নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
motor saykel vat per head-100 tk. retan poti mash , fixced 2500 taka. 50 gari sales 50/100=5000 taka
In 2023 from USAID I've a package in USD 3000,000(Three million) and after reaching out Dhaka airport customs delivery department someone named Murad informed me and; he advised me to send him TK 55000 to his bkash number but I requested him that I'll pay him TK 100,000 please wait for only one week but he refunded to USAID bd office.
প্রতি মাসের ভ্যাট জমা দিয়াৰ জন্য ৫ হাজার করে চাইছে, তখন সরকার কে কিছু দিতে হবে না, এক কালীন টোটাল 20000 টাকা চাই,uttara, customs & vat office,dhaka
আমার কাঁচামালকে প্রস্তুত পণ্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে শুল্ক আরোপ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী Export-Oriented কোম্পানিগুলোর Electricity VAT মওকুফ করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু এটি প্রয়োগ করতে গেলে Customs Officer এবং BEPZA Officer ঘুষ দাবি করছেন। Customs Officer ৪৫,০০০ টাকা এবং BEPZA Officer ২০,০০০ টাকা দাবি করেছেন। Ishwardi EPZ
কাস্টমস অডিট পাস করানোর জন্য ঘুষ দাবি করছে।
মাল ছাড়াতে টাকা চেয়েছে
C&F এর AIN UnLock করার জন্য Operation Manager (OPM) ঘুষ নেন , তিনি একজন AC । কাস্টমস হাউসের ভেতরে বাম গলিতে কাস্টডিয়ান গলিতে 07 জন AC/DC বসেন, ওনারা প্রত্যেকটা কাজে বিভিন্নহারে ঘুষ নেন। তাদের পক্ষে সহকারী বা সিপাহীরা এই ঘুষ গ্রহণ করেন।
কাস্টমস এ প্রতিটি ডকুমেন্ট অ্যাসেসমেন্ট করার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে সহকারী রেভিনিউ অফিসার, রেভিনিউ অফিসারকে ঘুষ দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোনো ডকুমেন্ট এর কাজকরা যায় না। এই টাকার ভাগ বিভিন্ন দফতরে বন্টন ও হয়। কোনো ডকুমেন্ট রেভিনিউ অফিসারের উপরে গেলে সেখানে টাকার পরিমাণ আরো বেশি। এমন ও অফিসার আছে, যারা দিনে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়ে বাসায় ফেরেন। বহুবার লোকদেখানো অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এই ঘুষের রাজত্ব বন্ধ করার জন্য কেউ আগ্রহী না। সর্বোপরি, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস হচ্ছে দুধ দেওয়া গাভীর মতো। এখানো পোস্টিং নিতে বহু অর্থের লেনদেন হয় উপর মহলে।
আমি ১৫০০ টাকা দিছি কিন্তু কাজ গুলো বিনামূল্যে করার নিয়ম
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, গাজীপুরে গিয়েছিলাম একটি ভ্যাট চালানে সাইন করার জন্য। কর্মকর্তাকে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে সাইন করার জন্য এবং তিনি বললেন যে ঐ রুমে যান সীল দেবার জন্য। সেখানে অফিস সহকারী সীল দেয়ার আগে বলল টাকা দেন অনেক ব্যস্ত। তখন আমি বললাম যে কিসের টাকা, তখন সেই অফিস সহকারী আমার ফাইলটি আমার সামনে ছুড়ে মেরে বললো জানেননা এখানে টাকা লাগে? তারপর টাকা ৫০০ টাকা দিয়ে সাইন করিয়ে আনলাম।
