নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রথমে আমি নিজে অনলাইনে পাসপোর্ট এর এপ্লাই নিজের ফোন থেকে করি।সেটা প্রাথমিকভাবে আবেদনপত্র পাসপোর্ট অফিসে জমা দিই। দায়িত্বরত লোকটি আমার কোনোপ্রকার ভুলত্রুটি না ধরে, জাস্ট 2/1 টা পেজ চোখের পলকে উল্টিয়ে আমার আবেদনপত্রটি বর্জন করেন। আমি চিন্তায় পড়ে যাই। তারপর সাথে একজন ছেলে বললো যে ভাই, এখানে নিজের করা এপ্লিকেশন এলাউ হবে না, যদি না পার্শ্ববর্তী দোকান থেকে এক্সট্রা 2000/ দিয়ে এপ্লিকেশন না করেন। কিছুক্ষণ পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে সত্যিটা উপলব্ধি করলাম। আমি যখন কোনো উপায় না দেখে 1500/ এক্সট্রা জরিমানা দিতে দোকানদারকে স্বীকৃতি জানালাম। দেখলাম আমার আবেদন করা সেই এপ্লিকেশনেই পরের পেজে শুধুমাত্র একটা চিন্হ দিয়ে দিলেন, আর পরবর্তীতে একই এপ্লিকেশন ম্যাজিকের মতো এক্সেপ্ট ও হয়ে গেল।
ভ্যাট না নেওয়ার মালামাল থেকে তারা টাকা আদায় করে তাও পাবলিক লোক ইউস করে
Baggage was held due to delay in clearance beyond 21 days due to lack of action from the customs and carrier’s side. I requested a waiver of the penalty due to valid reasons but the customs official demanded bribe of 3000 tk.
আমার মা মারা যাওয়ার সময় ছিল। তখন আমি ৩ মাস আমাদের লাইসেন্স এর ভ্যাট রিটার্ন করতে পারি নাই। তখন আমি অফিসে গেলে জানায় আমাদের কিছু করার নাই। এটা এ্যাডজাস্টমেন্ট করতে ৩০০০০/- লাগবে। আমি উপপরিদর্শক এর সাহায্য নিতে গিয়েছিলাম। তখন উনি বলল আমার কিছু করার নাই(মায়ের পরে সবচেয়ে মধুর কন্ঠে)। দিতে হয়েছিল আমাকে। পরবর্তীতে ১ বছর পরে আমি আবার ভুলে গেলে কম্পিউটার অপারেটর কে ২০০০/- দিলে সে এ্যাডজাস্টমেন্ট করে দেয়।
ঘুষের টাকা না দিলে কোম্পানিকে অডিটে নিয়ে জরিমানা দাবি করা হবে বলে রাজস্ব কর্মকর্তা হুমকি দিয়েছে। প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকাও দাবি করেছে এই রাজস্ব কর্মকর্তা।
To settle the Tax file from Audit. The joint commissioner took 40K as ghush
চট্টগ্রাম বেপজা গেট এ প্রতিদিন গেট পাস এ ঘুষ দিয়ে প্রোডাক্ট সাপ্লাই দিতে হয় , বিল চালান ভ্যাট ট্যাক্স টিক থাকার পর ও ঘুষ দিতে হচ্ছে , এইটার জন্য কি সরকার কিছুই করতে পারে না , কাস্টম এর প্রতি লোক দুর্নীতিবাজ , এদের কে আইনের আওতায় শাস্তি হওয়া উচিত ,
মাসিক ভাবে এটা দিতেই হবে। নাহলে হয়রানির শেষ থাকবে না। তাই ব্যবসায়ীরা দিতে বাধ্য হয়ে যায়।
আমার ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স ব্যবসা রয়েছে প্রতি ৪ বছর অন্তর উক্ত ব্যবসার লাইসেন্স নবায়ন করতে হয় সংশ্লিষ্ট শুল্ক ষ্টেশন থেকে তার জন্য নির্দিষ্ট দলিলাদি এবং সরকারী কোষাগারে চালানের মাধ্যমে নবায়ন ফি ১০,০০০/-, ভ্যাট দিতে হয়, নিয়মানুযায়ী জমা দেওয়ার পরও কাস্টমস এর সংশ্লিস্ট সেকশনে দিতে হয়েছে ২৫০০০.০০ টাকা নয়তো নবায়ন হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে, উক্ত টাকার ভাগ নিম্নস্তর থেকে উচ্চস্তরের সবাই পায় ।
MONTLY COMISION VAT DIVISION -40000
ইনপুট ডকুমেন্ট সার্টিফাই করতে ২০ টাকা লাগে
