এমপিও ফাইল
এম পি ও ফাইল ডান করানের জন্য উপজেলা, জেলা,আঞ্চলিক কার্যালয়ে গুষ না দিলে ফাইল আটকে রাখে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এম পি ও ফাইল ডান করানের জন্য উপজেলা, জেলা,আঞ্চলিক কার্যালয়ে গুষ না দিলে ফাইল আটকে রাখে।
“Ntrca কর্তৃক ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে নিয়োগ পাওয়ার পর। mpo বা বেতন করানোর জন্য ৩৩/৩৪ পেজ সম্বলিত তথ্য জমা দিতে হয়। কাগজ ঠিক থাকলেও নানা অজুহাতে ফাইল রিজেকশন হয়। পরে যোগাযোগ করলে টাকা দাবি করা হয়। পরে ২৫০০০ টাকা প্রদান করলে ফাইল পরবর্তী ধাপে পাঠানো হয়। এর পরে ৫ মাস বেতন ছাড়া চাকরি করতে হয়েছে। তো এই ৫ মাসের বকেয়ার জন্য আবার আবেদন করা হয়, এইবার ১৫০০০ টাকা দেওয়া লাগে বকেয়া উঠানোর জন্য। তবে এই টাকার এক টাকাও স্কুল এর কাওকে দেওয়া লাগেনি, সব টাকা দেওয়া লেগেছে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসে।
প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকতার ২বছর পূর্ণ হওয়ায় চাকুরী স্থায়ী করণের জন্য ৫০০০০ হাজার জেলা প্রাইমারি শিক্ষা অফিসারের জন্য ও উপজেলা প্রাইমারি শিক্ষা অফিসারের জন্য ৪০০০০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওনাদের দাবী ছিল জনপতি ৩০০০ করে ৫০ জনে ১৫০০০০ টাকা। আমরা ৫০ জনে ৯০০০০ টাকা পরিশোধের বিনিময়ে চাকুরী স্থায়ীকরন করা হয়।
এককালীন পেনশন উত্তোলনের সময় এবং এবং প্রতি মাসের ভাতা পাওয়ার জন্য ওরা তিন লক্ষ টাকা দাবি করে এবং বাধ্য হয়ে টাকার প্রয়োজন থাকায় ওই টাকা থেকে পরিশোধ করে ১০ লক্ষ টাকা তুলতে হয়েছে। তারা এই টাকা তিনজনে ভাগ করে নিয়েছে এবং আলাদা চেক লিখে দিতে হয়েছে ওই চেক দিয়ে তারা গিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলেছে।
আমার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সার্টিফিকেটে মায়ের নাম ভুল ছিলো। যেভাবে প্রসেস সেভাবেই আমি এপ্লাই করেছিলাম কিন্তু কোনো আপডেট ছিলো না। আর আমার সার্টিফিকেটগুলো জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজন ছিলো। তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলে দেয় ২০০০০ টাকা দিলে ২ দিনের ভিতর দিবে আর না হলে তারা আইডি নাম্বার নিয়েও ট্র্যাক করবে না। যেদিন খুশি সেদিন সার্টিফিকেট দিবে। যেহেতু আমার দরকার টাকা দেওয়া লেগেছে।
আজ থেকে প্রায় আট-নয় বছর আগের কথা। তেজগাঁও কলেজে ভর্তি হতে গিয়েছিলাম। হাতে ছিল পুরো পনেরো হাজার টাকা—যা তখনকার নিয়ম অনুযায়ী ভর্তির জন্য প্রয়োজন ছিল। অফিসে গিয়ে এক স্টাফের সঙ্গে কথা হলো। তিনি হঠাৎ একটা অফার দিলেন। বললেন, “চাইলে কম টাকায়ও ভর্তি করিয়ে দিতে পারি।” আমি একটু অবাক হয়েও রাজি হলাম। ভেবেছিলাম, টাকা বাঁচবে তো ভালোই। তিনি আমাকে মাত্র আট হাজার টাকায় ভর্তি করিয়ে দিলেন। বাকি সাত হাজার টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, “এটা রেখে দিন। আর দেওয়ার দরকার নেই।” আমি খুশি হয়ে টাকাগুলো পকেটে রাখলাম। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার আগেই তিনি আরেকটা কথা বললেন। “একটু টিপস দিয়ে যান ভাই।” আমি কিছু বলার আগেই তিনি এক হাজার টাকা নিয়ে নিলেন। সেই মুহূর্তে মনে হয়েছিল, হয়তো স্বাভাবিকই ব্যাপার। অনেকদিন পর জানতে পারলাম আসল সত্য।
নবায়ন করতে টাকা লাগবে স্যার এর স্কুল পরিদর্শনে যাতায়াতে ব্যয় হবে ১০০০০ টাকা নাহলে নবায়ন এ বিভিন্ন ভুল ধরবে
