17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার প্রথম শিশু জন্মের ৪ মাসের মাথায় জন্ম নিবন্ধন করতে আমগ মিরপুর ১১ নম্বরে অবস্থিত সিটি কর্পোরেশন এর কাউন্সিলর অফিসে যাই সেখানে আমার কাছে জন্ম নিবন্ধন করতে ১০০ টাকা দাবি করা হয় । অথচ ৪৫ দিন থেকে ৫ বছরের মধ্যে: জন্ম বা মৃত্যুর ৪৫ দিন পর থেকে ৫ বছর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন ফি ২৫ টাকা। এই তথ্য দেয়ার পরও তারা আমাকে বলে এটাই নিয়ম এবং ৭৫ টাকা অতিরিক্ত দিতে বাধ্য হই।
licence ar jonno tk diselam 4500 tk, but amr licence ar gov free cilo 700 tk , 700 tk ar rosid dise r amr kas thake tk nise 4500
আমার পারিবারিক সনদের প্রয়োজন ছিল, আমি সমস্ত ডকুমেন্ট সাবমিট করি তাদের কথা অনুসারে। কিন্তু তারা আমাকে অনলাইন সার্ভিস চার্জ নামে ২০০ টাকা দিতে বললো তানাহলে সনদ দিয়া যাবেনা। বাধ্য হয়ে আমাকে সেই টাকা পরিশুদ করতে হলো। সুদ যে আমি তা না প্রতিটা নাগরিক এর কাজ থেকে তারা আমার সামনে ২০০ টাকা করে নিচ্ছে। এই অফিসের প্রতিটা লোক যারা কম্পিউটার নিয়ে কাজ করে সাধারণ মানুষ সেবা নিতে গেলে অনলাইন চার্জ নামক মুলা জুলিয়ে দেয়। আপনি টাকা না দিলে আপনি শুদু অহবেদন এই করতে পারবেন মাসের পর মাস আপনাকে গুরাবে কাজ আর হবেনা।
২০১৯ সালে জন্ম নিবন্দন করতে গিয়েছিলাম । তারা কারেন্ট বিলের কপি , গ্যাস বিলের কপি , পানির বিলের কপি , কাউন্সিলরের সাক্ষর , নাগরিক সনদ আরো হাবি জাবি অনেক কিছু চাইলো যা মনে পড়ছে না আবরি সময় ও লাগবে ১ মাসের মত। তো ফিরে আসার সময় এক মহিল্লা ডেকে বল্লো আমি জন্মনিবন্দন বানিয়ে দিতে পারবো ১০০০ হাজার টাকা লাগবে । তারপর মুলামুলি করে ৫০০ টাকায় রাজি হয়েছিল ৩ দিনের মাথায় পেয়ে গেছিলাম
মূলত গত ৪ বছর ধরে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে ৩,০০০ টাকা করে ঘুষ রাখতো ঐখানে কর্মরত একজন দাপ্তরিক কর্মকর্তা। পরবর্তীতে গতবছর আমি কোন ঘুষ ছাড়া নবায়ন করতে পারি। কিন্তু আমি যে ১২,০০০ টাকা ৪ বছরে দিয়েছি তার কোন হিসাব নেই।
একটি বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলী।যেটি স্বাভাবিক ভাবে আমার অধিকার ছিল।আমি যখন আবেদন করি আমাকে ৫০,০০০/- টাকা দিতে বলে।
সিটি কর্পোরেশন ৩৯ নং ওয়ার্ড। সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও আমার ফাইল ওয়ার্ড অফিসের কর্তব্যরত লোক আমার ফাইল নিজের কাছে রেখে দেন এবং অন্য একজন মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।পরবর্তীতে একজনের সাথে যোগাযোগের পর ২০০০ টাকা দাবী করেন।দাবীকৃত টাকা পরিশোধ করার এক দিনের মাথায় আমার বাবার মৃত্যু সনদ ইস্যু হয়।বর্তমানে ওয়ারিশ সনদের আবেদন পেন্ডিং আছে হয়তো এটিও ঘুষ ছাড়া হবে না।
ওয়ার্ড সিটি করপোরেশন অফিসে (বিবিরহাট ৭ নং ওয়ার্ড) গেছিলাম টিসিবি কার্ড তৈরি করতে। প্রথমে বললো এখন হবে না পরে। এর বারবার বিরক্ত করায় বললো ৩০০ টাকা লাগবে। না পারতে দিতে হলো। মধ্যবিত্তের একটু সাশ্রয়ের আশায়।
