সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৩,৭৫৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ভূমি অফিস

নামজারি

নামজারি আবেদন। আমি শুনানি তারিখে সকল কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত থাকার পরও আবেদনটি না মঞ্জুর করা হল। কারণ হিসেবে দেখালো আমি শুনানিতে উপস্থিত হয়নি।

ঘুষ দিইনি
ফেনী ৳৬.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

বসতবাড়ি জোরপূর্বক দক্ষল

আমার নিজের বসত বাড়ী আমার ঘর ভেঙে গাছ কেটে জোরপূর্ব ঘর নির্মাণ করে আমি এসিলেন্ট এর কাছে অভিযোগ করলে তিনে দুই পক্ষকে ডাকেন যখন আমাদের মিটিং চলে তখন স্থানীয় বিএনপি এর নেতারাও উপস্থিত থাকেন এসিল্যান্ড সাহেব আমাদেরকে কোন সমাধান না দিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা বলেন ওরা আমাকে ৫০ হাজার টাকা দিছে তোমরা যদি আমাকে এক লক্ষ টাকা দাও আমি বিষয়টা সমাধান করে দিব না হইলে তোমরা এই এলাকাতে আমার অনুমতি ছাড়া কিছুই করতে পারবো না। আমি থানায় অভিযোগ করতে গেলে থানার কর্মকর্তা অভিযোগ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় এবং বলে বিএনপি'র কোন বড় এক নেতার এ ব্যাপারে অভিযোগ করা আছে তাই তারা অভিযোগ নিতে পারবে না

ঘুষ দিইনি
আলফাডাঙ্গা, ফরিদপুর ৳১.০০ লাখ
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

ভূমি সেবা

বিষয়টি আমাকে খুবই খারাপ লেগেছিল আদালতের আমাদের একটা রিপোর্ট আসে আমাদের কাছে টাকা চায় আমরা যদি পাড়ায় আমাদের বিবাদীদের কাছে নিয়ে ওদের পক্ষেরই রিপোর্ট দেয়

ঘুষ দিইনি
নীলফামীর, ডিমলায়,খগাখড়ীবাড়ী ইউনিয়ন ৳১০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি

জমির নামজারি করার জন্য সরকারি ফি ১১০০ টাকা, কাগজপত্র ঠিক থাকলে ও বলে না দিলে সময় লাগবে ভুল হবে, অফিসে আউটসোর্সিংয়ে রাখা লোক দিয়েই টাকা নেওয়া হয় তাদের খরচ বাবদ।

ঘুষ দিয়েছি
শরীয়তপুর, সখিপুর ৳৫৬.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি খতিয়ান

ভূমি অফিসে এটি একটি রমরমা ব্যবসা হয়ে দাড়িয়েছে। সরাসরি ডিল করছেন ওনারা। প্রতিটা কাজের জন্য দাম ফিক্সড করা। নামজারি করতে ১১০০ টাকা লাগে। অথচ তারা ৭,০০০-১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। দালাল ছাড়া সরাসরি করতে গেলে তারা গরিমাসি করে। তাই সাধারন জনগণ হিসেবে আমি এই জুলুমের শেষ চাই।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳৭.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

জমি অধিগ্রহণের টাকা তোলা সংক্রান্ত

আমাদের পরিবারের জমি রেললাইন এর জন্য সরকার অধিগ্রহণ করেছে। তো সেটার টাকা তুলতে গিয়ে সকল কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ৪ পার্সেন্ট টাকা ছাড়া কাজ হবে না বলে। এটা নিয়ে অনেক ঘোরার পর বুঝে যাই যে এটা থেকে বাচার তেমন কোন উপায় নাই। এক দালাল এর মাধ্যমে তাদেরকে ৩ পার্সেন্ট (২,৭০,০০০) এ কাজ সম্পন্ন করি

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳৩.০০ লাখ
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
ভূমি অফিস

নামজারি

সরাসরি 1200 টাকার নামজারি ভোগান্তি ছাড়া 5000 টাকায় করে দেবে বলে 5000 নিয়েছে

ঘুষ দিয়েছি
চুয়াডাঙ্গা ৳৫.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি

আমার ওয়ারেশ সুত্রে পাওয়া জমি নাম খারিজ করতে যাই কিন্তু কেউ ৫ হাজার টাকার কমে করে দেয়নি। সবাই বলেছে আপনি একা একাই করেন পারলে। আমি করতে গেলে তহসশিল অফিসের সহযোগিতা পায়নি। অবশেষে ৫০০০ টাকা একজনকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়েছি।

ঘুষ দিয়েছি
মিরপুর, কুষ্টিয়া ৳৫.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

বিডিএস জরিপ, বিডিএস মাঠ পযাযে জরীপ জন্য আমাকে বাধ্য করছে ১লক্ষ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে

জমি জরিপ এসে, তারা কাগজ পএ ঠিক থাকা সত্বেও নানাভাবে হয়রানি করে! তারপর তারা টাকা দাবি করে, বলে ৫ লক্ষ টাকা দিলে সব ঠিক করে দিবে! তারপর ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করতে বাধ্য হই!

