মাসিক মাসোহারা
প্রতি মাসে এই পরিমাণ টাকা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও উপ কমিশনারকে দিতে হয়। নাহলে কাজে ঝামেলা করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতি মাসে এই পরিমাণ টাকা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও উপ কমিশনারকে দিতে হয়। নাহলে কাজে ঝামেলা করে।
FOC তে আসা মাল চট্টগ্রাম কাস্টমস থেকে ছাড়াতে ঢাকা উত্তর কাস্টমস থেকে একটা NOC নিতে হয়। তার জন্য আজ প্রায় ৩/৪ মাস যাবৎ ঘুরাচ্ছে। কাল শুধু এক টেবিল এই ২৫০০০/= টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। ঘুষ আগে ও ছিলো। কিন্তূ এখন বহুগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। দেখার কেউ নেই।
লাগেজ চেক করা শেষে বডি স্ক্যান এবং ইমিগ্রেশন এর পূর্বে একজন অফিসার ছিলেন,যিনি একে একে সবাইকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করার মাধ্যমে পাসপোর্ট আটকে দেন।সেখানে সরকারি কর্মীদের বাইরে ৪ʼ৫ জন বহিরাগত লোক ছিলেন,অফিসারদের হোয়ে ভয় ভিতি দেখায় এবং ইমিগ্রেশন জন্য না না অজুহাতে টাকার দাবি করে।আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় না থাকায় টাকার দিতে বাধ্য হই।শুধু মাত্র আমি নই,আমার একই বাসে ১৭জন ভ্রমণকারির সাথে একই ঘটনা ঘটেছে।
বিল অফ এন্ট্রি কেনচেল করতে দিয়েছিলাম সেখানে প্রায় ০১ বছর ঘুরায়ে পেচায়ে বড় স্যার ছোট স্যার এর নাম ভাঙিয়ে ৩০ হাজার নিয়ে এখন হেয়ারিং এ পেলে রাখছে ঐ দিকে অন্য ডকুমেন্টস করতে পারিনা এলসি মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। এক একটা ফাইল এ তারা এর চেয়েও বেশি দাবি করে
ভ্যাট নেয়ার পরে অফিস খরচ চায়।
আমাদের ঢাকা নবাবপুরে একটি দোকান আছে তো হঠাৎ একদিন সকালে ভ্যাট অফিস এর কর্মকর্তা আসে এবং ওনারা আমাদের সকল হিসাবের বই জব্দ করে নিয়ে যায়।তারপর আমরা ভ্যাট অফিস গেলে আসল ভ্যাট দেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাই, কিন্তু ওনারা আমাদের বিভিন্ন কারন দেখিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন, যার মধ্যে ১২ লক্ষ টাকা আমরা ওদেরকে দিয়ে দেই।
আমার বড় ভাই আমেরিকা থেকে আম্মার জন্য পোস্টঅফিস মাধ্যমে কিছু ওষুধ পাঠিয়ে ছিলো, আসতে দেরি হচ্ছিল। মাস খানেক পরে আমার আম্মার নামে চিঠি আসে, ওখানে লিখা ছিলো কাস্টমস, বৈদেশিক ডাক বিভাগ কোনো কারণে ওষুধ গুলো আটক করেছে। পরবর্তীতে যোগাযোগ করার পর আমার কাছে ১০০০০ টাকা দাবি করা হয় আর ৫০০০ এ আমার সাথে রফাদফা হয়। তারপর আমি পোস্টঅফিস থেকে ওষুধ পাই!
কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রামের যোগাযোগ শাখায় যে কোন চিঠি জমা দিতে ১৫০/- করে দিতে হয়।
আমাদের সমস্ত কাগজ পত্র থাকা সত্তে ও নানান ভাবে হয়রানি করতে থাকে । আমরা বিগিত ২৫ বছর জাবত একটি বায়ার বা ক্রেতা এর পণ্য সরবরহ করে থাকি । গত ৩ দিন আগে পণ্য পাঠালে ডিপো এর কাস্টমস কর্মকরতা নানান ভাবে হয়রানি করতে থাকে এবং ২ দিন পর্যন্ত আটকে রাখে । নানান কাগজপত্র চায় আমারা সমস্ত কাগজ দাখিল করি সর্বশেষ কোন কিছু না পেয়ে বলে এই পণ্য যাবে না এই পণ্য এক্সপোর্ট পণ্য নয় এই গুলো স্টকলট পণ্য । সর্বশেষ তিনি বলেন করে দিচ্ছি ৪০০০০/= টাকা লাগবে। বাধ্য হয়ে টাকা পরিষদ করা লাগলো তার পরে তিনি কাগজ সম্পূর্ণ করলেন। এই হচ্ছে আমাদের দেশ এর অবস্থা।
কি ঘটেছিল তা লিখছি না । বরং কি ঘটে মাসে মাসে তা বলছি। মাসিক ভ্যাট প্রদান। এক নিরন্তর মাসিক ঘুষ এর বন্দোবস্ত । আলাদা আলাদা খাম করে দিতে হয় সাহেবদের। যে টাকা উনারা নেয় তা রাষ্ট্র পেলে রাষ্ট্রের উন্নয়ন হতো। এ দেশে আসলেই কি দেখার কেউ আছে?
