সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১,০২২ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
শিক্ষা অফিস

পারিবারিক পেনশন

আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে, বাবার পেনশন মায়ের নামে করতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যাই। অনেক দিন ঘুরে কাগজ পত্র ঠিকঠাক করার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সিগনেচার নিতে আমাকে এই ঘুস প্রদান করতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
লালমোহন, ভোলা ৳৪.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

পেনসন এর জন্য

আব্বু সরকারি প্রাইমারি স্কুল এর প্রধান শিক্ষক ছিলেন।তিনি মারা যাবার পর মাসিক পেনসন ও এককালিন টাকার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে গেলে অফিস সহকারী পুরো কাজ করে দেওয়ার জন্যে ২০হাজার টাকা দাবি করে।

ঘুষ দিয়েছি
সাতক্ষীরা ৳২০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

জিপিএফ এর টাকা উত্তলন

আমার শাশুড়ির জিপিএফ এর টাকা উত্তোলনের জন্য ধাপে ধাপে উপজেলা শিক্ষা অফিস চরভদ্রাসন ফরিদপুর ২১০০০ টাকা নেয় । এখনও পেনশন এর টাকা পাই নাই। তবে ওই টাকা দেওয়ার পর জিপিএফ এর টাকা পেয়েছি।

ঘুষ দিয়েছি
ফরিদপুর ৳২১.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

নাম ও বয়স সংশোধন

সার্টিফিকেটের নাম ও বয়স সংশোধন। অনলাইনে আবেদন করার তিন বছর পরও মেসেজ আসছিল না তারপর খোঁজ নিলে নবম শ্রেণীর একজন কর্মকর্তা আমার কাছে ৬০০০০ টাকা দাবি করেন এবং তিনি বলেন সব ঠিক হয়ে যাবে; উনার পরিচিত লোক আছে; তারপর আমি দিতে বাধ্য হই

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৬০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

অব্যাহতি পত্র গ্রহণ

আমি সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেছিলাম। পরে রিজাইন দিয়েছিলাম। এখন বিসিএস ভাইবার জন্য অব্যাহতি পত্র দরকার ছিল। সেই অব্যাহতি পত্রর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
রায়পুর, লক্ষ্মীপুর ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

Loan Apply

আমি ঋণ সংক্রান্ত ফাইলের প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর গ্রহণের উদ্দেশ্যে শিক্ষা অফিসে যাই। ফাইলে স্বাক্ষর নেওয়ার প্রক্রিয়ার সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা প্রতি এক লাখ টাকা ঋণের বিপরীতে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা করে চা-নাস্তার খরচ হিসেবে প্রদান করার কথা জানান। উক্ত অর্থ প্রদানের কোনো সরকারি বিধি, নির্ধারিত ফি বা অফিসিয়াল রসিদ সম্পর্কে আমাকে অবহিত করা হয়নি। বিষয়টি বিবেচনা করে আমি উক্ত অর্থ প্রদান করিনি।

ঘুষ দিইনি
Alikadam ৳৫.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

সাবজেক্টের ভুল সংশোধন

আমার এইচএসসি পরীক্ষায় এডমিট কার্ড একটি সাবজেক্ট ভুল এসেছিল আমি সেই ভুল সংশোধন করতে গেছিলাম এবং সেখানে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একটি পিয়ন আমার থেকে দ্রুত কাজের বিনিময় ঘুষ চাই এখানে নাকি ঘুষের টাকা উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সব অফিসারই খায়

ঘুষ দিয়েছি
রাজশাহী ৳৪০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

বকেয়া বেতন প্রাপ্তির জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতিবেদন প্রসঙ্গ

বকেয়া বেতন প্রাপ্তির জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতিবেদন দরকার ছিল। বিভিন্ন কাগজপত্রের বাহানায় ২ দিন ঘুরানো হয়েছে। তারপর আমার থেকে সরাসরি ২০০০ টাকা দাবি করেছে জেলা শিক্ষা অফিসে কর্মরত একজন কর্মচারী। পরে আমি ১৫০০ টাকা দিয়ে প্রতিবেদন নিয়ে এসেছি। টাকা দেওয়ার পরে ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে আমার কাজ হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
রাজশাহী ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

দপ্তরিক ফাইল,ছুটি বিষয় তথ্য

প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের 'অফিস সহায়ক' যে কোন কাজে গেলে ঘুষ ছাড়া কাজ করতে চায় না।কাজ ফেলে রাখে, দিনের পর দিন ঘুরায়।বলে 'টিও' স্যারের ফী(ঘুষ) দিন আমারটাও দিন। 'টিও' ও ঘুষ নিয়েছে আমার থেকে কাজও করেনি। সকল শিক্ষকরাও জানে এসব এবং তারাও বিভিন্ন কাজ টাকা দিয়েই করে নেয়।তাদের কথা হলো স্কুল থেকে শিক্ষা অফিসে আসতে ৪০/৫০ টাকা লাগে সুতরাং চার দিনে ঘুরার চেয়ে ৩০০ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজ করা ভালো।এভাবেই চলছে ঘুষের মহাউৎসব। শিবগঞ্জ,বগুড়া

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া, (শিবগঞ্জ উপজেলা) ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