ঘুষ দিয়েছি
সিংগাইর, মানিকগঞ্জ ৳১.২০ লাখ
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি

প্রতিটা নামজারি র জন্যে 5000 টাকা দিতে হবে

ঘুষ দিয়েছি
গোপালগঞ্জ। কাশিয়ানী ৳৫.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

খারিজ সংশোধন

আমি জমির খারিজের জন্য একজন ব্যক্তির সহায়তা নিই। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে দেওয়ার আশ্বাসে তিনি ধাপে ধাপে আমার কাছ থেকে ৪৪,০০০ টাকা নেন। পরে জানতে পারি, সরকারি ফি প্রায় ১,১১০ টাকা। বৈধ কাগজপত্র নিয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে নায়েব তা গ্রহণে অস্বীকার করেন। পরে শ্রীপুর উপজেলা ভূমি অফিসে পূর্বের ব্যক্তিকে সঙ্গে আনতে বলা হয়। সেখানে এক কর্মচারী টাকা দাবি করেন; 5000 টাকা, কথনের ভয়েস রেকর্ড সংরক্ষিত আছে। চাপের মুখে আরও ৫,০০০ টাকা দেওয়ার পরই খারিজের কাজ সম্পন্ন হয় আর সেখানে আগের ব্যাক্তি কে ডাকা সম্ভব ছিল না কারণ সে আরো টাকা দাবি করছিল যা না দিলে সে খারিজ এর কাগজ দিবে না বলেছে । মানে টোটালি ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিস সব chained corrupted ।

ঘুষ দিয়েছি
শ্রীপুর, গাজীপুর ৳৪৪.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

KHATIAN

খতিয়ান এর নকল এর জন্য ১৭ টা খতিয়ান ১৭০০০ টাকা দিলাম , না দিলে নকল দিবে না

ঘুষ দিয়েছি
NOAKHALI ৳১৭.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি

নামজারি করতে টাকা চায়

ঘুষ দিইনি
ভালুকা ৳১০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি আবেদন

নামজারিয়া আবেদন করতে যেয়ে ভূমি অফিস সম্পর্কে আমার অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়। সমস্ত ডকুমেন্টস নিয়ে যাওয়ার পরও তারা দেখা যাচ্ছে দিনের পর দিন ঘুরাবে। এরা আমাদের পাসপোর্ট অফিস রাজশাহীর থেকেও বেশি ঘুরায়। এবং এটা কোনো কারণ ছাড়া আপনি যতক্ষণ না ঘুষ দিবেন ততক্ষণ আপনাকে ঘুরাতেই থাকে। তো আমি যখন নামজারি আবেদনের জন্য বললাম যে আমার এটা এটা করা লাগবে, তখন আমাকে বলল যে হ্যাঁ হবে কিন্তু ম্যাডাম একটু সমস্যা আছে বুঝতেই তো পাচ্ছেন আপনার জমে অনেক ঝামেলার, ইভেন ওখানে যিনি প্রিয়ন থাকে তা না তার ডিমান্ড অনেক বেশি সে যেকোন একটা নথি বই বের করতে ২০০০,৩০০০ বা ১০০ টাকাও নেই এটা ডিপেন্ড করে যে আপনার জমি কতটুকু আপনি কি রকম ড্রেসআপ করে আসছেন। আপনি বলদ কিনা তার ওপর। এবং আমি বেশ কয়েকবার এই ফাঁদে পড়ে আমি কিছু টাকাও দেই

