বেতন চালু
আমার বেতন চালু সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষা অফিসর একজন আমার কাছে ৫০০০০ টাকা দাবি করে। আমি চাপে পড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বেতন চালু সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষা অফিসর একজন আমার কাছে ৫০০০০ টাকা দাবি করে। আমি চাপে পড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
আমি মান উন্নয়ন পরীক্ষা দিয়েছিলাম। তো আমার আগের সার্টিফিকেট জমা দিয়ে নতুন সার্টিফিকেট তুলতে গেলে কিছু খরচ চায়, ২০০টাকা দিলে বলে ৫০০টাকা করে নেই, পরে আর ১০০ (মোট ৩০০)দিলে সার্টিফিকেট দেয়। আমার আগে একজনের কাছ থেকেও নিতে দেখেছি।
এম পি ও ফাইল আবেদন ফরওয়ার্ড করতে এই টাকা সম্মানী খরচ চাওয়া হয়।
আমার মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেটে নামে ভুল থাকার কারণে আমি চিটাগাং বোর্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করি। সংশোধন করার ক্ষেত্রে আমার একটা কোট অ্যাবিড অ্যাবিড জমা দিতে হয় যেটা ছিল অরজিনিয়াল কপি। চট্টগ্রাম বোর্ডে আমার সকল কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরে আমি যখন আমার নতুন সংশোধিত সার্টিফিকেটগুলো হাতে পায় তখন আমি আমার যে অ্যাবিড অ্যাবিড নিতে একটা নির্দিষ্ট কক্ষে যাই। ওখানে একজন সম্মানিত ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন, আমি ওনার কাছে আমার অ্যাবিড অ্যাবিড চাইলে উনি আমাকে বলেন এটা কত টাকা দিয়ে বানিয়েছো ? আমি ওনাকে বললাম প্রায় তিন হাজার টাকার মত, উনি আমাকে পাল্টা জবাব দিয়ে বললেন আমাকে ৩০০০ টাকা দিয়ে এটা নিয়ে যাও। তারপর আমি ওনাকে বললাম আমার প্রয়োজনীয় কাগজ আমি কেন আপনাকে টাকা দিব ?
আমাদের এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলে ২০২৬ সালের জানুয়ারী বা ফেব্রুয়ারীতে অডিট আসছিলো, আসার আগেই কি কি কাগজ ঠিক করতে হবে বলে দিয়েছিলো, আমরাও সব কাগজ রেডি রেখেছিলাম কিন্তু তারা (অডিট অফিসার) ছিলো ২জন তারা এসেই আমাদের শাশাতে শুরু করে এবং যারা Ntrca থেকে নিয়োগ তাদেরকে তো আরও গরম দেখাচ্ছিলো এবং Ntrca থেকে সুপারিশপ্রাপ্তদের পরীক্ষা নেয় এবং বলে আপনারা যা লিখছেন তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিবো এবং আপনারা কেমনে চাকরি করেন তা দেখে নিবো।এরপর সকলের উদ্দেশ্যে বলে এই স্কুলের অনেক সমস্যা সো এই সমস্যা সমাধান করতে সকলের একমাসের স্যালারি লাগবে অর্থাৎ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।ফলে সেটা দেয়া লাগছে।এবং পরের মাস সব শিক্ষক খুব কস্টে দিন পার করছে।
আমার দুলাভাই রহিমাহুল্লাহ প্রাইমারি স্কুলে চাকরি রত অবস্থায় মারা যায় ৬ বছর চাকরির বয়স। তখন তাঁর আবেদনে কাগজপত্র নাড়াচাড়ার জন্য চা নাস্তা, গাড়িভাড়া বাবাদ ৫০০০০ চাইছে কাজ শেষে ৩০০০০/- দিতে হইছে।
মাল জমা করার পর দাবি করে।
Transfer er jonno taka chaise, porichito lok dekhe naki discount diyeche.
Uttara High School and College e admission neyar somoy amake 5000 taka bribe dite hoye chilo. It is so pathethic experience for me .
একজন নাগরিক হিসেবে এটা আবেদন করছি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফর্ম ফিলাপ ফি অতিরিক্ত আদায় করছেন। তার ভাষ্যমতে শিক্ষা বোর্ড তাদের কাছ থেকে পুরো ৫০০০টাকা নিচ্ছে আর সেন্টার ফি বাবদ অতিরিক্ত ২৫০০ টাকা । কিন্তু ফর্ম ফিলাপের মোট প্রদেয় ফি বিজ্ঞান বিভাগের ২৪৩৫ টাকা যেতা সর্বোচ্চ আর সেন্টার ফি বাবদ ৫১৫ টাকা সর্বোচ্চ । কিন্তু তিনি সত্যিকার অর্থে যা অর্থ প্রয়োজন তা বোর্ডে জমা দিচ্ছেন বাকি টাকা তিনি আত্বসাথ করছেন। আমি টাকা পরিশোধ করেছি এতে আমার কিছু করার ছিল না কিন্তু আমার পরে যারা আসবে তারা যেন এই অসুবিধা না পায়। বিদ্র: তিনি বিগত ৭ বছর বা তার বেশি সময় ধরে এই কাজ করে আসছেন।
পাসপোর্ট করার জন্য এনওসির প্রয়োজন ছিল । উপরি পাওনা দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না!
