নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
স্ক্রেপ ভেসেল আমদানিতে কাস্টমস্ এর আর.ও. যায় ফুয়েল, ডিসেল সব পরিমাপ করার জন্য। আমাদের নিয়ে যায় মেরিন সার্ভেয়ার হিসাবে। দেখেছি, এজেন্ট আর কাস্টমস্ এর আর.ও মিলে তেলের (ফুয়েল) পরিমান কমিয়ে দেয়। অনেক সার্ভেয়ার ও এর সাথে জড়িত থাকেন। দেখেছি,এই কাজ করতে গিয়ে কাস্টমস্ এর আর.ও. ১০ লক্ষ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয় আর সরকার হারায় বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। আমি ৪/৫ বার গিয়ে এখন আর যাই না। কারন সাক্ষরটা আমাকেই দিতে হয় এবং বাধ্য করা হয় এজেন্ট সহ। আমাদের (সার্ভেয়ার) সরকার একটু নিরাপত্তা দিলেই এসব সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আর্জি রইলো।
কোম্পানির ইনকাম ট্যাক্স এর জন্য বলছিল। আমরা গভমেন্টকে তো টাকা দিয়েছি এর জন্য। tda ৯ লাখ দেয়া হয়েছে govment কে। আমাদের গভমেন্টের ট্যাক্স ধরা হয়েছে ২৮ লাখ। আমাদের অতিরিক্ত ভয় দেখিয়ে ১৪ লক্ষ টাকা নিয়েছে। আর বলেছে টাকা না দিলে সাড়ে তিন কোটি টাকার মামলা হবে। আমরা উপায় মা পেয়ে কোম্পানির স্বার্থে এটা দেয়া হয়েছে। আমরা এটার জন্য ধার দেনা করে আমাদের পুরো শেষ। আমরা এখনো অনেক টাকা দেনা আছি এর জন্য।
Dhaka Bond customs North and South below service Gush List 01. new bond licenses gush TK 50,00000 to 10000000 02. General bond gusht tk 100000 to 1500000 03. licenses renewal and audit gush TK 2000000 to 3000000 04. Yearly Prappota gush TK 1500000 to 2000000 05. HS code ammendment gush TK 50000 to 200000 06. Interbond Trasfer for subcontcat gush TK 50000 to 100000 07. into bond bond registerd entry ARO gush monthly 10000 to 20000 08. section clark per file put up TK 10000 to 20000 09. Any letter despass section gush TK 2000 to 5000 10. Computer section any online entry gush TK 3000 to 10000 11. Pion eash section gush TK 1000 to 5000 if we do not pay this amount they hold and give us pain.
Ammur ojante hotat ammur puraton nid number ( jeta ammu kokhono uthai e ni - Ammu biyer por ai khan thake e new nid uthaice ) diye 15 ta Teletalk sim uthanor karone amader banglalink sim off hoye jai. Jokhon amra Teletalk er satkhira customer service er oi khane jai amader 3 jawa lage 16 din er moto talai tarpor free kaj 950 taka amader thake niye nei. Ak Friday amader office a dake j din camera off thake r oikhane oi lok aka thake se kousole amader thake 950 takar binimoy a kaj ta kore dei. Amra jantam ata free te kore dei but amra osohai silam.
বন্ড অডিট করার জন্যে চট্টগ্রাম সিইপিজেডে আমি ৩ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি৷ টাকা না দিলে অযথা মিথ্যা দাবিনামা ধরিয়ে দেবে বলে আমাদের ভয় দেখানো হয়। এর সাথে জড়িত ছিলেন ওই সময়ের ডিসি (২০২৩) — এবং কম্পিউটার অপারেটর —। এই — হল তাদের কন্ট্রাক্টর, আর.ও এ.আর.ও থেকেও তার প্রভাব বেশি। মাথাই টুপি আর পাঞ্জাবী পরে বসে থাকে, কিন্তু বাস্তবে মহা শয়তান। কাজ করার আগে টাকা খুঁজে না খুঁজলে বিভিন্নভাবে হয়রানি বা দাবিনামা তুলে দেয় কোম্পানির নামে। নাম প্রকাশ করেছি, দেখুন এদের কিছু করা যায় কি না! এদের জন্যে ব্যবসা করা যায় না শান্তিতে!!