আমার একটা হোল্ডিং নম্বর এর জন্য, যিনি দায়িত্বরত আছেন তাকে ফোন করে বলছি, তিনি বলেন যে খরচ পাতি আছে ৫০০ টাকা দিলে কাগজ পাওয়া যাবে। আমার জমির নামজারি এবং এন আইডি ফটোকপি চাইছে। আমি পরে আর তার সাথে যোগাযোগ করি নাই। তিনি ৩ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বরত আছেন।
আমার ছোট ভাই এর পাসপোর্ট হিসাবে জন্মনিব্ধন করা হয়েছে এখোন তার বিদেশে পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আগের আর,এম,পি পাসপোর্ট নতুন করে আর বানাতে পারছেনা নতুন ডিজিটাল পাসপোর্ট বানেতে যাই দেখা গেলো তার জন্মনিব্ধন অনলাইন করা নাই,ইউনিয়ন অফিসে যাই যোগাযোগ করলাম তারা চেক করে দেখলো এই নম্বারে অন্য কারো নামে নিবন্ধন করা আছে তাহলে আমরা যে আগের নিবন্ধন করেছিলাম সেটা ইউনিয়ন পরিষদ কিভাবে দিয়োছিলো,এখোন যখোন বললাম আমাদের পাসপোর্ট দিয়ে নতুন করে একটা করতে বললাম বললো তা করা যাবে না,পরবর্তীতে ৫০০০ টাকা দিলে করে দিবে পস্তাব দেয়, আমরা ও ৫০০০ দিয়ে করতে বাধ্য হই নাহলে সে দেশে আসতে পারবে না।
ওরা ঘুষ চাই কাজ করবে যদি ২০০০০ টাকা দিই
সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স সর্বনিম্ন মূল্য ৪১৩৭ টাকা প্রতি বছর, এই সর্ব নিম্ন ট্যাক্সটির জন্য ওনারা সব কাগজ পত্র আপিল সহ রেডি করে দিবেন, তাই প্রতি ফ্ল্যাট ১৫,০০০ টাকা ঘুষ নিচ্ছেন। ঘুষ না দিলে ওনারা বেশি এমাউন্ট এর ট্যাক্স ধরবেন।
নগর ভবন এর জোন ৪ এর একজন কর্মকতা লিফট এর ১১ জন্ম নিবন্ধর এর এন্ট্রি করে , জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি হলো ৫০ টাকা সে চায় ৫০০ টাকা আর ৫০০ টাকা না দিলে নাকি হবে না।
পঞ্চগড় পৌরসভায় দীর্ঘদিন পূর্বে আমার পরিবারের সদস্যদের জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের আবেদন করা হয়। উক্ত কাজ পৌরসভার জন্ম নিবন্ধন শাখার কর্তৃপক্ষ নিজের দায়িত্বে নেন। অতঃপর উক্ত জন্ম নিবন্ধনে অজ্ঞাত কারো মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নতুন আপডেট জন্ম নিবন্ধন চাইলে আমি পুনরায় নতুন অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে গেলে পূর্বে ব্যবহৃত ফোন নম্বর দেখতে পাই। উক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য আমি প্রায় 1 মাস পৌরসভায় ঘুরেছি কেউ কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না সমাধান তো দুরের কথা। এরই মধ্যে কয়েকজন পৌরসভার কয়েকজন আমার কাছে সর্ব নিম্ন 5000 টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করে বলে যে, এই টাকা দিলে সেটা সমাধান করা যাবে। অর্থ্যাৎ যেটা তাদের দায়িত্ব সেটা পালন করতে তাদের 5000 টাকা প্রদান করতে হবে।
প্রথমে নকশা অনুমোদন দিয়েছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন অযুহাতে কাজ বন্ধ করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। তাই বাধ্য হয়ে ঘুষের টাকা পরিশোধ করা হয়। যদিও অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী বিল্ডিং করা হচ্ছিল ।