শুধু দাবি করেছে
রাজশাহী ৳৬.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

মিসকেস

আবার দাদার সম্পত্তির রেকর্ডে একটু ঝামেলা ছিল। দলিলে আমার দাদা এবং আমার চাচাতো দাদা দুজনেই আট আনা, আট আনা অংশীদার। কিন্তু রেকর্ডে ভুলবশত কিছু জমি আমার চাচাতো দাদা বেশি রেকর্ড করে নেয়।এই রেকর্ডটি সংশোধন করার জন্য ভূমি অফিসে একটি মিসকেস করি। এ মিসকেসটি করা এক বছর হলেও কাজের কোন অগ্রগতি দেখতে পাওয়া যায় না। শুধু অফিসে দিনের পর দিন ঘুরতেই থাকি। একদিন অফিসের এক পিয়নের মাধ্যমে আমাকে জানানো হয়। এভাবে দিনের পর দিন ঘুরে আপনার কোন কাজ হবে না। কাজ করতে হলে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হবে । শেষমেষ কোন উপায় না থাকায় আমি তাদের সাথে ৫০ হাজার টাকায় চুক্তি করি। এবং ৫০০০০ টাকা দেওয়ার কারণে এক মাসের মধ্যে আমার কাজটি সম্পন্ন হয়।

ঘুষ দিয়েছি
সাপাহার ৳৫০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি

নিজে নিজে নামজারি করতে গেলে নানা ধরনের সমস্যা দেখায়,আর ঘুষ দিয়ে করলে কোনো সমস্যা নেই,তাই বাধ্য হয়ে ৬০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করতে দিয়েছি।

ঘুষ দিইনি
ময়মনসিংহ ,মুক্তাগাছা,খেরুয়াজানি ভুমি অফিস ৳৬.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

জমি কাগজ পত্র অনলাইন হবে সেখানে নামের ভুল। ছিলো। মানে টাইপিং মিসটেক।

আমি টাকা দিয়েছি, পরে সংশোধন হয়েছে কি না জানি না। আমি ওই রেজুলেশন বই এর ছবি তুলতে চাইছিলাম আমাকে দেয় নাই। আবাট টাকা গ্রহণের রশিদ ও দেয় না-ই। বললাম এটা তো টাইপিং মিসটেক আপনারাই ঠিক করে দিন। আমার তো যাবতীয় কাগজপত্র ঠিক আছে। তাহলে টাকা দিবো কেন তারা বলে যে এটা এভাবেই পাঠাবো তাহলে। তাহলে আর বড় ভুল হবে, তখন মামলা মোকদ্দমা করে জমির কাগজপত্র ঠিক করতে হবে। তাই আর কিছু না বলে ২৫০০ টাকা দিয়েছিলাম।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া জেলা, ধুনট। ৳২.৫ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নাম জারী করার জন্য

নামজারি করার জন্য ১৬ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। সমস্ত কাগজপত্র সঠিক থাকার পরেও। অন্যথায় ঘাস জমি হিসাবে প্রদান করা হবে।

ঘুষ দিয়েছি
নারায়ণগঞ্জ ৳১৬.০০ লাখ
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

জমির খাজনা পরিশোধ

জমির খতিয়ান/ দাগ অনলাইন করা হয়নি খাজনা দেয়া যাবেনা। বলা হলো আপনারা অনলাইন করা বন্ধ রেখেছেন প্রায় বছর ধরে, কিভাবে অনলাইন করবো; তাছাড়া অনলাইন করার দায়িত্ব তো ভূমি অফিসের! উপরের কাউকে দিয়ে অনুরোধের পর কাজ শুরু হলো। কিন্তু কখনও বলা হলো সার্ভার ডাউন, বিদ্যুৎ নাই, কম্পিউটারে কর্মচারী নাই ইত্যাদি। ৬ দিন যেতে হলো। টাকাও দিতে হলো প্রতি খতিয়ানের নিজস্ব অংশে ২০০/ করে মোট ৪৫০০/ টাকার মত। আর ছয়দিনের যাওয়া আসার খরচ, বাইরে হোটেলে খাওয়া ও ভোগান্তির কস্ট কত তা অর্থনীতিবিদরা বের করুন opportunity cost হিসেবে করে। যখন ডিজিটাল ছিলনা একদিনেই খাজনা দেয়া যেতো।

ঘুষ দিয়েছি
রঙ্গশ্রি ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৳৪.৫ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারী

আমাদের বংশীনগর মৌজা, পাথরঘাটা ভূমি অফিসে ৫টি,নামজারী করার জন্য আমার চাচার কাছ থেকে, ঘুষ নিয়েছে। দ্রষ্টব্যঃ আমি নিজে কয়েক বার অনলাইনে আবেদন করেছি কিন্তু ঘুষ দেইনি বলে নামজারী হয়নি...

ঘুষ দিয়েছি
মির্জাপুর ৳৫.৯০ লাখ
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