাজার টাকা ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে ।
আমার দোকানে প্রতি মাসে বেড বাবদ সরকারিভাবে জমা দিতে হয় ১০ হাজার টাকা তাকে দিতে হয় ৮ হাজার টাকা মোট ১৮ হাজার টাকা দিতে হয় । কিন্তু আমি সেটা না দিয়ে পুরাটাই সরকারি দপ্তরে জমা দিতে চাই বিদায় তার সে আমার দোকানের নামে মামলা করে দে। সে মামলা সে মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে আমি যখন উকিল দরি। উকিলের মারফতে নগর ভবনের সাত তলায় তার অফিসে আমাকে ডেকে নিয়ে যায় এবং ডেকে নিয়ে সে আমার কাছ থেকে এই মামলার নিষ্পত্তির জন্য ম্যাজিস্ট্রেট ৭ লক্ষ টাকা দাবি করে । পরবর্তীতে উকিলের উপস্থিতিতে অনেক দর কষাকষি করে ৬ লক্ষ টাকা দিয়ে এই মামলা থেকে আমি বের হয়ে আসি।অর্থাৎ ঢাকা শহরে আমি চাইলেও সঠিকভাবে আয়কর দিয়ে পরিদর্শকদের কোন টাকা না দিয়ে কোন প্রকার দোকান করতে পারি না।
This is the procedure we must followed as few details need to change during trade license renewal.
জন্ম নিবন্ধন করতে যাইলে টাকা ছাড়া হয় না। টাকা না দিলে বিভিন্ন অযুজাত দেখায়।
They demand 2000 Taka minimum for each new trade license & minimum 1000 Taka for renew. New people appointed under ruling party local leaders who are specially engaged with this. Have no changes in last 20 years!
সরকারী ডাটা মতে ২২০০+- এর মত লাগার কথা। তারা বলে ৭০০০ টাকা দেন ২ দিন পরে এসে নিয়ে যাবেন। আমি দেইনি। আমি পরে NBR এর ওয়েবসাইটে apply করি। ২ মাস হয়ে গেছে, এখনও পেন্ডিং দেখায়। আর এখনও করা হয়নি। ঐ অবস্থায় এখনও আছে। I'm not going to do Trade license in this illegal way, I'm not doing anything wrong. So, I'm just waiting for the approval. I don't thing so that it will be approved legally. Frustrated!
আমি পারিবারিক সনদপত্র বানানোর জন্য ওয়ার্ড কাউন্সিল এর কাছে সিল নিতে গিয়েছি। আমাকে উনি সব কাগজ আনতে বলছে, আমি সব নিয়ে আসছি।সব দেখার পর উনি বললো, সব তো ঠিক আছে তো ফি দিয়ে যাও।আমি বললাম কিসের ফি,পারিবারিক সনদপত্র তো কোন টাকা লাগে না। উনি বললো সিল তো দিবো তবে ওরা কাজ করার সময় ভুল ধরবে এটা যেনো না ধরে তাই একটু খরচা দিতে হবে। তখন উনি সবার সামনেই ২৫০০৳ চাইলো।আমি না করছি।উনি বললো টাকা না দিলে কাজ হবে না,টাকা নিয়ে আসো কাজ হয়ে যাবে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স বানাতে গিয়ে কয়েক টেবিল মিলিয়ে প্রায় ৩০০০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করা হয়। তন্মধ্যে আমরা ২০০০ মতো পরিশোধ করেছি। বাকিগুলো পরে দিবো বলেছি। ৭ লাখ টাকার একটা OTM কাজের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার জন্য ৩ জন ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন দালাল মিলে প্রায় ৯০ হাজার টাকা নিয়েছে। প্রতি ১ লাখ টাকার রানিং বিল তোলার জন্য প্রায় ৪-৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় আবার। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটা টেবিলই ঘুষখোর অফিসারদের স্বর্গরাজ্য। ঐখানে টাকা ছাড়া কোনো ফাইল পাশ হয় না। এবং এগুলো খুবই ওপেনলি নেওয়া হয়।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অফিসে গেলে অফিস সহকারী জানান ১০০০ টাকা লাগবে। তা না হলে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন হবে না।
সাভার পৌরসভায় একটি ভবনের নকশা অনুমোদনের জন্য সাধারণত একজন গ্রাহককে ১৮ থেকে ৫০ হাজার টাকা, সরকারি অনুমোদন ফি এর বাইরে পরিশোধ করতে হচ্ছে।