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে টাকা ছাড়া এমপিও আবেদন রিজেক্ট করে দেন এবং ইএফটি বিল ও রিজেক্ট করে দেন টাকা না দিলে। এজন্য তার কথা মত যার কাছে যত টাকা চায় দিতে হয়।
এমপিও ফাইল পাঠানোর জন্য, ইএফটি বিল সাবমিট এর জন্য খাম দিতে হবে খুশিমনে শিক্ষা অফিসারকে; উনি নিজই খাম নেন এবং জিজ্ঞেস করেন এই টাকাটা তাকে খুশিমনে দেওয়া হয়েছে কিনা।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পদোন্নতিতে ঘুষের অভিযোগ! আমার মায়ের লেকচারার থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়মতান্ত্রিক পদোন্নতির ফাইলসহ একই কলেজের আরও কয়েকজন শিক্ষকের ফাইল সংশ্লিষ্ট এক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আটকে ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, ফাইল চূড়ান্ত ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রত্যেক শিক্ষকের কাছ থেকে ۲۰,۰۰۰ টাকা করে ঘুষ দাবি করা হয়। ফাইল আটকে থাকার কারণে শেষ পর্যন্ত আমার মা ও তাঁর সহকর্মীরা বাধ্য হয়ে দাবিকৃত টাকা দিতে হয়। টাকা কম নেওয়ার অনুরোধ করা হলে ওই কর্মকর্তা জানান, “ওপরমহলেও টাকার ভাগ দিতে হয়।” এটি অত্যন্ত গুরুতর দুর্নীতির ঘটনা। আমার জানা মতে, অনেক এমপিওভুক্ত শিক্ষককেই পদোন্নতির ক্ষেত্রে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি এই অন্যায়ের অবসান চাই।
স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল তাদের মাসিক বেতন বিল করিয়ে দেবার জন্য টাকা দাবী করে প্রত্যেক এমপ্লি দের থেকে । প্রতিষ্ঠানের নামঃ পশ্চিম ছিটকি স্কুল এন্ড কলেজ অধ্যক্ষের নামঃ — এ ছাড়াও কয়েক মাসের বেতন যাকে এরিয়ার বিল বলে সেই টাকা প্রাপ্তির জন্য ও উনি টাকা খেয়েছে । প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনেক বিল উনি মেরে দিয়েছেন । চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগের জন্য ۲۰ লাখ টাকা উতকচ গ্রহন করেছেন + নিজে রাতের আধারে প্রিন্সিপাল হবার জন্য ۱۵ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন
এনটিআরসিএ মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলে বেতন করতে গেলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ডিজি টাকা ছাড়া বেতন করতে রাজি হয় না।এরকম ঘটনা সারা বাংলাদেশে সব সময় হচ্ছে।টাকার বিনিময়ে জবের সব রিক্রুটমেন্ট ঠিক না থাকলেও বেতন করে আনতেছে। এজন্য বাংলাদেশে অসংখ্য ভূয়া শিক্ষক শিক্ষকতা করেছেন।
যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন চাওয়া হলে অফিস এর এক কর্মচারি পরবর্তিতে এক কর্মকর্তা প্রথমে ১০,০০০/ পরবর্তীতে কমিয়ে ৫০০০/- চায়। এখনো না দেয়ায় প্রতিবেদন রিপোর্ট পাচ্ছি না।
I needed to correct my mother's name on her birth certificate urgently and had no other choice. I tried to avoid paying a bribe, but I couldn't.
কলেজে কোন প্রকার এডমিট কার্ড রেজিস্ট্রেশন কার্ড কোন কিছু উঠাতে গেলে সরকারিভাবে ফ্রি কিন্তু কলেজ থেকে ওই একটা নির্দিষ্ট লোক 100 টাকা করে দাবি করে যেটা আমাদের পক্ষে দেওয়া অতটা সহজ না কারণ আমরা ছাত্র। ওই ১০০ টাকাটাই কষ্টটর হয়ে ওঠে , বিশেষ করে যখন ফরম ফিলাপ করি এবং তারপরে যখন চায় তখন ফরম ফিলাপ করার জন্য যে টাকা নিয়ে যাই সেটা পরিশোধ করার পরে ওই ১০০ টাকাটা যেন গলার কাটা হয়ে দাঁড়ায়।
স্কুলগুলোতে যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ক্লাস শিক্ষকের কাছে টিউশন করে তার কাছে প্রাইভেট পড়ে তাহলে তিনি নাম্বার বাড়িয়ে একটি ক্লাসের অনেক ছাত্র-ছাত্রীর মনোবল ভেঙ্গে ফেলেন । ৭০/৮০ জন ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে তার কাছে প্রাইভেট পড়ার প্রবণতাটা বেড়ে যায়। প্রায় সকল স্কুলে , বিভিন্ন সাবজেক্টে একই ধরনের চলছে