তাদের সেবা খুবই খারাপ, একজন অফিসে গেলে ভালোভাবে গুরুত্ব দেয় না তারা।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণে সরকার নির্ধারিত ফি-র অতিরিক্ত টাকা আদায় করে তা "কেন্দ্র ফি" হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশনের পরে বোর্ড থেকে পাঠানো প্রবেশপত্রের জন্য ২০০ টাকা করে দাবী করা হয়। টেস্ট পরীক্ষার পর মাদ্রাসায় আয়োজিত কোচিংয়ে সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে অংশ নিতে হয়; কেউ কোচিং না করলেও তার থেকে জোরপূর্বক ফি আদায় করা হয় এবং টাকা না দিলে প্রবেশপত্র আটকে রাখা হয়। এমনকি পরীক্ষা শেষে অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য প্রশংসাপত্র নিতে গেলে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১,০০০ টাকা দিতে হয়, যা সাধারণ ফি-র দ্বিগুণ। সবশেষে বোর্ড থেকে প্রাপ্ত মূল মার্কশিট তুলতেও ৫০০ টাকা করে দাবী করা হয়। এটা হচ্ছে নয়াটোলা এ ইউ এন মডেল কামিল মাদ্রাসা

ঘুষ দিইনি
মধুবাগ,নয়াটোলা,হাতিরঝিল,ঢাকা ৳১.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

জিপিএফ ফান্ড খোলা

টাকা না দিলে আমার কোন কাজ করেনা আমার সাথে কথা ও বলে না, আজকে আসেন কালকে আসেন না হয় পরশু কাজ আর হয় না।টাকা দেওয়া মাত্রই কাজ হয়ে যায়

ঘুষ দিয়েছি
আদর্শ সদর ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

বদলি

নেত্রকোনা জেলার একটি উপজেলা থেকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে বদলির জন্য দুই লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। পরবর্তীতে দেড় লক্ষ টাকায় কাজটি করে দেওয়া হয়। তৃতীয় পক্ষের কাছে 2 লক্ষ টাকা জমা রাখা হয়, বদলি হওয়ার পর ৫০,০০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের এপ্রিলের বদলির নীতিমালা অনুযায়ী সব শর্ত আমার অনুকূলে ছিল। ২০২০ সাল থেকে এই বদলির জন্য ঘুরে এবং তদবির করেও কোন কাজ হয় নি।যদিও শিক্ষক হিসেবে নীতিগত কারণে আমি এই ঘুষ দেওয়ার পক্ষপাতি ছিলাম না, কিন্তু আমার সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। আমার পরিচিত সহকর্মী অনেকেই একই পদ্ধতিতে আমার আগে ও পরে বদলি হয়।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

মৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের টাকা উত্তোলনে

মৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার টাকা তুলতে ধাপে ধাপে টাকা প্রদান করতে হবে বলে জানিয়েছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না।

ঘুষ দিয়েছি
নাজিরপুর ৳৮.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

পেনশন এর টাকা উত্তোলন

এক সচিব বাবার পেনশন ওকে করে দিবে সাথে শিক্ষা কল্যাণ ট্রাস্ট এর টাকা টাও। পার্সেন্ট হিসাব করে ঘুষ নিচ্ছে

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা ৳১.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

চাকুরী থেকে ইস্তফা দেয়ার সময়

আমার নতুন চাকুরী হওয়ায় আগের চাকুরী থেকে ইস্তফা দেয়ার সময় অফিস সহকারী দাবি করে। টাকা দিলে এক দিনেই করে দেয় সব কাজ।

ঘুষ দিয়েছি
গোবিন্দগঞ্জ ৳৩.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

SSC মার্কশিটের ডুপ্লিকেট কপি

আমি আমার SSC মার্কশিট হারিয়ে ফেলেছি। পরে আমার স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে জানতে পারি যে, বোর্ড থেকে হারানো মার্কশিটের ডুপ্লিকেট কপি তোলা যায়। এরপর আমি বরিশাল বোর্ডে মার্কশিট তুলতে যাই। সেখানে স্যাররা আমাকে জানান যে মার্কশিট তুলতে ৩০০ টাকা খরচ হবে। কিন্তু পরে আমাকে ১,৮০০ টাকা দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি একটু বিভ্রান্ত হয়ে গেছি, কারণ আগে আমাকে ৩০০ টাকা খরচ হবে বলে জানানো হয়েছিল। বরিশাল শিক্ষা বোর্ড ।

ঘুষ দিয়েছি
patuakhali ৳১.৮ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকের বদলি বিসয়ে

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ফুল পরিবর্তনের লক্ষ্যে নির্বোধ বছর ধরিয়া চেষ্টা করার পরে। এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে স্কুল পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলমান রহিয়াছে

ঘুষ দিয়েছি
উল্লাপাড়া ৳১.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

টিসি

আমি আমার পুরান ঢাকার কলেজ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে টংগী সরকারি কলেজে টিসি নিতে চেয়ে তাদের অফিসে যাই।কিন্তু তারা ৪ টি আসন ফাকা থাকায়। আমার কাছে নেতা আর অন্যান্য কথা বলে টাকা দাবি করে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳৩০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য