ফ্ল্যাট কেনার পরে ব্যক্তির নাম পরিবর্তন করতে সরকারি ফি বাদে অতিরিক্ত 5000 টাকা দাবি করে, বলে যে এটা না দিলে 1 বছরেও হবেনা। ব্যস্ততা ও অতিরিক্ত ঝামেলা এড়াতে টাকাটি দিয়ে দিলেও 6 মাস হবার পরেও এখনও সংশোধন হয়নি, যোগাযোগ করলেই বলে আরও সময় লাগবে। এছাড়াও বলে রাখি, প্রথম মালিকের নাম ও সমস্ত ডকুমেন্ট নেওয়ার পরে ওনারা নাম ভুল এন্ট্রি দেই, অনারদের এই ভুল সংশোধন এর জন্য আবার 3000 টাকা নিয়েছে। আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া ছাড়া আর কিছু বলার নাই, শুধু এটাই মনে হয় যাদের সামর্থ্য কম না জানি তারা আরও কতো হেনস্থা হন এমন সরকারি সেবা কেন্দ্র থেকে। ধন্যবাদ এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার জন্য, কোনো রকম যদি পদক্ষেপ নেওয়া হয় আর ঘুষ ও দূর্নীতি প্রকৃতপক্ষে বন্ধ হয় তবেই সার্থক হবে। জাজাকাল্লাহ খয়রান।
ami oikhane jai chair man certificate ta nite jate nid ta korte pari but ora direct bole dise shobar theke 1000৳ nei tumi porichito manush tai tomar 500 dite hobe ki ar korar argent nid card lage tai 500 tk diye chairman certificate nitw hoise
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য ১০০০ টাকা দাবী করা হয়েছিল। পরে দেওয়া লাগছে।
রেস্টুরেন্টের জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে অনলাইনে আবেদনের সাত দিনের পরেও কোন কাজ না হওয়ায় DNCC অফিসে যাই, সেখানে আবেদনের নম্বর দিয়ে খোঁজ করলে একজন জানান - অনলাইনের ওই আবেদন পত্র দিয়ে কাজ হবে না, অনেক কাগজ লাগবে, দশ হাজার টাকা দিতে হবে। পরে নয় হাজার টাকায় রফা হয় ও আমরা তা পরিশোধ করি। এখনও কাজ ট্রেড লাইসেন্স হাতে পাইনি।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে বলা হলো ৭০০০ লাগবে, অফিসে টাকা জমা দেওয়ার সময় রশিদ কাটলে রশিদ দেওয়া হবে। বাস্তবে রশিদ দেওয়া হলো ২৭০০ ও ৩০০ টাকার। বলা হলো বাকি টাকার রশিদ কোথায়? ওটা আছে, পরে নিয়ে যাবেন। সেই থেকে দিচ্ছে ও নেওয়া হচ্ছে!!!
আমার বড় বোনের ইংরেজি নিবন্ধন নেয়ার সময় সরকারি ফি বাদে টাকা দাবি করে। আমি দিয়েছি তাও কাজ হয় নি এখনও পাইনি। কবে পাবো আল্লাহ জানে।
I just wanted to reprint my birth certificate and there was no change or revision needed in my birth certificate but officials from Lalpur municipal asked for bribery to get the certificate reprinted. Officials are from same village and they know that we have been living abroad. That is why , they started to give some false excuse. Once we agreed to pay 5000 BDT, within 2-3 days, they issued certificate. I had also some urgency because I need that to do PR application in Canada. I think Thana level officials are also involved with this process. I don't believe this government will be able to control or reudce the level of bribery.
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আমার ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্সে ই-মেইল আইডির ১টি অক্ষর ভুল ছিল। সেইটা সংশোধনের জন্য আমি স্বশরীরে গেলে ওরা ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি প্রতিবাদ করি এবং ঘুষ না দিয়ে চলে আসি। ফলে সেই সংশোধনের কাজটা আজও হয় নাই। আমার এপ্লিকেশন সেইভাবেই ওদের দপ্তরে পড়ে আছে। এখন প্রশ্ন হতে পারে এই সংশোধনটা কেন এতো জরুরী। কারণ https://erevenue.dncc.gov.bd/ এই ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করার পরে আপনার ট্রেড লাইসেন্স লিংক বা সংযুক্ত করা লাগে। আর সেই সংযুক্তির সময়ে সিসটেম একটা otp পাঠায় রেজিষ্ট্রার ই-মেইলে। যেহেতু আমার ই-মেইলটা ভুল এন্ট্রি করা হয়েছে, তাই OTP ভুল আইডিতে চলে যায়। ফলে আমি আর ট্রেড লাইসেন্সটি এড করতে পারি নাই।
ঢাকা দক্ষিন সিটি করপোরেশন নগর ভবন প্রকল্প ফাইল সাইন করা বাবফ ১.৬ কমিশন হিসাবে ৪,১৭,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করে।টাকা দেয়াতে দির্ঘ্য দিন আমার ফাইল আটকে রাখে জামাল সাহেব। গত ২৪/০৮/২৬ তারিকে টাকা পরিশোদ করি। নগর ভবন ঘুষ ছাড়া কোন ফাইল সাইন হয় না।।
নতুন বাড়ি করায় ট্যাক্স নতুন করে ধার্য্য করতে এসেছিল। বাড়িটি প্রথমে তিন তলা পড়ে ছয় তলা করা হয়। দুই দফায় ওই টাকা খেয়েছে।