আমি একটি হোটেলের ম্যানেজার হিসেবে আছি কক্সবাজারে,আমরা প্রতি মাসে ওনাদের নির্ধারিত করে দেওয়া ভ্যাট আদায় করি, যেটা ১৫ তারিখের মধ্যে জমা দিতে হয়, আমরা যে পরিমাণে ভ্যাট দিনা কেন ওনাদের প্রতিমাসে ৮৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়, যদিও বা আমাদের অনেক সময় ভ্যাট ৫০ হাজার টাকার কম ও আসে, তারপরও আমাদের এই নির্ধারিত ৮৫ হাজার টাকা দিয়ে দিতে হয় প্রতিমাসে,
বেপজা হতে যে কোন প্রকার সেবা নিতে গেলেই ঘুষ দেওয়া লাগে। খালি এক্সপোর্ট আর ইম্পোর্ট পার্মিশন ছাড়া, যে কোন প্রকার কাজে ঘুষ দিতে হবেই হবে৷ বর্তমানে বেপজার সবচেয়ে বড় চোর বেপজা কমার্শিয়াল ম্যানেজার।এর যন্ত্রনায় সবাই অতিষ্ঠ! টাকা দিতে হবে তো হবে, আবার আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে দামী দামী পোশাক বা মালামাল গিফট দিতে হবে৷ না হলে সে সাইন করবেনা৷
বন্ড অডিট চলাকালীন সময়ে আমাদের থেকে টাকা দাবী করা হয়। অন্যথায় আমাদের ফাইল ঘেটে ভুল-ভ্রান্তি বের করে বড় অংকের দাবীনামা দেওয়া হবে বলে ভয় দেখানো হয়। এরপর তাদের সাথে আমরা না পেরে টাকা দিতে বাধ্য হই। কিন্তু তারপরে ঘটে গেল আরেক বিপত্তি, পুরো টাকা এ.আর.ও কে বুঝিয়ে দেওয়া হয়, আর.ও তার পাওনা বুঝে পান৷ কিন্তু ডিসি, জে.সি-কে টাকা বুঝিয়ে না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করে বসেন৷ এই নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ার আগেই ডিসি বলে বসেন কোম্পানি থেকে কোন টাকা দেওয়া হয়নি৷ আর এই টাকা না দেওয়ার কারণে জেসি আবার আমাদের অডিটের কোয়ারি দেন, এরপর একটি কমিটি গঠন করেন পুনরায় অডিট এবং ফ্যাক্টরি ভিজিটের জন্যে। উক্ত কমিটিও আবার প্রায় ২ লক্ষ টাকা দাবি করে এবং আমরা প্রত্যাক্ষান করাই আমাদের নামে জোরপূর্বক মোটা অংকের মামলা দেওয়া হয়।
একটি পণ্যচালান আমদানি করার ক্ষেত্রে সিঅ্যান্ডএফ নামের একটা খাইস্টা প্রজাতি আছে কাস্টমস প্রক্রিয়া সম্পাদনের জন্য। এরা কাস্টমস অফিসারের নাম করে লাখ লাখ টাকা নেয় আমদানিকারকের কাছ থেকে। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানলাম ১ লাখ টাকা নিয়ে এরা ১০ হাজার টাকা দেয় কাস্টমসে ঘুষ; আর বাদবাকি ৯০ হাজার টাকা এরা নিজেরা মেরে দেয়। আর সব দোষ গিয়ে পরে কাস্টমস অফিসারদের উপর। এই সিঅ্যান্ডএফ নামের দুষ্ট প্রজাতির কবল থেকে কি মুক্তি পাওয়ার কোন উপায় আছে?