প্রতি বছর বন্ড লাইসেন্স নবায়নের সময় তার ৫/৬ লাখ টাকা দাবি করে না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে। এছাড়া বন্ড কমিশনার , সুপার , পিওন ,সব কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে মাসোহারা দিতে হয় ১০/১৫ হাজার টাকা।
আমি যখন প্রথমবার ভারতে যাওয়ার জন্য বেনাপোল সীমান্তে বাংলাদেশ কাস্টম এর মুখোমুখি হই। তখন আমাকে কাস্টম পুলিশ প্রশ্ন করে আপনি কি করেন। আামি বলি ব্যবসা। যদিও আমার ব্যবসায়িক ডুকোমেন্ট দিয়েই ভিসা সংগ্রহ করেছি। তবুও আমাকে বলে আপনার ভিজিটিং কার্ড দেখান, ভারত যাওয়ার সময় ভিজিটিং কার্ডের প্রয়োজন মনে না করাতে তখন সাথে ভিজিটিং ছিল না। তার জন্য আমাকে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, পরবর্তীতে তারা সীল মেরে আমাকে ভারতে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে।
যতটুকু মনে পড়ে ২০২১ সালের অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে আমার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়া যাওয়ার সময় আখাউড়া -আগরতলা বর্ডারে বাংলাদেশ সাইট এ কাস্টম অফিসার আমার কাছে বাংলাদেশী টাকা ৩৫হাজার টাকা থাকায় ১৫০০টাকা ঘুষ চায় । আমি সেটা দিতে বাধ্য হই, আমরা যেহেতো করোনা টাইম এ গিয়েছিলাম তাই বেশি আর্গুমেন্ট করি নাই ।
আমাদের একটি ফাইল অডিটে ছিল। ফাইল এ বড় কোন অসংগছিল না। ফাইল এর কাজ করে দেবার জন্য টাকা দাবি করা হয়। । টাকা দেয়া হয় নাই্। আর ফাইল এর কাজ করে দেয় নাই। ফাইল পরে আছে।
আমি কিছু পণ্য (কাপড়) ডিএইচএল এর মাধ্যমে দেশে পাঠাই পরিবারের জন্য এই পণ্য ছাড়িয়ে আনতে আমাকে দিতে হয়েছে ৩৮ হাজার টাকা।
শুক্রবার ২৩ শে জুলাই ২০২৩, Air India flight# AI 230 এ দুপুর ১টায় কলকাতা থেকে ঢাকা এসে নামার পর লাগেজ সংগ্রহ করে বের হবার সময় এক কাস্টমস কর্মকর্তা আমার পথরোধ করে একটা লাগেজ তল্লাশি দাবি করে। টুরিস্ট হিসেবে আমার পাসপোর্টে ভারতীয় ভিসা ছাড়াও সিকিমের এন্ট্রি এবং ডিপার্চার সিল ছিলো। আমার সাথে ৬ সেট থ্রি পিস এবং ৫ জোড়া শ্রী লেদার এর জুতা ছিলো,,, জুতা আমার আমার স্ত্রী এবং ২ ছেলের। এছাড়া কিছু চকলেট এবং আমসত্ত্ব, এক কেজি চা-পাতা, বরশীর একটা হুইল ছিলো। ৩জন পুরুষ মহিলা কর্মকর্তা মিলে আমার আমার ব্যাগের সব মালামাল উপুড় করে ঢেলে ছড়িয়ে। দিয়ে অন্য দিকে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর একজন এসে থ্রি পিস দাবী করলো, না দিলে ট্যাক্সে পাঠিয়ে দিবে। আরেকজন এসে আমসত্ত্ব চাইলো।।চকলেট চাইলো। পরে ৩৫০০ টাকার বিনিময়ে ছাড়া পাই।
Tax Circle 227, asked for a bribe of about 2.5 million, but we gave 1.0 million Taka. It was demanded for the assessment of the previous tax file.
ভ্যাট রিটার্ন তো অনলাইন সাবমিট হয়। নিয়মমতে অনলাইন রিটার্ন সাবমিটের পরে অফিসে গিয়ে সেটা রিসিভিং করার প্রয়োজন পড়ে না। তারপরেও ARO এর কাছে গিয়ে সেটা রিসিভ করিয়ে আনতে হয়। উনাকেও টাকা দিতে হয় সাথে যেখানে থেকে সিল মেরে রিসিভ করে সেখানেও প্রতিমাসে টাকা দিতে হয়।
বন্ড লাইসেন্স এর মেয়াদ শেষ হয়েছিল ৪ বছর আগে, লাইসেন্স নবায়ন ফি ৫০০০ প্রতি বছর। যখন বন্ড অফিস এ যোগাযোগ করি তারা ঘুষ চাই ৩০০০০০ পরে ২০০০০০ টাকা দিয়ে নবায়ন করতে বাধ্য হই।