আমি একটা চিঠি নিয়ে যাই। বিআরটিএ থেকে এই চিঠির উত্তর আনতে বলেছে। গেলাম চট্রগ্রাম কাস্টমস শাখায়। সেখানে চিঠি ইস্যু করাতে হবে বলল এক লোক। চিঠি ইস্যু করতে ৫০০ লাগবে। আমি বললাম কেনো, সেটার উত্তর নাই সবাই দিচ্ছে আর ইস্যু করাচ্ছে। করাইলাম ইস্যু তারপড়ে আমাকে পাঠালো ৮বি শাখায়। সেখানে বলল এটার তো অনেক কাজ আছে ৭/৮ দিন সময় লাগবে। আমি বললাম আমি তো ঢাকা থেকে আসছি একটু দ্রুত করেন। তখন সেখান কার একটা ছেলে বলল ১০০০০ দিবেন এখনি করে দিচ্ছি। ওখান কার অফিসার আর স্বাক্ষর করে নাহ। তারপড়ে তার পিয়ন বলল ৫০০০ দেন আমি স্যারকে দিয়ে করায় দিচ্ছি। আমি বাধ্য হয়ে তাকে ৪০০০ দিলাম,,, তখন সে স্বাক্ষর করে আমাকে দিলো। এটাই সরকারি অফিস।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস এর সাথে সংশ্লিষ্ট যতগুলো শাখা আছে সবগুলোতেই প্রতিদিন লেনদেন হয়।এখানে সর্বনিম্ন ৫০০টাকা, আর সর্বোচ্চ হিসাবের বাইরে। এই লেনদেনের সাথে যারা সেবা নেয় তাঁরাও জড়িত। কারন তাঁরাও সুবিধা নেয়।বিশেষ করে সিএন্ডএফ,শিপিং,ভেন্ডার, বার্থ অপারেটর,ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং, ব্যাবসায়ী ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান।
অহরহ আমদানি কারক এভাবে আমদানি করছে।অনেক আগে থেকে এভাবেই মালামাল আসছে।শুল্ক গোয়েন্দা অফিসাররা আসছে আমার মালামাল দেখার জন্য। জিজ্ঞেস করেছি,কি ধরনের তথ্য পেয়েছেন আমার মালামালে উপর।ওরা বলছে,আপনি সিগারেট নিয়ে এসেছেন।অথচ,আমার মালামাল ছিল ছোট পাখা। আমার মালামাল সঠিক পাওয়ার পর, উনারা ইঞ্চি নিয়ে বেশ ঝামেলা শুরু করেছে। অথচ এই দেশের বাজারে পাখা গুলো এভাবেই আসতেছে। আমার মালামাল সঠিক পাওয়ার পরেও আমার কাছে ৬ লক্ষ টাকা দাবি করে। ১ টা টাকাও কম দিতে পারিনি। শুল্ক গোয়েন্দা মানেই হয়রানি।। অথচ রাঘববোয়ালদের কেউ ধরতে পারে না।।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে আমার কাছে প্রায় দশ হাজার পাঁচশো টাকা চায়
গাড়িতে ওভারলোড হলেই ১০০ কেজি হোক বা ২০০ কেজি হোক ওভার একটু লোড হলেই ঝামেলা হয় ওইখানে অনেক গুলা দালাল আছে
Cox bazar Amon Kono hotel nai j custom office ghush dey na
বন্ডের মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্য কাস্টমস ছাড় করতে সর্বনিম্ন ৩০০০ টাকা থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত লাগে (পণ্য ভেদে)। যেটা আমরা প্রতিনিয়ত করে থাকি। আমি পরিশোধ কেনো করেছি? টাকা পরিশোধ না করলে পণ্য ছাড় করানো সম্ভব না তাতে করে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাধাগ্রস্থহবে। বন্ডের পণ্য বাদে অন্য পণ্যের ফাইল ছাড়াতে টাকার হিসাব আনলিমিটেড।
আমরা ইন্ডিয়া মেডিকেল পারপাসে যাই। আমাদের ভিশা ওকে ছিল। দর্শনা ইমিগ্রেশনের পুলিশ আমাদের প্রফেশন নিয়ে জেড়া শুরু করে। আমাদের NOC ছিল না বিধায় আমাদের আটকে দেয়।। আমাদের আগে থেকেই কিছু দরবেশ দের সাথে। পরে দরবেশ এটার মধ্যস্থতা করে আমাদের ইমিগ্রেশান এর ক্লিয়ারেন্স নিয়ে দেয় আর ৩০০০ টাকা ঘুষ অফিসার দেয়া হয়। সেটা অফিসের ভিতরে না, পাশের দোকান গুলো তে দরবেশ রা থাকে। এখানে অফিসারেরা নিজেরা ঘুষ টা নেয় না। অদের সাথে দরবেশ দের ভাল কানেকশন থাকে। তারা ভিতরে গিয়ে অথবা সুবিধা মতন সময় তাদের উতকোচ সরবরাহ করে।। আপনি পরিচিত নিজে গেলে সেখানে হেরেজ হবে। একমাত্র দরবেশ ছাড়া দ্রুত ইমিগ্রেশান পার করা যায় না।। বাহিরে যেতে এত গুলা কাগজ লাগে। কোন না কোন কাগজে ঝামেলা থাকেই। এগুলা র জন্য আটকে এরা হেরেজ করতে থাকে।।
কলকাতায় বেড়াতে গিয়ে, একটি নুডুলস মেকার এবং একটি মিট গ্রাউন্ডার মেশিন কিনে লাগেজে ভরে দেশে ফেরার পথে পেট্রাপোল কাস্টমস লাগেজ চেকিংয়ে আটকে দেয়, পরবর্তীতে দাবী বেশি থাকলেও রিকোয়েস্ট করে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে মেশিন দুইটা নিয়ে আসি।