Custom Bond officer file pass korar jonno dabi kore
চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টমস অফিস থেকে এইসবের কিছু কাজ হয়। যেখানে আপনি পণ্যের পরিবর্তন ঘটিয়ে মোটা অংকের লেনদেন চলে। বার্মা থেকে যেই শুটকি আসে ওখানে এক মাছ দিয়ে আরেক মাছের পণ্য আনা নেয়া চলে। অথচ ভিন্ন রেইট। এভাবে এরা বিপুল পরিমাণে সরকারি রাজস্ব নষ্ট করে নিজের পকেট ভারী করে। এইসবের সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।
আমরা নাকি বেশি রেয়াত নিয়েছি।তাই ঘুষ দিতে হবে।না হলে মামলা করে দিবে।
ইমিগ্রেশন অফিস পার হওয়ার সময়, বর্ডার দুই পাশে ২০০ করে মোট ৪০০ টাকা ঘুস দিতে হয় লিগ্যাল কাগজ থাক শত্তেও যা দালালের মাধ্যমে নিয়ে থাকে। ঘটনাটি ভারতে যাবার সময় ঘটে, এবং বাংলাদেশের সব স্থল বন্দরে এমন স্ক্যামের শিকার সবাই হয়।
ইউপি যদিও এখন অনলাইনে করা হয় তারপরও টাকা না দেওয়া পর্যন্ত এটা এপ্রুভ করা হয় না। এটা আমরা না দিয়েও পারছিনা আবার কাউকে বলতেও পারছি না। আগে বিকাশে টাকা নিতো এখন সরাসরি টাকা দিতে হয়। এর থেকে কি পরিত্রাণের কোন উপায় নাই। আমরা কি আসলে থেকে বের হতে পারব না।
এটা রপ্তানি শাখা যখন কোন জাহাজ বন্দর ত্যাগের জন্য ছাড়পত্র নেওয়ার সময় এসিস্টেন্ট রেভিনিউ অফিসার ও রেভিনিউ অফিসার প্রত্যেক শিপিং এজেন্ট থেকে টাকা করে দাবি করে এবং যদি না দেই তাহলে তারা ছাড়পত্র দিবে না এটা কমন প্র্যাকটিস হয়ে গেছে। আপনি যদি এখনো চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে রপ্তানি শাখাই জান সেখানে শুধু ৩০ মিনিট অফ্জার্ভ করলেই হবে কি পরিমাণ টাকা ওরা দালালের মাধ্যমে দাবি করে এবং আমাদেরকে পরিশোধ করা ছাড়া উপায় থাকেনা যদি কখনো কমপ্লেইন করি তাহলে পরেরবার আমাদের কোন ডকুমেন্টের দাড়ি কমা পর্যন্ত ভুল ধরবে এমনকি অহেতুক ভাবে বলবে যে এ ডকুমেন্টটি কমিশনার পর্যন্ত যাবে এতে আমাদের জাহাজ বন্ধ ত্যাগ করতে বিলম্ব হয় তাই নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করতে হয়
এটা আমদানি ডকুমেন্টস শুল্কায়নের সময় এআরও এবং আরও কে দেওয়া নূন্যতম পরিমান
ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রত্যেকটি কাস্টম অফিসে ওপেনে ঘুর চলে এখানে কোন কাজই হয় না ঘুষ ব্যতীত।
সরকারি ভ্যাট প্রদান ছাড়াও প্রতিটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসে ৫০০ থেকে ১০০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয় কাস্টমস ও ভ্যাট অফিসে এবং তা বাধ্যতামূলক, অতিরিক্ত ভ্যাট আদায় করার লক্ষ্যে তারা সবসময় ভয়-ভীতি দেখায় এবং ব্যবসায়িক সমিতি বাধ্য হয়ে তাদের সঙ্গে মিটিং করে প্রতিষ্ঠান প্রতি ছোট বড় হিসেবে একটা ঘুষ নির্ধারণ করে দেয়, সেটাই দীর্ঘ কয়েক বছর থেকেই আমরা দিয়ে আসছি, আফসোস সেটার কোন পরিবর্তন এখনো হয়নি, এবং কখনো হবেও না আমরা মেনে নিয়েছি এই ব্যবস্থা
প্রতি মাসেই এই ঘুষটি দিতে হচে।অন্যথাশ হয়রানি করা হয়। এভাবে কক্সবাজার সকল প্রতিষ্ঠান থেকেই নেয়া হয়।প্রতিষ্ঠান ছোট বড় যেটা যেমন ঘুষের আকারও সেই রকম হয়। কেউ মুখ খুলে কিছু বলে না শুধুই হয়রানির ভয়ে।
Bond audit purpose he is asking this money for him — , ARO, Dhak north Bond Office , uttara his sitting place , Ground floow. this officer with our money cant forward any work .