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।সনদ শাখায় সহকারী যারা রয়েছেন,ঘুষ ছাড়া কাজ করেন না।আমার সনদ তুলতে যাই,তখন খুজে পায় না।টাকা দাবি করল প্রতি কপি ৫০০ করে দিতে হবে।এসস সি সার্টিফিকেট, মার্কশীট সংশোধিত হয়েছিল।তোলার দিন টাকা চাইল।দুইটা কপি নিতে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।সিড়ি হতে নামার সময় চোখে পানি আসল,কি শিখলাম পড়াশোনা করে,যেই বিদ্যাপিঠের কারিগরে ঘুষ বানিজ্য চলে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রত্যেক উপজেলায় শিক্ষকদের সমন্বিত গ্রেডেশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ প্রেক্ষিতে আমরা আমাদের সকল ডকুমেন্টস জমা দিলে ডেপুটেশনে কর্মরত শিক্ষক আমাদের কাছে ২০ জনের জন্য জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে দাবি করেন। জোর গলায় আরও বলেন, যারা দিবেন না তাদের নাম গুলো যেন তাকে লিখে দিই।
ফাইল আটকিয়ে। এর জিন্য আমি একমাসের বেতন পাইনি।
ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৪ সালে, তখন আমি ঢাকা কমার্স কলেজের স্টুডেন্ট। গ্রাম থেকে সদ্য ঢাকায় গিয়ে কমার্স কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম। তিন মাস পর যখন কমার্স কলেজের খরচ সামলাতে পারছিলাম না তখন গ্রামের কলেজে ভর্তি ট্রান্সফার করার সিদ্ধান্ত নেই। অনলাইনে আবেদন করার পরে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম। কাগজপত্র ফটোকপি হওয়ার জন্য অফিসে থাকা অফিসার কাগজপত্র জমা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এজন্য আমি অফিস থেকে বের হওয়ার জন্য রওনা দিছি, দরজার কাছে আসতেই অফিস পিয়ন আমাকে ডাক দিয়ে এক কোনায় নিল। ফিসফিস করে বল্লো ১০০০ টাকা দিলে সে কাগজপত্র জমা করে দিবে। উপায়ান্তর না দেখে আমি ৮০০ টাকা দিয়ে দেই।
It was a medium who said that they could help clear both my mother’s Welfare Trust file and retirement file. For the Welfare Trust file, they would charge BDT 40,000 in cash, and later another BDT 80,000 for the retirement file. My mother retired from a high school last year. We gave them 40000/- cash to speed up the process and clear the welfare file. But they took the money and didn't get the work done.
বেসরকারি প্রভাষক পদের MPO আবেদন করতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি উন্নয়ন কাজের নাম করে ৫০০০০৳ দাবি করে। মূলত এটা ঘুষ।
অফিসের পিয়নরা ইচ্ছাকৃত ভাবে ফাইল আটকে রাখে। তারা বলে ফাইল পাওয়া যাচ্ছে না, অমুক দিনে আসেন। এভাবে ঘুরাতে থাকে। কিন্তু তাদের টাকা পেলে আধা ঘন্টার মধ্যে ফাইল বের করে দেয়
এসএসসি সার্টিফিকেট সংশোধন করতে গিয়ে সরকার ফি এর পর আরো ৩ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম বিশ্ব বিদ্যালয়ে নিম্ন মানের সরকারি চাকরি ধরতে গেলেও ঘুষ চাচ্ছে।বলতে গেলে সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে এরখম ঘুষের ভিত্তি তে চাকরি দেওয়া।যেখানে যোগ্য ব্যাক্তি টাকার কাছে হেরে যাচ্ছে।৪-৫ লাখ এমন করে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ এর প্রতি সেক্টরে এখন ঘুষ আর ঘুষের বিনিময়ে চাকরি।।।
সেবা নিতে যাবার পর শিক্ষা অফিসের পিয়ন ৫০০ টাকা দাবি করেছে। এমারজেন্সি হবার কারনে টাকা পরিশোধ করে পিএসসি সার্টিফিকেট নিয়েছি। ঘটনাটি ২০১৮ সালের দিকে।
Printing the SSC, HSC certificates. Long delay. Needed to pay to print them on time.
স্কুল থেকে এসএসসির মার্কশিট নিতে আর প্রশংসা পত্র নিতে,,সরকারি স্কুল হাওয়া সত্বেও,, লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
জেলা শিক্ষা অফিসে অনলাইনে ফাইল যাওয়ার পর এটি D D অফিসে পাঠানো হয়না। খবর নিলে টাকা দাবি করেন না দিলে ফাইল রিজেক্ট করে।