Nibondhon a Teacher joing Purpose
প্রতিষ্ঠানের সবাই মিলে, কাগজপত্র পাঠানো এবং রেডি বাবদ মোট ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়, আমরা জানতাম এটা অনিয়ম, এটা দুর্নীতি। তাই পুরো ব্যাপারটি ইস্মুতলি হ্যান্ডেল করি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতিষ্ঠানের সবাই মিলে, কাগজপত্র পাঠানো এবং রেডি বাবদ মোট ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়, আমরা জানতাম এটা অনিয়ম, এটা দুর্নীতি। তাই পুরো ব্যাপারটি ইস্মুতলি হ্যান্ডেল করি।
বদলি বানিজ্য চলছে চরম পর্যায়ে
প্রাইমারি ছুটি না দিয়ে, চুটি পাওনা নেই বলে পরবর্তী সমস্যা হবে বলে ছুটি মঞ্জুর না করে,বেতনের একটা অংশ টিও এটিও মিলে নিচ্ছে,শ্রান্তি বিনোদনের টাকা হতে ৪০০ টাকা করে নেয় হ্যান্ড ক্যাশ, বদলির সময় টাকা নিচ্ছে এটিও, উপরের উল্লেখ্য টাকাটা নিচ্ছে বদলির সময়,
তারা বলেছিল এটাই নাকি সিস্টেম টাকা না দিলে কাজ হবে না
আমরা সাতজন একসাথে নিয়োগ পাই কেশবপুর উপজেলার একটা মাদ্রাসায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস, আমাদের এমপিও আবেদনের সময় উপজেলা শিক্ষা অফিসার চেয়ারে বসে গুনে গুনে টাকাটা নিয়েছিলেন। এখনো ঘটনাটা ঘৃণা ভরে স্মরণ করি।
৬ বছর ধরে বদলীর চেষ্টা করছিলাম। মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করায় হতে পারিনি। ২০২৫ সালে অধিদপ্তর থেকে বদলীর প্রজ্ঞাপন হওয়ায় বদলীর সুযোগ দিতে বাধ্য হয়। কিন্তু ২০০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
ঢাকায় বদলি হয়ে পারব কিন্তু ৫০০০০০ টাকা লাগবে
একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য বরাদ্দকৃত ১৫০০০০ টাকা। ভ্যাট আইটি কর্তন অব্যবহিত পরবর্তি নীট প্রাপ্য ১২০০০০ টাকা থেকে শিক্ষা অফিস ২৫০০০ টাকা ঘুস নিয়েছে।
নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের পদটি তাই করনের জন্য প্রতি প্রধান শিক্ষক হতে ১০০০ এবং সহকারী শিক্ষক হতে জনপ্রতি ৭০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয় এতে প্রায় ৪৫০ শিক্ষক হতে মোট ৩,১৫০০০ টাকা এবং প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি ফাইল প্রস্তুত করা সাপেক্ষে জনপ্রতি ১৫০০ টাকা হিসেবে ১৮২ জন শিক্ষক হতে কেন্দুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ ঘুষ হিসেবে মোট ৫,৮৫,০০০ টাকা উত্তোলন করেছেন।
it was 3 years ago, after my father retired from govt primary school. He wanted to withdraw his pension money and went to the required office i cant exactly remeber the office name but sure it was on the final stage who approve the money. The officer ask for 20k but my father at first refused to give any money as he was religious person. he shared the situation with an junior officer at that office , he told him to contact with me and take action against the officer. Then my father consulted with me i didnt find any way to take a legal action also it was emergency to get the money. So in fear of not getting the money at the right time we decided to give them the money. After providing they a
এমপিও ভুক্ত করনের জন্য পূর্ণাঙ্গ ফাইল জমা দেওয়ার পরেও বিভিন্ন ধরনের তাল-বাহানা দেখিয়ে ফাইল আটকে রাখে এর পরে যখন বকশিস নামক ঘুষ প্রদান করা হয় তখনই ফাইল তৎক্ষনাৎ শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হয়। দ্রঃ আমার এবং আমার সাথে অন্যান্য সহকর্মীদের ফাইল অনেক দিন পরে ছিলো পরে অন্য কোনো উপায় না পেয়ে এবং সহকর্মীদের কথা বিবেচনা করে দিতে বাধ্য হয়েছি।
Amar name er spelling correction er jnno ghush dite hoi
স্কুলে অডিট, অডিটর সার্কিট হাউসে ছিল টাকা তারা ঐ হাউজেই নিয়েছিল। স্কুলে অডিট করে সার্কিট হাউসে রাত যাপন করত।
প্রাথমিকে বিভিন্ন আন্দোলনের নামে শিক্ষক নেতারা ওদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেছেন। নেত্রকোনা জেলার শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।
২০২৩ সালে প্রথম NTRCA কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক (গণিত) পদে যোগদান করার প্রতিষ্ঠান থেকে MPO করার জন্য মাধ্যমিকে অনলাইনে আবেদন দেওয়া হয় ( অনলাইনে সব ফাইল পাঠানো হয়)। তারপর প্রতিষ্ঠান প্রধান মাধ্যমিক স্যারের সাথে যোগাযোগ করতে বলে, তিনি জানান যে মাধ্যমিক স্যারের সাথে যোগাযোগ না করলে ফাইল এপ্রুভ করে ফরওয়ার্ড করেন না। তাই আমি মাধ্যমিক স্যারের সাথে দেখা করি, আমার ফাইলের সব কিছু ঠিক থাকার পরও ফাইল এপ্রুভ করে নি। ফাইল এপ্রুভ করার জন্য আমার কাছে দশ হাজার (১০,০০০) টাকা দাবি করে। আমি অনেক রিকুয়েষ্ট করার পরও তিনি তার দাবিতে অনড়। পরে আমার সকল কলিগ পরামর্শ দেয় যে, স্যার এমনই উনি যা বলে তাই দিতে হয় নয়তো ফাইল এপ্রুভ করবে না। তাই বাধ্য হয়ে দাবি পূরণ করি।
হারানো সার্টিফিকেট উঠানোর জন্য আবেদন করি,সরকারি সব ফি পরিশোধ করি,মাসখানেক ঘোরাঘুরির পর দায়িত্বরত অফিসার বলেন কলেজ অধ্যক্ষের সাইন লাগবে। কি সাইন,কোন পেপারে সাইন,বুঝতে চাইলাম,সে রেগেমেগে বলে "এতো কথা তো বিস্তারিত বলতে পারবো না ভাই,আমার অনেক কাজ আছে,এখানে বুঝানোর স্কুল খুলে বসি নাই।যেটা প্রসেস সেটা মেনে কাজ করতে হবে,আমি তো নিয়মের বাইরে না।"বের হয়ে যাচ্ছি,এমন সময় অফিস সহায়ক বললো,"ভাই আপনি কি শিশু?কিছু বোঝেন না?চায়ের বিল দিয়া সার্টিফিকেট নিয়া যান।হুদা ঘুরবেন ক্যা।প্রিন্সিপালের সাইন আনলে তহন আরেকটা কইবো।" ওনাকে চাহিদামতো ১০০০ টাকা দিলাম,সার্টিফিকেট নিয়ে আসলাম।
আমার ও আমার সহকর্মীদের এডভান্সড ইনক্রিমেন্টের টাকা উত্তোলনের জন্য প্রত্যেক ফাইলে ৪০০০/ টাকা দাবি করে, আমরা পরিশোধ পূর্বক বিল উত্তোলন করি।
MPO অনুমোদন করে না। উপজেলা শিক্ষা অফিসার। এর পর তিন দিন ধরে ঘুরে বুঝতে পারলাম কিছু না দিলে হবে না। আর তিনি ফোনে বললেন না আসলেও হবে। বিকাশ করলেই হবে। আমি সরাসরি গিয়ে খামে দিলাম। রাতেই আমার ফাইল অনলাইন এ জেলা শিক্ষা অফিসে ফরোয়ার্ড হয়ে গেল।
আমি একজন এমপিও ভুক্ত শিক্ষক। আমি বিএড স্কেলের জন্য স্বাভাবিক নিয়মে আবেদন করছিলাম।কিন্তু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আমার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে, বারবার আমার ফাইল রিজেক্ট করে দেয়।কিন্তু এই দূর্নীতিবাজ অফিসার বদলি হওয়ার পরে আমি বিনা ঘুষে আমার উচ্চতর গ্রেট প্রাপ্ত হই।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে, বাবার পেনশন মায়ের নামে করতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যাই। অনেক দিন ঘুরে কাগজ পত্র ঠিকঠাক করার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সিগনেচার নিতে আমাকে এই ঘুস প্রদান করতে হয়।