পঞ্চগড় পৌরসভায় অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে আমি বেশ কয়েকটি অভিযোগ তুলে ধরছি। প্রথমতঃ পঞ্চগড় পৌরসভার কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন। এছাড়াও যারা কোনো কাজের জন্য আলাদা চা খাওয়ার টাকা/ঘুষ দেন না তাদের সাথে খারপ আচরণ করেন এবং আজ দিব কাল দিব বলে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপন করান। দ্বিতীয়তঃ কর্মকর্তা, কর্মচারীরা মানুষের কাগজ অথবা ডকুমেন্টের কোনো গুরুত্ব বা প্রয়োজন বিবেচনা করেন না। ধরেন একটি জন্ম নিবন্ধনের জন্য আপনি তাদের 10 দিন সময় দিচ্ছেন এর মধ্যে জন্ম নিবন্ধন ছাড়া আপনি বিদেশে যেতে পারবেন না এমন পরিস্থিতিতে দেখা যাবে তারা আপনাকে অযথা বসিয়ে রাখবে নির্দিষ্ট কারণ বলবে না অন্য কাজ করবে শেষে বলে দিবে আজ হবে না কাল বা পরশু আসেন।
আমি একজন বিধবা নারী আমার বয়স 30। আমার একমাত্র সন্ত্রান শারীরিক প্রতিবন্ধি। তার জন্ম নিবন্ধনটি করার জন্য আমি পৌরসভা গিয়েছিলাম। অতঃপর অনলাইনে আবেদন করে জমা দিয়েছি। আমার আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। আমি আবেদনের পর আমাকে 5 দিন পর যেতে বলেন জন্ম নিবন্ধন নেওয়ার জন্য। এভাবে আমি প্রায় 26 দিন পালাক্রমে ভাড়া খরচ করে পৌরসভা যাই। সেদিনও সেখানে থাকা কর্মচারীগণ আমাকে আরো পরে আসতে বলেন। এক পর্যায়ে আমি অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে বিষয়টি জানালে তিনি প্রতিবাদ করেন এবং কারণ জানতে চান একপর্যায়ে ব্যক্তির প্রতিবাদ স্বরুপ তারা টেবিলের সামনে থাকা ফাইলে খুজে আমার প্রতিবন্ধি ছেলের জন্ম নিবন্ধন বের করে দেন। পরবর্তী অনুসন্ধানে জানা যায় নিবন্ধনটি আবেদনের 7দিনের মাথায় সম্পন্ন হয় কিন্তু কর্মচারীগণ ইচ্ছাকৃত ভাবে আমার মতো অসহায়কে
আমার মেয়ের জন্ম সনদের তথ্য ভুল ছিল। সেটা সঠিক করার জন্য আবেদন করি। সচিব আমাকে বললো ১০০ টাকা দিতে। আমি জানি যে ফি হলো ৫০ টাকা। কিন্তু আমি তার ভাবভঙ্গি, আচরণ, ব্যবহার দেখে বুঝলাম আমি যদি তাকে ১০০ টাকা না দেই, সে আমাকে প্রচণ্ড হয়রানি করাবে। আমি একেবারে অসহায় হয়ে গেলাম এবং বিনা বাক্যে ১০০ টাকা দিয়ে দিলাম। সে আমাকে কোন receipt দেয় নি। এইভাবে সে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
আমি ট্রেডলাইসেন্স নবায়ন করব, বলল 12000 টাকা লাগবে। প্রশ্ন করলাম, আমি আপনাকে যা টাকা দেব সেই টাকাই কি লাসেন্স এ উল্লেখ থাকবে? বলল, করলে করান না হয় চলে যান। বধ্যগত করাতেই হলো, কিন্তু 10155 টাকা ট্রেডলাইসেন্স এ উল্লেখ ছিল। বাকি 1845 টাকা তার পকেটে।
Under Dhaka City Corporation, every house has a holding number. So, I went to the City Corporation office to apply for one. The officer checked all my documents and sent me to his assistant. The assistant politely collected all my papers and asked for 30,000 taka. I paid the amount, but unfortunately, he did not complete the work. A few months later, I heard that he had passed away. After that, I went to the new officer and explained everything. But the same thing happened again. They asked me for another 30,000 taka. I told them that I had already paid the same amount to the previous person, but they did not accept my explanation and again asked for the money. This time, I did not pay. Unfo