প্রতি মাসেই বিশ হাজার টাকা খামে দিতে হয়।অন্যথায় বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়। মাত্র ৩০ রুমের একটি হোটেল থেকে ব্যাংকে চালান আবার অতিরিক্ত বিশ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে কাজ করালে এক দিকে যেমন সরকার তার প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হয় তেমনি আমরাও হয়রানি হই।
Subcontcat permission SRO is a black law, before we took this permossion form BGMEA no expenses. Now customs taking gush 75000 to 100000 taka.. and need 6-7 days to get the permission , then we have to apply subcontcat receiving area customs/epz area customs pernission , it is fully blak law and gushkhor customs officer are making money , they damaging our country business , immidiate stop or cancelled this SRO. businsess units are help less by the NBR hushkhor haynas.
আমি একটা প্রতিষ্ঠান এর সাথে যুক্ত ছিলাম। আমি একাউন্টস পদে ছিলাম। আমরা মূলত পণ্য ইমপোর্ট করে দেশীয় বাজারে সাপ্লাই দি। ভ্যাট গোয়েন্দা বিভাগ কোন একটা কারনে আমাদের গত পাচ বছরের নতি চাই। তখন অই নতি জমা দিতে গেলাম। অই খানে একটা পুরুষ ও মহিলা (বোরকা)। আমি জমা দিলাম তখন অই মহিলা ভাত খাচ্ছিল, খেতে খেতে তিনি বলে কিছু টাকা দিয়ে যান পরে ১০০ টাকা বের করে দি উনি বলে না দুইজনের জন্য দুইশো টাকা দেন।
ড্রাগ লাইসেন্সে একটি স্বাক্ষরের জন্য টাকা দাবি করেছিল টাকা না দিলে স্বাক্ষর করা হবে না। ২০ হাজার টাকা দিলে কোন কাগজের প্রয়োজন পড়ে না।
ইউপি অনুমোদন দেয়ার জন্য এ টাকা পরিশোধ করতে হয়।
এটা প্রতিমাসে সংশ্লিষ্ট সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা নিয়ে থাকেন।
সি এন্ড এফ এজেন্টের কাস্টমস সরকার লাইসেন্স ইস্যু করার জন্য কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম, লাইসেন্স শাখার ARO ১০০০০/-টাকা ঘুষ চাচ্ছে, লাইসেন্স শাখার ARO, ACP এবং লাইসেন্স শাখার সহকারীগণ এই টাকা ভাগবাটোয়া করেন। এরা প্রত্যেক লাইসেন্স ইস্যু, নবায়ন ও ট্রান্সফার করতে রেট অনুযায়ী টাকা নিয়ে নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করেন। লাইসেন্স শাখার ARO এবং ACP-র ঘুষ বাণিজ্য এখন ওপেন সিক্রেট।
Without under table money file not approved, Money received by Entry officer for distributions ARO-RO-AC and others related persons.
ক্যামিকেল আমদানি ডুকোমেন্ট এসেসমেন্ট করাতে গেলে , ল্যাব টেষ্ট করতে বলে, বাড়তি টাকা চায়, টাকা না দিলে ডুকেমেন্ট আটকে রাখে।
একটা কনসাইনমেন্টে কিছু মালামাল বেশী আসে, সেটা ছাড়াতে গেলে জরিমানা ২ গুন আর ব্যক্তিগত জরিমানা সহ ৯০ লক্ষ টাকার হিসাব দেওয়া হয়। পুরো ব্যাপারটা সেটেল এর জন্য ২০ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে।